তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফার যোগদান নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নির্বাচন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন স্থগিত মারা যাওয়া প্রত্যেক শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা : শিশির মনির যৌতুকের টাকা না পেয়ে নির্যাতন, গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু কেশবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও লিফলেট বিতরণ বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান বাংলাদেশকে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা : প্রধানমন্ত্রী চলছে বিসিবি নির্বাচন, ভোট দিলেন তামিম সরকারের সিদ্ধান্তে নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বস্তি শ্রীবরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযান: জব্দ ২টি ড্রেজার মেশিন মোংলায় মাদক দুর্নীতিবিরোধী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার আওয়ামীলীগ নেতা ও একাধিক মামলার আসামি কতৃক মৎস্য ঘেরের মাছ লুট, বিষ প্রয়োগের অভিযোগ মৎস্যজীবীদের বঞ্চিত করে বিল ভাতিয়া দখলের অভিযোগ, অবৈধ বাঁধের কারনে শঙ্কায় হাজারো কৃষক জুন মাসের শেষে সুন্দরবনে ফিরিয়ে দিচ্ছে ফাঁদে আটকা পড়া বাঘ শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি-ফারজানা রূপাসহ ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির ২০ মিনিট বাড়ছে মেট্রোরেলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদসহ ২১ জন গ্রেফতার সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২ হাতের ছোঁয়ায় গড়ি ঐতিহ্য, শিল্পীর মর্যাদায় গড়ি সমৃদ্ধি মৃৎশিল্পী কারিগর সম্মাননা-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু'র ক্যাশিয়ার কসাই লিটনসহ গ্রেফতার  পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা, ফ্ল্যাট দখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ময়লা-আবর্জনার স্তূপে অতিষ্ঠ চাটখিল, প্রশাসনকে দুষছেন জনগণ মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ শ্রীবরদীতে র‌্যালি, পরিষ্কার অভিযান ও লার্ভিসাইড স্প্রে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ সাদাপাথর ভ্রমণে প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির বিষয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অভিযানে পিলার প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের গজনী পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শন বরগুনায় স্বপ্নযাত্রী একতা ফাউন্ডেশনের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন আর্তেরআশার সম্পদ আত্মসাৎ ও বসতভিটা দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ৪০ পরিবার চাঁনশিকারী বিজিবির অভিযান চোরাকারবারি আটক, ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ ইউরোপের মাটিতে প্রথম জয়ের পর উচ্ছ্বাস ও বাস্তবতা জানালেন বাংলাদেশ কোচ বাগেরহাটের ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের আত্মহত্যা পুলিশে মেধাবীদের বঞ্চনা : দক্ষ নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে প্রশাসন তারেক রহমান মন্দিদের পুরোহিতদের জন্য বেতন ভাতার ব্যাবস্থা করেছেন-নাটোরে হুইপ কেশবপুরে গবাদি প্রাণির সুরক্ষায় খামারিদের প্রশিক্ষণ কেশবপুরে অভিযানে নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার ঢাকা নবাবগঞ্জে এক সপ্তাহ নিখোঁজের পর মৃতদেহ উদ্ধার মোংলায় ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ দীর্ঘ ৮ বছরের সংগ্রাম পেরিয়ে অবশেষে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্নাতক হলেন শেরপুরের কৃতি সন্তান ও সমাজকর্মী আজহ... ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট মহাখালীতে বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

একই শহরের ভেতরেও ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রা। যেখানে গাছপালা ও জলাশয় রয়েছে, সেখানে তাপমাত্রা কিছুটা কম; আর যেখানে এসব নেই, সেখানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি। তাপমাত্রার এই তারতম্য অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে বসবাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা শহর বিলুপ্ত শহরের তালিকায় নাম লেখাতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিকল্পনার অভাব, জলাশয় দখল এবং গাছপালা নিধনই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ, ভবনের

