তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
২০ মিনিট বাড়ছে মেট্রোরেলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদসহ ২১ জন গ্রেফতার সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২ হাতের ছোঁয়ায় গড়ি ঐতিহ্য, শিল্পীর মর্যাদায় গড়ি সমৃদ্ধি মৃৎশিল্পী কারিগর সম্মাননা-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু'র ক্যাশিয়ার কসাই লিটনসহ গ্রেফতার  পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা, ফ্ল্যাট দখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ময়লা-আবর্জনার স্তূপে অতিষ্ঠ চাটখিল, প্রশাসনকে দুষছেন জনগণ মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ শ্রীবরদীতে র‌্যালি, পরিষ্কার অভিযান ও লার্ভিসাইড স্প্রে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ সাদাপাথর ভ্রমণে প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির বিষয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অভিযানে পিলার প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের গজনী পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শন বরগুনায় স্বপ্নযাত্রী একতা ফাউন্ডেশনের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন আর্তেরআশার সম্পদ আত্মসাৎ ও বসতভিটা দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ৪০ পরিবার চাঁনশিকারী বিজিবির অভিযান চোরাকারবারি আটক, ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ ইউরোপের মাটিতে প্রথম জয়ের পর উচ্ছ্বাস ও বাস্তবতা জানালেন বাংলাদেশ কোচ বাগেরহাটের ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের আত্মহত্যা পুলিশে মেধাবীদের বঞ্চনা : দক্ষ নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে প্রশাসন তারেক রহমান মন্দিদের পুরোহিতদের জন্য বেতন ভাতার ব্যাবস্থা করেছেন-নাটোরে হুইপ কেশবপুরে গবাদি প্রাণির সুরক্ষায় খামারিদের প্রশিক্ষণ কেশবপুরে অভিযানে নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার ঢাকা নবাবগঞ্জে এক সপ্তাহ নিখোঁজের পর মৃতদেহ উদ্ধার মোংলায় ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ দীর্ঘ ৮ বছরের সংগ্রাম পেরিয়ে অবশেষে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্নাতক হলেন শেরপুরের কৃতি সন্তান ও সমাজকর্মী আজহ... ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট মহাখালীতে বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের বিজিবি ব্যবসায়ী ধস্তাধস্তি অতিরঞ্জিত করেছে মোবাইল সাংবাদিকরা আমতলী সমাজসেবা অফিসার পরিচয় দিয়ে নারী প্রতারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষা সম্মান পেলেন ৬ শহীদ বাংলাদেশি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সাথে সখ্যতা বহাল তবিয়তে ‘খন্দকার পরিবার’ বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় শোক প্রস্তাব ক্রিপ্টোকারেন্সি বাণিজ্যের মূলহোতা বেপরোয়া ডিজিটাল মাফিয়া আব্দুল্লাহ জায়েদ ঝিনাইগাতীতে সরকারি বনভূমি বেদখল: রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ  ২০১৩ সালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরও নেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ঝুঁকিতে মধ্য বোয়ালখালী বাজার কিছু অসাংবাদিক সাংবাদিকের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে-দুলু শেরপুরের সফল উদ্যোক্তা কৃষিবিদ ডা. মোঃ শহিদুল্লাহ শরীফ ঝিনাইগাতীতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি দীঘিনালায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মিলল রহস্যঘেরা চিরকুট প্রাণী সংরক্ষণে নাটোরে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সাইনবোর্ড স্থাপন বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (মহানন্দা সেতু) টোলমুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ‘জিনের বাদশা’ সেজে টেলিগ্রামে প্রতারণা, ২১ লাখ টাকা আত্মসাতকারী গ্রেফতার আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি সদস্যের মৃত্যু যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিন্দার ঝড় উঠেছে রামপাল-মোংলায় রংপুরে শতবর্ষী চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী রামগড় থানা পুলিশের অভিযানে সিলং তীর জুয়া ব্যবসায়ী আটক ভোলাহাটে হেরোইন ও গাঁজাসহ মা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৩ জন আটক সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযান ৪টি নৌকা ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম জব্দ

এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার

এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোগান্তি, ঘুষ ও দুর্নীতির সমার্থক নাম হয়ে উঠেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছ থেকে। জমি রেজিস্ট্রেশন, দলিল সম্পাদন, নকল উত্তোলন, রেকর্ড তলাশি, সংশোধন এমনকি জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মতো সরকারি সেবাগুলোতে নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যার অন্যতম প্রধান ব্যক্তি হিসেবে উঠে এসেছে উমেদার বাবু হাওলাদার নামের একজন কর্মচারীর নাম।

