তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কেশবপুরের শাহরিয়ার হলেন জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি কলাবাড়ী স্কুল আগুনে পুড়ে ছাই পুরুষ নির্যাতনের নেপথ্যে পারিবারিক অশান্তি: বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা রাজউক জোন-৭/১ এর মোঃ রাফিউল আলমের তথ্য প্রাপ্তিতে জটিলতা সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ মাদক সিরাপ জব্দ দু-এক সেকেন্ড আগে জানতে পারি আমি খেলব: শরিফুল নওগাঁয় এসি মেকানিক মনোয়ার হোসেন ভুট্ট ওরফে এসি ভুট্টুর সম্পদের পাহাড় পরীমণির নতুন ভিডিও ভাইরাল তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে নৈশকালীন ডাকঘর বৃষ্টির নেই দেখা, কেমন থাকবে আবহাওয়া তুরাগে অটোরিক্সা চালক হত্যার মূল আসামীসহ গ্রেফতার ২ ডিএনসিসির টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানীর অভিযোগ নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে বিএনপির কার্যালয়ে আ.লীগের হামলা-ভাঙচুর, আহত ২০ দেশে সেনা, যুদ্ধবিমান মোতায়েনে সম্মত ভারত-রাশিয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৬৭ পিরোজপুরে ডিবির ওসি আরিফ সহ দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা তেলের দাম বাড়লো, কমলো না ভিড় পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষা জনগণের আস্থাই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন: ড. আসিফ মিজান সোমবার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছরে ‘ইতিহাস বিকৃতি, সংশোধনের প্রতিশ্রুতি প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের তেরখাদায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংবাদ সম্মেলন দীঘিনালায় ট্রাভেল ব্যাগে মিলল আড়াই কেজি গাঁজা সুন্দরবনে দস্যু আতংকে মধু সংগ্রহে ধস লোকসানে বাওয়ালি ও মহাজনেরা জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ মাসুদ খাগড়াছড়িতে বিএনপি'র রাজনীতিতে অদম্য এক নারী কুহেলী দেওয়ান নিরাপত্তাকে অজুহাত বানিয়ে অন্যের ভূমি দখল প্রতিশোধ নিতেই আসাদুলকে হত্যা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী লিটন পেলেন  মিনিগাড়ি উপহার শ্মশানের পাশে মিলল নবজাতক এনসিপির ‘জাতীয় নারী শক্তি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার কোনো অবস্থাতেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরেনিয়াম দেওয়া হবে না আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার ইসরায়েলকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড অস্ত্রসহ ডাকাত আটক দেব-শুভশ্রীর ছবির ভিলেন নিষিদ্ধ অনির্বাণ কেশবপুরে হাম- রুবেলা টিকা প্রদান প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল কিশোরের  আগামী বছর থেকে হজের খরচ কমানোর চেষ্টা করবে সরকার সরকারের ২ মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি জ্বালানি সংকটে খুলনার ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬টিই বন্ধ সিরাজগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে চলছে মেধা ও যোগ্যতার যাচাই

বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন

বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন
পাঠক সংখ্যা
638


সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক॥
ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের ৩৬টি পাবে ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রার্থিতা নিশ্চিতে তৎপরতা শুরু করেছেন বিএনপির অন্তত ১২শ নারী নেত্রী। দলটির নেতারা বলছেন, শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা বাছাইয়ে ত্যাগী ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে বহু নারী নির্যাতিত হয়েছেন। বিএনপির অনেক নেত্রী শুধু ফেসবুকে একটা মতামত দেওয়ার কারণে মাসের পর মাস কারাগারে ছিলেন। রাতের বেলায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলের কাছে এগুলো বড় ধরনের বিবেচনার বিষয়। আবার প্রার্থীর আইন প্রণয়নের বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে। সাংগঠনিক দক্ষতাও থাকতে হবে।’

জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য খুব শিগগিরই মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করবে বিএনপি। তবে এর আগেই দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। আগ্রহীদের কেউ তদবির করছেন ঢাকায়, আবার কেউ মাঠ পর্যায়ে নিজের অবস্থান সংহত করতে এলাকায় জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, সংসদের সাধারণ আসনে যে দল যত আসনে জয়ী হয়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০ আসন তাদের মধ্যে বণ্টন করা হয়। এবার বিএনপি এককভাবে ২১৩টি আসনে জয় পাওয়ায় ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাত আসনে জয়ী হওয়ায় তারাও একটি সংরক্ষিত আসন পাবেন। বাকি ১৩টি পাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।