একদিকে সবুজের সমারোহ ও পাখির কলরবে মুখরিত বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা, অন্যদিকে আকাশচুম্বী ভবনে ঘেরা মিরপুর ২। এই দুই এলাকার দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার হলেও তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৩ ডিগ্রি। যেসব এলাকায় গাছপালা ও জলাশয় আছে, সেসব এলাকার তুলনায় যেখানে নেই সেখানে তাপমাত্রা বেশি। ক্যাপসের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৭ বছরে গড়ে দক্ষিণ সিটিতে ৪ ডিগ্রি এবং উত্তর সিটিতে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে গাছপালা ও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা শিল্পায়ন ও নগরায়নকে।

ঢাকার এক প্রান্তে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা যায় বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায়। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মতিঝিল ও তেজগাঁও এলাকায়। এ দুই এলাকার পার্থক্য ৫ ডিগ্রিরও বেশি। গাছপালা ও জলাশয়-লেক থাকায় উত্তরার পঞ্চবটি, চিড়িয়াখানা, রমনা ও সংসদ ভবন এলাকার তুলনায় মিরপুর ২, ১০, কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও ও মতিঝিল এলাকায় তাপমাত্রা অনেক বেশি। শিল্পকারখানা, এসির ব্যবহার, বহুতল ভবন, মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো স্থাপনার কারণে এসব এলাকায় তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি জনজীবনকে দিন দিন দুর্বিষহ করে তুলছে; দেখা দিচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। এতে কর্মক্ষমতা কমছে খেটে খাওয়া মানুষ ও কর্মজীবীদের, বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। সাধারণ মানুষ বলছেন, গরমে কাজ করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের মতে, ঢাকায় বিল্ডিংয়ের সংখ্যা কমানো, নদীগুলো রক্ষা করা এবং গাছ কেটে ফেলা বন্ধ করা জরুরি। গাছ লাগানোর উদ্যোগও পর্যাপ্ত নয় বলে তারা অভিযোগ করেন।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছ ও জলাশয় রক্ষায় রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না নিলে নিকট ভবিষ্যতেই বাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা বিলুপ্ত শহরে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। নগর পরিকল্পনাবিদ আদিলুর রহমান খান বলেন, একটি শহরে ২৫ শতাংশ সবুজ এলাকা এবং ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জলাশয় থাকা দরকার। এতে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় এবং আরবান হিট আইল্যান্ডের প্রভাব কমে। কিন্তু ঢাকায় প্রতিনিয়ত সবুজ ধ্বংস করা হয়েছে। এখন আর সহজে সেই ভুল শুধরানোর সুযোগ নেই। তবে যতটুকু সবুজ ও জলাশয় আছে, তা রক্ষা করতে হবে।

ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য, সবুজ কমে যাওয়া-এসব মরুকরণের লক্ষণ। জলাশয় ও সবুজ কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বাড়ছে। আমরা বিষয়টি সমন্বিতভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি না। একটি হোলিস্টিক হিট ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি গ্রহণ করা হলে কিছুটা হলেও এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ লাগানোসহ একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসডোর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, প্রতিটি ভবনের ছাদ যদি বাগানে পরিণত করা যায়, তাহলে একটি গ্রিন আমব্রেলা তৈরি হবে। শুধু গাছ নয়, জলাভূমিও দরকার। মাটি ও পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ না করলে ওপরের তাপ কমিয়েও লাভ হবে না। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারলে পানির প্রবাহ ঠিক থাকবে, মাটিও ঠান্ডা থাকবে। পাশাপাশি ভবনের রঙ পরিবর্তন করেও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে ঢাকার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা। কারণ সব মিলিয়ে, শহরের ভেতরে তাপমাত্রার এই ভিন্নতা আপাতত কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখলেও, এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়ে গেলে ঢাকা এক অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী-নালা, খাল-বিল ও বিদ্যমান সবুজ সংরক্ষণের পাশাপাশি যেখানে এসব নেই সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তা না হলে বসবাসের অযোগ্য শহরে পরিণত হয়ে যেতে পারে রাজধানী ঢাকা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ১২টা ২৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের পাশের দেশ মিয়ানমারের মান্দালয়। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ৫৯৭ কিলোমিটার। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর–উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর আগে গত ৫ মার্চ ভারতের মণিপুরে মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় প্রবল ভূমিকম্প হয়। এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে ঢাকা, সিলেটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার হিসাবে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।

আরও পড়ুন
language Change