তারিখ লোড হচ্ছে...

সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দেয়ার প্রতিবাদে সাধারণ সাংবাদিকদের মানববন্ধন গাজী নজরুল ইসলামকে শ্যামনগরে অবাঞ্চিত ঘোষণা, নোয়াখালীতে দুই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ আসামিকে আটক কালীগঞ্জে সাবেক ইউপি সদস্যের জমি দখলের অভিযোগ রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল ছুটির পর ৭ বছরের শিশু অপহরণ অভিযোগের পাহাড়ে চাপা রাজউক জোন ৬/১: সুমন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্ফোরণ, তদন্তে গড়িমসি কেন? সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান এসআই করুন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অবৈধ বালু উত্তোলন, ঘুষ নিয়ে আটকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশের সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান দরপত্রে আগ্রহ ব্রিটিশ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সাত লাখ কৃষকের ৬০৫ কোটি টাকা ঋণ মওকুফ  রাঙ্গুনিয়ায় ২টি দেশীয় বন্দুক ও কার্তুজসহ তিনজনকে আটক সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধে সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান সাতক্ষীরায় ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দুধ ভান্ডার কে এক লাখ টাকা জরিমানা ঢাকা প্রতিদিনের, সাংবাদিক শফিকরে গ্রেফতার, তীব্র নিন্দা ও মুক্তির দাবি গলাচিপায় যৌথ অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ কালো টাকা’র কাজী ইমদাদ হচ্ছেন দুদক চেয়ারম্যান ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বিআইডব্লিঊটিএর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার: ফেসবুক পোস্টে সত্যতা জানালেন সাতক্ষীরা-৪ এর এমপি মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা চাটখিলে সাংবাদিককে হুমকি, নাম-ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার; থানায় অভিযোগ নলডাঙ্গায় মহাসড়কে ভুট্টা শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট  ২ জনকে জরিমানা পাসপোর্টধারীর বদলে অন্য নারীকে ইতালি পাচার, ৫৬টি পাসপোর্টসহ ৭ সদস্য আটক দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন, বিচার ব্যবস্থার ওপর বড় চাপ: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আসছে নতুন রিয়েলিটি শো প্রতিভার সন্ধানে বিমানে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে রসিকতা নরকযন্ত্রণায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নীরব পৌর কর্তৃপক্ষ মাদক, জুয়া, চোরাচালান ও অবৈধ বালু-পাথর লুট বন্ধ করতে হবে: এমপি রুবেল আবারও তীব্র গ্যাস সংকটে আশঙ্কা মাগুরায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু  মাদরাসায় ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম, লাইসেন্স বাতিল ৪৯ এজেন্সির মোংলায় ওয়াইল্ডটিম ফ্রেন্ডশিপ কতৃক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল: এআই বলার পর তরুণীকে স্ত্রী দাবি দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ আহত, গ্রেফতার ৭০ চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় আঘাতের দাবি ইরানের বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন: নেছারাবাদ মডেল সরকারি স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন: এমপি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা ভারী যানবাহন চলাচল করার সড়কের বেহাল দশা: ঢালিরঘাট গ্রেফতার মোজাফফরের বিচার হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ড্রেজারের থাবা থেকে গ্রাম রক্ষায় যাদুকাটা নদীতে বাঁশের বেড়া রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তের প্রতিশ্রুতি জিয়া হত্যা: গ্রেফতার মোজাফফরের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালীগঞ্জে লাইসেন্স জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগে ৩ লাখ টাকা জরিমানা মঙ্গলবার যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

একই শহরের ভেতরেও ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রা। যেখানে গাছপালা ও জলাশয় রয়েছে, সেখানে তাপমাত্রা কিছুটা কম; আর যেখানে এসব নেই, সেখানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি। তাপমাত্রার এই তারতম্য অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে বসবাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা শহর বিলুপ্ত শহরের তালিকায় নাম লেখাতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিকল্পনার অভাব, জলাশয় দখল এবং গাছপালা নিধনই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ, ভবনের

