তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ সওজে আজাদ সাম্রাজ্য টেন্ডার বদলি, বিল কমিশনের জাদুকরী খেলায় তোলপাড় সড়ক ভবন ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ রেল যোগাযোগের আওতায় যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ময়লা অপসারণে ব্যাপক উদ্যোগ-সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়: আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি বাংলা টিভির সামাদুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় ডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ১০ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ ইথিওপিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩১ সিরাজগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য আটক সমতায় শেষ হল ইরান-নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর লড়াই মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে শেখ বোরহান উদ্দিন রেকর্ড পতনের পর আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ বুধবার মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী , চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙ্গা আমের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু বরগুনায় পুলিশ সার্ভিস ডেস্ক সেবা বিষয়ে সচেতনতা সভা রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ সাতক্ষীরা উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা মালিকদের নিকট হস্তান্তর নড়াইলে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারনের অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে মাছ শিকারের জালে ধরা পড়লো বিশালাকার অজগর ৪৪৪ বর্গকিলোমিটারের কুরাসাও বনাম ২০ কোটির বাংলাদেশ: ফুটবলের আয়নায় এক কঠিন বাস্তবতা এবি ব্যাংক শ্রীমঙ্গল শাখার কৃষিঋণ বিতরণ

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন
পাঠক সংখ্যা
638

মো.মাসুদ রানা, খাগড়াছড়িঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি, সহাবস্থান আর সম্প্রীতির কথা আমরা প্রায়ই শুনি। বলা হয়, এই পাহাড় বহু জাতিগোষ্ঠীর মিলনের প্রতীক। কিন্তু কখনো কখনো এমন কিছু ঘটনা সামনে আসে, যা সেই সুন্দর কথাগুলোর ভেতরের অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে নগ্ন করে দেয়। একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী। নিজের কণ্ঠে প্রতিবাদ করার ক্ষমতাও যার নেই। সেই তরুণী উনিংকার মারমা (২১) খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাতছড়ি ইউনিয়নের হাফছড়ি পাড়ার বাসিন্দা। গত ৩ মার্চ ২০২৬, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি নিজের এলাকা থেকে জালিয়াপাড়া র উদ্দেশ্যে বের হন। কিন্তু তারপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

একটি পরিবার তখন পাগলের মতো খুঁজে বেড়িয়েছে তাদের মেয়েকে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তারা গুইমারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে। প্রথম থেকেই আশঙ্কা ছিল ভয়ংকর কিছু ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালালে ও দিনের পর দিন মেয়েটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের নীরবতা যেন গিলে ফেলেছিল একজন অসহায় তরুণীর আর্তনাদ। অবশেষে ৯ মার্চ সকালে খবর আসে দুর্বৃত্তরা তাকে জালিয়াপাড়া এলাকায় ফেলে রেখে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই কয়েকটি দিন তার সাথে কী ঘটেছিল।

উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত মানিকছড়ি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক রা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠান এবং ডিএনএ পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য। এদিকে একই দিন বিকেলে স্থানীয় জনগণ সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের গড়াইছড়ি এলাকা থেকে এক যুবককে আটক করে। অভিযোগ উঠেছে এই যুবক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িত। আটক ব্যক্তির নাম অংক্যজায় মারমা (৩৭)। স্থানীয়দের দাবি, তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ক্যজ মারমা (৫০) ইতোমধ্যে ভারতে পালিয়ে গেছে। আরও বিস্ময়কর বিষয়-স্থানীয় সূত্র বলছে, আটককৃত ব্যক্তি বর্তমানে সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হেফাজতে রয়েছে।

এখানেই শুরু হয় সবচেয়ে তীব্র প্রশ্নগুলো। অভিযোগ উঠেছে, কিছু আঞ্চলিক সংগঠন বিষয়টি রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় না এনে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছে। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর সম্ভাব্য অপহরণ ও নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ কি কোনোভাবেই স্থানীয় দরকষাকষি বা সামাজিক চাপে মীমাংসা হতে পারে। আরও বড় প্রশ্ন উঠছে পাহাড়ের মানুষের মনে। অতীতে বহুবার দেখা গেছে-যদি কোনো বাঙালি যুবকের বিরুদ্ধে পাহাড়ি নারীর সাথে এমন অভিযোগ ওঠে, তখন পুরো পাহাড় উত্তাল হয়ে ওঠে। মিছিল হয়, প্রতিবাদ হয়, কঠোর বিচারের দাবি ওঠে।
কিন্তু যখন একই ধরনের অভিযোগ নিজেদের সম্প্রদায়ের ভেতরে ঘটে, তখন কেন অনেক সময় সেটি নীরবে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কেন তখন আইনের বদলে স্থানীয় মীমাংসার কথা সামনে আসে। একজন নির্যাতিত নারীর আর্তনাদ কি তার অপরাধীর পরিচয় দেখে বিচার পাবে।

ন্যায়বিচার কি জাতি দেখে, মানবাধিকার কি সম্প্রদায় দেখে। আইনের শাসনের মূল কথা খুবই স্পষ্ট অপরাধী যে-ই হোক, তার বিচার হবে আইনের মাধ্যমে। কিন্তু যদি কোনো অপরাধের বিচার নির্ধারিত হয় ক্ষমতা, প্রভাব বা সামাজিক চাপের মাধ্যমে তাহলে সেই সমাজে ন্যায়বিচারের জায়গা কোথায়। আজ প্রশ্নটা শুধু উনিংকার মারমার নয়। প্রশ্নটা পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। একই পাহাড়ে বসবাস করেও কেন ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে দেখা যাবে দুই ধরনের আচরণ? একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর নীরব কান্না কি পাহাড়ের নীরবতায় চাপা পড়ে যাবে, নাকি এই ঘটনার মধ্য দিয়েই উঠে আসবে একটাই দাবি। অপরাধী যেই হোক, বিচার হতে হবে আইনের সামনে। কারণ বিচার যদি সমান না হয়। তাহলে শান্তির কথাও একদিন ফাঁকা শব্দে পরিণত হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গণহারে পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করবে না

স্টাফ রিপোর্টার:  গণহারে পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করবে না বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে পুলিশ সদরদপ্তরের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।   আইজিপি বলেন, নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে, বাণিজ্য হচ্ছে, প্রতারণা হচ্ছে, ৫ আগস্ট ঘিরে এসব হচ্ছে। পাইকারিহারে গ্রেপ্তার করা যাবে না। গণহত্যায় জড়িত না এমন কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না।   বাহারুল আলম বলেন, নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা পুলিশের কাজ নয়। যদি মামলার আসামি করা হয়, তাকে ধাওয়া করে গ্রেপ্তারে যাবে না। জনগণের সঙ্গে পুলিশকে বিনয়ী আচরণ করতে হবে। পুলিশের কতজন সদস্য গণহত্যায় জড়িত, জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, এখনই এ সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। তবে তাদের সংখ্যা নিশ্চিত করা হবে এবং চিহ্নিত করা হবে। গণহত্যায় জড়িত না অনেক

আরও পড়ুন
language Change