তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কেশবপুরে ৪১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই পরিচালনা আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান ভূঁইয়ার নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ইউনাইটেড গ্রুপের কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার মানি লন্ডারিং এনসিপি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাসহ ৯ জনকে তলব ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ : প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করল আরব আমিরাত গোপালপুরে কলেজপড়ুয়া ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু রেলে বেলাল হোসেনকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মাসুম-নান্নু পরিষদের পূর্ণ প্যানেল বিজয় যমুনার বালুচরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত প্রসূতির মৃত্যু: অনুমোদনহীন ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ সিলগালা এক মাসে শাহ আমানতে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ফের পুত্র সন্তানের মা হলেন সোনম কাপুর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাটখিল সাংবাদিকদের পুনর্মিলনী জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা জারি বাসডুবিতে বিআইডব্লিউটিসির ‘গাফিলতি’ মোংলায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ কাজের টেন্ডার কারসাজি ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী দল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত ১১ পরিবর্তন নিয়ে কলম্বিয়াকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স হাদি হত্যা নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পোস্ট হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে আবারও বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে দম শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার ১৩ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে শঙ্কা সড়ক যেন মরণ ফাঁদ-দিঘলিয়ার সেনহাটিতে ইটের সড়কের ভয়াবহ অবস্থা জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে সরকারকে আইনি নোটিশ তালতলীতে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল কবে বিয়ে করছেন কৃতি শ্যানন? এলজিইডি’র পিডি এনামুল কবিরের অনিয়ম দুর্নীতি এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার

আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান ভূঁইয়ার নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান ভূঁইয়ার নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
পাঠক সংখ্যা
638

মো.শাহীনউজ্জামানঃ

ঢাকা নবাবগঞ্জের বক্সনগর ইউনিয়নের বড় বক্সনগরের কোহিনুর এর বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র রামদা, চাপাতি, দা ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী নেতা মান্নান, নয়ন, মুক্তার, রাব্বি, আশিক, শুভ ভূঁইয়া গংরা। চাপাতি, দা দিয়ে ঘরের দরজা কুপিয়ে ভাংচুর ও তাদের মারপিট করেছে বলে নবাবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

অভিযোগ বিষয়ে কোহিনুর এর ছেলে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসী কানন বলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন বক্সনগর ইউনিয়নের বড় বক্সনগরে আমার বাড়ি। আমার বাবার নাম পান্না ভূঁইয়া। অনেকদিন ধরে আমাদের সম্পত্তি নিয়ে মান্নান ভূঁইয়া ওরফে মান্না আমাদের উপর নির্যাতন করে আসছে। মান্না ভূঁইয়ার কাছে আমরা অত্যাচারিত। মান্না ভূঁইয়া ও তার ছেলেরা আমার মাকে দীর্ঘ দিন ধরে নির্যাতন করে আসছেন।‌ কিছু হলেই আমার মা ও আমাদের সবাইকে মান্নান ও তার ছেলেরা লাঠিসোটা নিয়ে মারতে আসেন। ২৭ মার্চ সকালে আমাদের বাড়ি ভাংচুর ও হামলা করে। আমাদের বাড়ি নিয়ে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে মান্নান ও তার ছেলেরা মিলে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর, আমাকে, আমার গর্ভবতী স্ত্রী ও আমার মাকে মারপিট করেছে।

আমাদের মারতে ও বাড়িঘর ভাঙচুর করতে চাপাতি, দা, রামদা ও দেশীয় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। আমার মা, আমার ব‌উ ও আমাকে মেরে ফেলতে আমাদের বাসায় দেশী অস্ত্র দা, রামদা, চাপাতি নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে বাড়ি ভাঙ্গে। হামলার সময়ে আমাদের ডাক চিৎকারে গ্রামের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা ঐ সময় চলে যায়। আমরা ঘরে তালাবদ্ধ ছিলাম। গ্রামের মানুষের জন্য আমরা প্রাণে বেঁচে যাই। হামলার সময় মান্নান গংরা আমাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে যান। আমরা ঘর থেকে তাদের হুমকি শুনি। একপর্যায়ে পুলিশের ত্রিপল নাইনে আমরা কল দিতে চাহিলে, তারা তখন জাতীয় সেবা পুলিশের সহায়তা পাওয়ার ত্রিপল নাইন ও পুলিশ প্রশাসন কে মান্না ভূঁইয়া ত্রিপল নাইন কে বকাবকি করেন, যার ভিডিও রেকর্ড আছে। পুলিশ তাকে কিছুই করতে পারবে না। পুলিশ প্রশাসন তার আওয়ামী লীগের লোক, তিনি আওয়ামী লীগের বড় নেতা।