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে কার্যত কোনো দলিল নিবন্ধনই ঘুষ ছাড়া সম্পন্ন হয় না। অভিযোগ অনুযায়ী, এই ঘুষ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বাবু হাওলাদার। তার মাধ্যমে দলিল লেখক, উমেদার ও কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যা সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে রাখে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, নির্ধারিত ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখা, অকারণে ত্রুটি দেখানো কিংবা দিনের পর দিন ঘুরানো হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাবু হাওলাদারের কর্মজীবনের শুরু ছিল অত্যন্ত সাধারণ পর্যায় থেকে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক সময় তিনি রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গেটের সামনে বাদাম বিক্রি করতেন। পরে এক উমেদারের সহকারী হিসেবে চা-পানি দেওয়া ও দাপ্তরিক খুচরা কাজ করার সুযোগ পান। কোনো নিয়োগপত্র ছাড়াই মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তিনি কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব ও ক্ষমতা দ্রুত বাড়তে থাকে।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের প্রশাসনিক পরিস্থিতি কঠোর হলে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি ঘুষ লেনদেনে সতর্ক হয়ে ওঠেন—এমন দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ওই সময় বাবু হাওলাদারকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কারণ, তিনি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন না। গ্রেপ্তারের ঝুঁকি তৈরি হলে তাকে “কর্মকর্তাদের কেউ নন” বলে অস্বীকার করার সুযোগ ছিল। এই অবস্থান থেকেই বাবু হাওলাদার সব ঘুষের লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ।

সূত্রগুলোর দাবি, দলিলভেদে সাব-রেজিস্ট্রারদের নাম ব্যবহার করে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করতেন। এর একটি অংশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হলেও বড় অংশ আত্মসাৎ করা হতো। ওই দুই বছরে তার আর্থিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ভাষায় বলা হচ্ছে, “আঙুল ফুলে কলাগাছ” হয়ে ওঠেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে তিনি রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের উমেদারদের মধ্যে প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীই তার প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে তাকে এড়িয়ে চলেন কিংবা প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পান না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, অফিসের ভূমি সংক্রান্ত বহু কার্যক্রম বাস্তবে বাবু হাওলাদারের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয়।

তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কখনো অস্তিত্বহীন ব্যক্তিকে মালিক সাজিয়ে, কখনো ভুয়া কমিশনের মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করে সাধারণ মানুষের জমি প্রভাবশালীদের নামে লিখে দেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম দিনের বেলায় অফিস চলাকালীন সময়েই নয়, রাতের বেলাতেও সংঘটিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঘনিষ্ঠজনের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রারদের অবৈধ অর্থ তিনি হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাঠান এবং সেখান থেকে তা বৈধ পথে দেশে ফিরিয়ে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার বাড্ডা এলাকায় তার একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট রয়েছে এবং গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক তিনি। বিলাসবহুল ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাফেরা করাও তার নিয়মিত অভ্যাস বলে স্থানীয়দের দাবি।

২০১৭ সালে এসে তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উমেদার হিসেবে নিয়োগ পান—এমন অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই তার অপকর্মের মাত্রা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় তাকে ঘুষ না দিলে কোনো দলিল নিবন্ধন সম্ভব নয়—এমন অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন দলিল লেখক ও ভুক্তভোগী।

এদিকে বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে একটি আলোচিত ফৌজদারি মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। মামলার নথি ও পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১১ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বারে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন ব্যক্তি মারা যান। ওই ঘটনায় বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে মারধরের মাধ্যমে মৃত্যুর অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ওই রাতে হোটেল বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী ব্যক্তি গুরুতর আহত হন এবং তার মৃত্যু হয়।

মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ বাবু হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে এবং রিমান্ডে নেয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের অক্টোবরে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। নথি অনুযায়ী, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে পরে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

এই মামলার পরও তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিকভাবে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি একই দপ্তরে বহাল তবিয়তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থ ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছেন।

আইজিআর অফিস, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর নিষ্পত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়—এমন দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এই বিষয়ে বাবু হাওলাদারের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুর রেজিস্ট্রেশন অফিসে চলমান দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ফ্যাসিবাদের দোসর গণপূর্ত এসডিই মাসুম বিল্লাহ বহাল তবিয়তে

স্টাফ রিপোর্টার॥ গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে। চাক্রিকে হাতিয়ার বানিয়ে পদ ও পদবী ব্যবহার করে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ ঘুষ দুর্নীতি আর পার্সেন্টেজ বাণিজ্যে তিনি ক্রমেই হয়ে উঠছেন অপ্রতিরোধ্য। বিতর্কিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেটের বদৌলতে স্বৈরাচার লীগ সরকারের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী নেতা আমির হোসেন আমুর আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে চাকরিতে ঢুকে লোভনীয় পোষ্টিং পদোন্নতি নিয়ে বর্তমানে নামে-বেনামে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকার সহায়-সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের। তার অনিয়ম-দুর্নীতির আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দেখতে বাংলা টাইমসের সাথে থাকুন। অভিযোগে জানা যায়, প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগর ইউনিয়নের কাঠিরপাড়া গ্রামের স্থায়ী নিবাসী। তার পিতা ইউনুস আলী ছিলেন ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্য। মাসুম বিল্লাহ বুয়েটে পড়ার সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই সুবাদে

আরও পড়ুন
language Change