তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সীমান্ত হবে নিরাপদ, অপরাধ হবে শূন্য-বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিজানে ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ সংসদে সংস্কার না হলে রাজপথে কঠোর লড়াই একাধিক মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড বাইক বিক্রি করে সেতু করে দিলেন দিনমজুর ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সেই ডা. সেহাব এখনো বেপরোয়া বয়স কমাতে চান এর চিকিৎসা কতটা কার্যকর জেনে নিন বাথরুম থেকে যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার সত্যকে কখনও আড়াল করে রাখা যায় না হাম পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যার হুমকি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসএসপি নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে লড়ছেন মিম আক্তার সৌদি পৌঁছালেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সংযোগকারী সেতুর উদ্বোধন রাজারহাট-আনন্দবাজার সড়কের বেহাল দশা জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের টাকায় এমপিদের বিলাসিতা অনৈতিক মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল তেলের দাম বাড়ানোর পরেও কমেনি পাম্পে গাড়ির লাইন রেল ও লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি দূরপাল্লা ও আন্তজেলায় ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত মাটি চাপায় ২ জন নিহত মেডিকেলে ভাংচুর সরকারের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় সেনাবাহিনী নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ১ বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে চান ট্রাম্প একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ আমার দেশ প্রতিনিধির উপর বিএনপি নেতার হামলা মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আ.লীগ নেতা গ্রেফতার বরগুনায় দৈনিক পুনরুত্থান পএিকার ১৩ তম বছরপূর্তি উদযাপন গুপ্ত’ রাজনীতির প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ দুই মাসে কত ধরনের কার্ডের সঙ্গে পরিচিত হলো মানুষ বিলিং সিস্টেম আধুনিকায়ন: নোয়াখালীতে ৪ দিন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ব আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো সংরক্ষিত আসনে বিএনপির সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বিদ্যুৎ সংকটে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় ৪ দিন বন্ধ চট্টগ্রামে মাটি চাপায় প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের জ্বালানি সংকটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর সমাধানে সংবাদ সম্মেলন দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ সিরাজগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ আজ বিশ্ব পৃথিবী দিবসে শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট, আটক শিক্ষার্থী বাজারে কমল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার সেচ পাম্পের ৩ ট্রান্সফরমার চুরি

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

একই শহরের ভেতরেও ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রা। যেখানে গাছপালা ও জলাশয় রয়েছে, সেখানে তাপমাত্রা কিছুটা কম; আর যেখানে এসব নেই, সেখানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি। তাপমাত্রার এই তারতম্য অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে বসবাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা শহর বিলুপ্ত শহরের তালিকায় নাম লেখাতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিকল্পনার অভাব, জলাশয় দখল এবং গাছপালা নিধনই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ, ভবনের

একদিকে সবুজের সমারোহ ও পাখির কলরবে মুখরিত বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা, অন্যদিকে আকাশচুম্বী ভবনে ঘেরা মিরপুর ২। এই দুই এলাকার দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার হলেও তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৩ ডিগ্রি। যেসব এলাকায় গাছপালা ও জলাশয় আছে, সেসব এলাকার তুলনায় যেখানে নেই সেখানে তাপমাত্রা বেশি। ক্যাপসের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৭ বছরে গড়ে দক্ষিণ সিটিতে ৪ ডিগ্রি এবং উত্তর সিটিতে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে গাছপালা ও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা শিল্পায়ন ও নগরায়নকে।

