তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মানি লন্ডারিং এনসিপি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাসহ ৯ জনকে তলব ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ : প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করল আরব আমিরাত গোপালপুরে কলেজপড়ুয়া ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু রেলে বেলাল হোসেনকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মাসুম-নান্নু পরিষদের পূর্ণ প্যানেল বিজয় যমুনার বালুচরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত প্রসূতির মৃত্যু: অনুমোদনহীন ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ সিলগালা এক মাসে শাহ আমানতে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ফের পুত্র সন্তানের মা হলেন সোনম কাপুর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাটখিল সাংবাদিকদের পুনর্মিলনী জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা জারি বাসডুবিতে বিআইডব্লিউটিসির ‘গাফিলতি’ মোংলায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ কাজের টেন্ডার কারসাজি ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী দল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত ১১ পরিবর্তন নিয়ে কলম্বিয়াকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স হাদি হত্যা নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পোস্ট হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে আবারও বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে দম শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার ১৩ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে শঙ্কা সড়ক যেন মরণ ফাঁদ-দিঘলিয়ার সেনহাটিতে ইটের সড়কের ভয়াবহ অবস্থা জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে সরকারকে আইনি নোটিশ তালতলীতে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল কবে বিয়ে করছেন কৃতি শ্যানন? এলজিইডি’র পিডি এনামুল কবিরের অনিয়ম দুর্নীতি এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার রানা প্লাজার আলোচিত নাসিমা, পদ্মার সলিলে হার মানলেন ফের পদত্যাগের মিছিল এনসিপিতে এবার সুযোগ পাচ্ছে বুমরাহ-পান্ডিয়ারা

রেলে বেলাল হোসেনকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার

রেলে বেলাল হোসেনকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার
পাঠক সংখ্যা
638


নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়েকে কেন্দ্র করে একাধিক গুরুতর অভিযোগ ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন কর্মকর্তা বেলাল হোসেন সরকার। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রশাসনিক মহল, রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্তরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, টেন্ডার বাণিজ্য, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা। যদিও এসব অভিযোগের অনেকগুলোই এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি, তথাপি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি এবং কিছু আনুষ্ঠানিক নথির উল্লেখ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।
সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো তার ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে দেওয়া আদেশ বাতিলের প্রচেষ্টা। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই আদেশ প্রত্যাহারের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আদেশ বাতিল না হলে প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তাকে পদে বহাল থাকতে দেওয়া হবে না—এমন হুমকিও নাকি দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নীতিমালার পরিপন্থী বলে মনে করছেন অনেকেই।
এদিকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরে তার প্রভাব বিস্তার নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে আসছেন এবং নিয়োগ ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে একটি সুবিধাভোগী চক্র গড়ে তুলেছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই চক্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া, দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা এবং আর্থিক সুবিধা আদায়ের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।
তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে তিনি নিজেকে ৯০-এর দশকের একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করছেন, যদিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এমন কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই ধরনের পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতেও তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার নামে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ির মালিকানার কথাও উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও এসব সম্পদের উৎস সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
এছাড়া সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বা ফোরামের আড়ালে থেকে তিনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছেন এবং নতুন পরিচয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন—এমন দাবিও করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
রেলওয়ের অভ্যন্তরে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যেখানে একজন শ্রমিক নেতাকে বেলালের পক্ষে হুমকি দিতে শোনা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও অডিওটির সত্যতা যাচাই করা হয়নি, তবুও এটি প্রশাসনের ভেতরে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে এসেছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ব্যবহারের বিষয়টি। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কিছু ক্যাডারকে ব্যবহার করে কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অতীতেও তিনি এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে, যদিও এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
ব্ল্যাকমেইলিং বা ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার অভিযোগও গুরুত্ব পাচ্ছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, কিছু কর্মকর্তার ব্যক্তিগত তথ্য বা পূর্বে দেওয়া অনৈতিক সুবিধার তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে তাদের ওপর প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে, যা বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।
এই সিন্ডিকেটে বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী এবং কিছু কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে টেন্ডার বণ্টন, আর্থিক লেনদেন এবং প্রশাসনিক সুবিধা আদান-প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যারা এই প্রক্রিয়ার বাইরে থাকার চেষ্টা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনের উল্লেখ, যেখানে তার বিরুদ্ধে কিছু অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মালামাল ক্রয়ে বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে অনুমোদন দেওয়া, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি থাকা সত্ত্বেও সীমিত দরপত্র ব্যবহার করা এবং দরপত্র বিজ্ঞপ্তি গোপন রেখে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার মতো অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুবিধা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও শাস্তিটি তুলনামূলকভাবে হালকা বলে মনে করছেন অনেকেই, তবুও এটি একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি যে তার বিরুদ্ধে কিছু অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে।
রেল প্রশাসনের অভ্যন্তরে এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী মনে করছেন, যদি অভিযোগগুলো সঠিকভাবে তদন্ত ও বিচার না করা হয়, তাহলে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ ওঠার পরও কীভাবে তিনি এত প্রভাব বজায় রাখতে পারেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহিতার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সংস্কার। অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা—উভয় ক্ষেত্রেই পরিষ্কার সিদ্ধান্ত এবং প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় গুজব, ভীতি এবং অনিশ্চয়তার পরিবেশ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, বেলাল হোসেন সরকারকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো সামনে এসেছে, তা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় খাতের সুশাসন ও স্বচ্ছতার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই অভিযোগগুলো মোকাবিলা করে এবং সত্য উদঘাটনে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ভারতে পালানোর সময় আওয়ামী লীগের প্যানেল মেয়র বিজিবির হাতে গ্রেফতার

আতিকুজ্জামান (শার্শা) যশোর : যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা গাজিপুরের সাবেক মেয়র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমানকে (৬০) গ্রেফতার করেছে শিকারপুর ক্যাম্পের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আসাদুর রহমান ঢাকার গাজিপুর জেলার পাগান গ্রামের মোহাম্মদ আলী খানের ছেলে। তিনি গাজিপুর সদর থানার দুটি হত্যাসহ ৫ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপঅধিনায়ক মেজর ফারজীন ফাহিম বলেন, আগে থেকে আমাদের কাছে গোপন খবর ছিল ঢাকার গাজিপুর জেলার ৫টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পাসপোর্ট ভিস ছাড়া ভারতে পালিয়ে যাবে। এ ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়। ওই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদকালে তার নিজ এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তিনি ঢাকার গাজিপুর সদর থানার দুটি হত্যাসহ

আরও পড়ুন
language Change