তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ভোলাহাট প্রেসক্লাবের বনভোজন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগ দেবে সরকার ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ ডিএনসির অভিযান ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন দাকোপে কোটি টাকার পিচঢালা রাস্তা এখন মরণফাঁদ চাটখিলে শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ খুলনায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ রূপসায় যুবককে গুলি করে হত্যার চেষ্টা দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ​সোনামসজিদ সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্য বন্ধেরে দাবি জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন পহেলা বৈশাখে চন্দ্রিমা ফিটনেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা বৈশাখী শোভাযাত্রায় নতুন বছরকে বরণ রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে সিজারিয়ান অপারেশনে পর মৃত্যু কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী নুরুজ্জামান ইরানে নৌ অবরোধের হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রকে যে বার্তা দিলো চীন ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত শেরপুরের শিক্ষার্থীদের সিলিং ফ্যান বিতরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা ৩৬ আসনের বিএনপির ফরম কিনেছেন ১৩০০ জন নারী সাংবাদিককে হেনস্তা কারী ইমারত পরিদর্শক অপি রুবেল গ্রেফতার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লুটপাটের সঙ্গী হয়ে টানেল বানিয়ে লাভ নেই: সারজিস সাউন্ড কেলেঙ্কারি ও কোটি টাকার সম্পদ গণপূর্তের আনোয়ারের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আওয়ামী দোসর শফিউল্লাহ আল মুনিরের বিরুদ্ধে অল্প বয়সে বিয়ে আমার জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে থাকছে বাংকার, টানেল সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৭ শরিফুল-রানার ছাড়পত্রের মেয়াদ একদিন বাড়াল বিসিবি না ফেরার দেশে চলে গেলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে হজযাত্রীদের সেবায় অনিয়ম করলে গুনতে হবে জরিমানা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল সরকার দুই কলেজ শিক্ষকের নামে পাঠানো হলো কাফনের কাপড় আমরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম যেসব বিষয়ের গুরুত্বে দেওয়া হবে বিএনপির মনোনয়ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন প্রথম পর্যায়ে কারা পাবেন কৃষক কার্ড, মিলবে কী কী সুবিধা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে ঘোষণা ইসির শপথ নিলেন নতুন ২ এমপি বেড়াতে গিয়ে জিতলেন ১২ কোটি টাকার লটারি

স্বামীর গলাকাটা দেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটালেন স্ত্রী

স্বামীর গলাকাটা দেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটালেন স্ত্রী
পাঠক সংখ্যা
638

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের উত্তর প্রদেশের আমরোহা জেলায় চাঞ্চল্যকর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এখানে এক নারী তার স্বামীকে হত্যা করে তার মৃতদেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে পুরো রাত কাটানোর অভিযোগে পুলিশ তাকে এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত মেহরাজ পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন এবং তিনি পিপলাউটি কালা গ্রামের বাসিন্দা। মেহরাজের স্ত্রী রুহি তার বোনের শ্বশুরবাড়ির সদস্য ফারমানের সঙ্গে পরকীয়া শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে মেহরাজ এতে আপত্তি জানালে রুহি তার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশ জানায়, রুহি প্রথমে মেহরাজের খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন। এরপর রাতে তার প্রেমিক ফারমান ও তার বন্ধু আদনানকে বাড়িতে ডাকেন। তিনজন মিলে মেহরাজকে বেঁধে ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর রুহি সেই একই ঘরে স্বামীর মৃতদেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটান।

পরদিন সকালে মেহরাজের বাবা বাড়িতে এসে ছেলের মরদেহ দেখতে পান। রুহি তখন ডাকাতির কথা বললেও তার আচরণে সন্দেহ থাকায় পুলিশকে খবর দেন নিহতের বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে রুহি ও তার সহযোগীদের পুরো হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা স্বীকার করে।

পুলিশ রুহি, ফারমান ও আদনানকে গ্রেফতার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরি ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে।

ঘটনাটি পারিবারিক সম্পর্কের অবক্ষয় ও পরকীয়াজনিত সহিংসতার ভয়াবহ পরিণতির দিকে সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এমন নির্মমভাবে প্রকট হলে তা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দীর্ঘ পরিকল্পনায় শিবিরের জয়

দীর্ঘ পরিকল্পনায় শিবিরের জয়

ডেস্ক রিপোর্টঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অধিকাংশ পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা জকসুর ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১৬টি পদে জয় পেয়েছেন। এরই মধ্যে এই ফল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী কালবেলাকে বলেন, জকসু নির্বাচনে শিবিরের জয়ের ক্ষেত্রে সংগঠনটির নিজস্ব ভোটব্যাংক, সাংগঠনিক পরিচিতি, দক্ষতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে রাজনীতি শুরু করার পর স্বাস্থ্যসেবা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ ভোটারদের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা বাড়িয়েছে। মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাদের সম্পর্কে ইতিবাচক ভাবমূর্তিই ছিল জয়ের প্রধান নিয়ামক। বিশেষ করে ঐক্যবদ্ধ সাংগঠনিক শক্তি তাদের জয়ের অন্যতম কারণ। ৫ আগস্ট-পরবর্তী ভূমিকা: ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানের পরই ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মন জয়ে তৎপর

আরও পড়ুন
language Change