ঢাকার এক প্রান্তে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা যায় বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায়। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মতিঝিল ও তেজগাঁও এলাকায়। এ দুই এলাকার পার্থক্য ৫ ডিগ্রিরও বেশি। গাছপালা ও জলাশয়-লেক থাকায় উত্তরার পঞ্চবটি, চিড়িয়াখানা, রমনা ও সংসদ ভবন এলাকার তুলনায় মিরপুর ২, ১০, কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও ও মতিঝিল এলাকায় তাপমাত্রা অনেক বেশি। শিল্পকারখানা, এসির ব্যবহার, বহুতল ভবন, মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো স্থাপনার কারণে এসব এলাকায় তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি জনজীবনকে দিন দিন দুর্বিষহ করে তুলছে; দেখা দিচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। এতে কর্মক্ষমতা কমছে খেটে খাওয়া মানুষ ও কর্মজীবীদের, বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। সাধারণ মানুষ বলছেন, গরমে কাজ করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের মতে, ঢাকায় বিল্ডিংয়ের সংখ্যা কমানো, নদীগুলো রক্ষা করা এবং গাছ কেটে ফেলা বন্ধ করা জরুরি। গাছ লাগানোর উদ্যোগও পর্যাপ্ত নয় বলে তারা অভিযোগ করেন।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছ ও জলাশয় রক্ষায় রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না নিলে নিকট ভবিষ্যতেই বাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা বিলুপ্ত শহরে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। নগর পরিকল্পনাবিদ আদিলুর রহমান খান বলেন, একটি শহরে ২৫ শতাংশ সবুজ এলাকা এবং ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জলাশয় থাকা দরকার। এতে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় এবং আরবান হিট আইল্যান্ডের প্রভাব কমে। কিন্তু ঢাকায় প্রতিনিয়ত সবুজ ধ্বংস করা হয়েছে। এখন আর সহজে সেই ভুল শুধরানোর সুযোগ নেই। তবে যতটুকু সবুজ ও জলাশয় আছে, তা রক্ষা করতে হবে।

ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য, সবুজ কমে যাওয়া-এসব মরুকরণের লক্ষণ। জলাশয় ও সবুজ কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বাড়ছে। আমরা বিষয়টি সমন্বিতভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি না। একটি হোলিস্টিক হিট ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি গ্রহণ করা হলে কিছুটা হলেও এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ লাগানোসহ একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসডোর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, প্রতিটি ভবনের ছাদ যদি বাগানে পরিণত করা যায়, তাহলে একটি গ্রিন আমব্রেলা তৈরি হবে। শুধু গাছ নয়, জলাভূমিও দরকার। মাটি ও পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ না করলে ওপরের তাপ কমিয়েও লাভ হবে না। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারলে পানির প্রবাহ ঠিক থাকবে, মাটিও ঠান্ডা থাকবে। পাশাপাশি ভবনের রঙ পরিবর্তন করেও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে ঢাকার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা। কারণ সব মিলিয়ে, শহরের ভেতরে তাপমাত্রার এই ভিন্নতা আপাতত কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখলেও, এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়ে গেলে ঢাকা এক অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী-নালা, খাল-বিল ও বিদ্যমান সবুজ সংরক্ষণের পাশাপাশি যেখানে এসব নেই সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তা না হলে বসবাসের অযোগ্য শহরে পরিণত হয়ে যেতে পারে রাজধানী ঢাকা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নতুন উপদেষ্টা সেখ বশিরের বিরুদ্ধে বঙ্গভবনের সামনে মশাল মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার: অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেয়া দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আকিজ-বশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বঙ্গভবনের সামনে মশাল মিছিল হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে সেখ বশির উদ্দিনসহ আরও দুই নতুন উপদেষ্টাকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর বঙ্গভবনের সামনে মশাল মিছিল করেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এসময় ‘আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মানি না, মানব না’ ইত্যাদি বলে স্লোগান দেন তারা। মশাল মিছিলে অংশ নেওয়া গণপরিষদের এক কর্মী বলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আফিল উদ্দিনের ভাইকে উপদেষ্টা পরিষদে কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না। কীসের ভিত্তিতে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আসা অন্তর্বর্তী সরকারে বশির উদ্দিনের ঠাঁই হলো, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। শ্রমিক অধিকার পরিষদ মহানগর উত্তরের সভাপতি মাহমুদুল হক শিপন বলেন, দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আওয়ামীপন্থি। আওয়ামী

আরও পড়ুন
language Change