তারা কাউকে ভয় পান না। আওয়ামী লীগের আমলে যেমন প্রভাব বিস্তার করেছেন এখনো তাদের সেই প্রভাব‌ই আছে। কানন আরো বলেন, মান্না গংরা বক্সনগরে ঐসময়ে এই এলাকার মানুষের উপর অনেক জুলুম অত্যাচার ও নির্যাতন করেছেন। মানুষ ভয়ে তাদের কথা কাউকেই বলতে পারেন নাই। এখনো তারা সেই জুলুম অত্যাচার নির্যাতন করেই আসছে, এই জুলুম অত্যাচারের বিচার আমরা আপনাদের মাধ্যমে চাই। আমাদের উপর মান্নানের এতো নির্যাতন আমরা আর সহ্য করতে পারছি না। তাই নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও মাননীয় এমপি খোন্দকার আবু আশফাক মহোদয়ের নিকট আমরা সাহায্য চাই। ঐ আওয়ামী লীগের দোসর বক্সনগরের শীর্ষ সন্ত্রাসী জুলুমবাজ মান্নান ও তার ছেলেদের অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে।

এছাড়া ভুক্তভোগী কোহিনুর বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসী সবাইকে বলেছি। কিন্তু মান্নান এবং তার ছেলেদের ভয়ে কেউ কিছু বলে না। একসময় সে তার ছেলে আওয়ামী লীগের বড় দস্যু ছিল বিধায়। হামলা চলাকালীন সময়ে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে বলেন, আমাদের উপর নির্যাতনের এই ভিডিওটা আপনারা সবাই দেখেন যে, আমাদের বাড়িঘরে তারা দিনে-দুপুরে কীভাবে হামলা চালিয়েছে। আরো ভয়াবহ দৃশ্য ছিল আমরা ভয়ে সেই ভিডিও করতে পারি নাই। ভিডিও ফুটেজে শুনেন তার ছোট ছেলে নয়ন বলেছে যে, আমার লাশ খুঁজে পাওয়া যাবে না, আমাকে গুম করে ফেলবে এবং টুকরো টুকরো করে ফেলবে-এমন বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার বাসা ভাঙচুর করেছে মান্নান। আমি সকলের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

ঐ মান্নান সবার ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। আপনারা খবর নিয়ে দেখেন, শুধু আমার ক্ষেত্রে না, গ্রামবাসী আরও যারা আছে, এমনকি আমার এক কাকিকেও তার পাওনা সে ঐ জায়গা-সম্পত্তি দেয়নি। সবার ওপর সে একই রকম অত্যাচার করে। কিছু হলেই সে দা, চাপাতি, রামদা ও লাঠি-সোঁটা নিয়ে বের হয়। কাউকেই শান্তিতে বসবাস করতে দিচ্ছে না, মান্নান ও তার ছেলে সন্ত্রাসীরা। হামলার বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ পরিদর্শক জানান, ঘটনাটি নিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বড় বক্সনগরে, আমরা ঘটনার সত্যতা পেয়েছি ভিডিও ফুটেজ দেখে। তো এ বিষয়ে যেহেতু অভিযোগ হয়েছে তাই আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পাওয়ার হাউজ এখন জুলাই জাদুঘর

পাওয়ার হাউজ এখন জুলাই জাদুঘর

ডেস্ক রিপোর্ট: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করতে পূর্তকাজের অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। মঙ্গলবার অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়। এখন অনুমোদন দেওয়া হলো পূর্তকাজের। উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের আগেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের অনেক কাজ এগিয়ে নেয় সরকার। ইতোমধ্যে সেখানে বিভিন্ন স্মৃতি সংরক্ষণও করা হয়েছে। গণভবনের অবস্থান জাতীয় সংসদের উত্তর কোণে শেরেবাংলা নগরে। সেখানে বসবাসকারী একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সরকারপ্রধান হিসেবে এখানেই ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হলে ২০১০ সালে পরিবারসহ

আরও পড়ুন
language Change