বিএনপি নেতারা জানান, গত নির্বাচনে অন্তত ৫০টি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন নারী নেত্রীরা। তখন মনোনয়নবঞ্চিতদের অনেকে এখন সংরক্ষিত নারী আসনের দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

আলোচনায় যাদের নাম:
সংরক্ষিত আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই বেশকিছু নাম আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে ডা. জুবাইদা রহমানের নামও রয়েছে। যদিও তার সরাসরি রাজনীতিতে নামার গুঞ্জন নতুন নয়, তবে এ বিষয়ে দলের নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সেলিমা রহমান, আফরোজা আব্বাস, হাসিনা আহমেদ, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, রুমানা মাহমুদ, সাবিনা ইয়াসমিন ছবি ও শিরিন সুলতানার মতো নেত্রীরা। কেন্দ্রীয় নেত্রী ও সাবেক এমপিদের মধ্যে শাম্মী আক্তার, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, নিলোফার চৌধুরী মনি ও রেহেনা আক্তার রানুর নামও আলোচনায় রয়েছে।

৩৬ নারী আসনে বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন:

সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভিন, কনক চাঁপা ও নাজমুন নাহার ন্যান্‌সি। আইন অঙ্গন থেকে অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম ও ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানার নাম সামনে আসছে। এছাড়া বিএনপির শীর্ষ নেতাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অপর্ণা রায় চৌধুরী, নিপুণ রায় চৌধুরী, মাহারীন খান, ব্যারিস্টার সালিমা বেগম অরুণি ও ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি মনোনয়ন পেতে পারেন।

তৃণমূল ও ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেত্রীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন সেলিনা সুলতানা নিশিতা, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন, আসমা আজিজ, ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, নাসিমা আক্তার কল্পনা, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সানজিদা ইয়াসমিন তুলি প্রমুখ। শিক্ষাঙ্গন থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাজমেরী ইসলাম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. নাহারিন খান। এছাড়া গত নির্বাচনে পরাজিত নারী প্রার্থীদের মধ্য থেকেও কয়েকজন মনোনয়ন পেতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তাদের মধ্যে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সাবিরা নাজমুল, নাদিরা চৌধুরী প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।

পাঁচ যোগ্যতায় মিলবে মনোনয়ন:
সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে চারটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। প্রথমত, ১৫ বছরের ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জেল-জুলুমের শিকার নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, যারা টকশোসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সাবলীলভাবে দলীয় অবস্থান তুলে ধরতে পারেন, তাদেরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তৃতীয়ত, দল ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আনুগত্য, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং এলাকায় জনপ্রিয়তার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে। চতুর্থত, প্রার্থীকে অবশ্যই শিক্ষিত ও যোগ্য হতে হবে। পঞ্চমত, প্রার্থীকে অবশ্যই সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি আইন সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

থাকতে পারে চমক:
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের একাধিক নেতা এশিয়া পোস্টকে জানিয়েছেন, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের চমক থাকতে পারে। অনেক ত্যাগী কিন্তু কম পরিচিত নেত্রী মনোনয়ন পেতে পারেন। আবার কিছু প্রভাবশালী সিনিয়র নেত্রীর বাদ পড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘দলে অসংখ্য যোগ্য নারী নেত্রী রয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের অবদান বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান। তবে এবার তরুণদের মূল্যায়ন বাড়তে পারে।’

সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজপথের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও ত্যাগী নেত্রীরা অগ্রাধিকার পাবেন। যারা রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং সংসদে ভূমিকা রাখতে পারবেন এমন নেত্রীদেরই সংসদ নেতা খুঁজে বের করবেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনে আগ্রহী ১ হাজার ২০০ জনের জীবনবৃত্তান্ত এরই মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা পড়েছে। চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণার আগে নিজ নিজ প্রার্থিতা নিশ্চিতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র ঘোষণা কিমের

একটি আইন পাস করে উত্তর কোরিয়া নিজেকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কেসিএনএ’র বরাত দিয়ে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির নেতা কিম জং-উন এই সিদ্ধান্তকে ‘অপরিবর্তনযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনো আলোচনার সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনে নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক হামলার অধিকারকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে দেশটি। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, পিয়ংইয়ং ২০০৬ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ছয়টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নীতিমালা লঙ্ঘন করে তাদের সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে উত্তর কোরিয়া। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকির মধ্য রাখতেই এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দুই দফায়

আরও পড়ুন
language Change