একদিকে সবুজের সমারোহ ও পাখির কলরবে মুখরিত বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা, অন্যদিকে আকাশচুম্বী ভবনে ঘেরা মিরপুর ২। এই দুই এলাকার দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার হলেও তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৩ ডিগ্রি। যেসব এলাকায় গাছপালা ও জলাশয় আছে, সেসব এলাকার তুলনায় যেখানে নেই সেখানে তাপমাত্রা বেশি। ক্যাপসের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৭ বছরে গড়ে দক্ষিণ সিটিতে ৪ ডিগ্রি এবং উত্তর সিটিতে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে গাছপালা ও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা শিল্পায়ন ও নগরায়নকে।

ঢাকার এক প্রান্তে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা যায় বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায়। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মতিঝিল ও তেজগাঁও এলাকায়। এ দুই এলাকার পার্থক্য ৫ ডিগ্রিরও বেশি। গাছপালা ও জলাশয়-লেক থাকায় উত্তরার পঞ্চবটি, চিড়িয়াখানা, রমনা ও সংসদ ভবন এলাকার তুলনায় মিরপুর ২, ১০, কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও ও মতিঝিল এলাকায় তাপমাত্রা অনেক বেশি। শিল্পকারখানা, এসির ব্যবহার, বহুতল ভবন, মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো স্থাপনার কারণে এসব এলাকায় তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি জনজীবনকে দিন দিন দুর্বিষহ করে তুলছে; দেখা দিচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। এতে কর্মক্ষমতা কমছে খেটে খাওয়া মানুষ ও কর্মজীবীদের, বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। সাধারণ মানুষ বলছেন, গরমে কাজ করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের মতে, ঢাকায় বিল্ডিংয়ের সংখ্যা কমানো, নদীগুলো রক্ষা করা এবং গাছ কেটে ফেলা বন্ধ করা জরুরি। গাছ লাগানোর উদ্যোগও পর্যাপ্ত নয় বলে তারা অভিযোগ করেন।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছ ও জলাশয় রক্ষায় রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না নিলে নিকট ভবিষ্যতেই বাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা বিলুপ্ত শহরে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। নগর পরিকল্পনাবিদ আদিলুর রহমান খান বলেন, একটি শহরে ২৫ শতাংশ সবুজ এলাকা এবং ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জলাশয় থাকা দরকার। এতে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় এবং আরবান হিট আইল্যান্ডের প্রভাব কমে। কিন্তু ঢাকায় প্রতিনিয়ত সবুজ ধ্বংস করা হয়েছে। এখন আর সহজে সেই ভুল শুধরানোর সুযোগ নেই। তবে যতটুকু সবুজ ও জলাশয় আছে, তা রক্ষা করতে হবে।

ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য, সবুজ কমে যাওয়া-এসব মরুকরণের লক্ষণ। জলাশয় ও সবুজ কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বাড়ছে। আমরা বিষয়টি সমন্বিতভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি না। একটি হোলিস্টিক হিট ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি গ্রহণ করা হলে কিছুটা হলেও এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ লাগানোসহ একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসডোর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, প্রতিটি ভবনের ছাদ যদি বাগানে পরিণত করা যায়, তাহলে একটি গ্রিন আমব্রেলা তৈরি হবে। শুধু গাছ নয়, জলাভূমিও দরকার। মাটি ও পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ না করলে ওপরের তাপ কমিয়েও লাভ হবে না। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারলে পানির প্রবাহ ঠিক থাকবে, মাটিও ঠান্ডা থাকবে। পাশাপাশি ভবনের রঙ পরিবর্তন করেও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে ঢাকার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা। কারণ সব মিলিয়ে, শহরের ভেতরে তাপমাত্রার এই ভিন্নতা আপাতত কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখলেও, এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়ে গেলে ঢাকা এক অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী-নালা, খাল-বিল ও বিদ্যমান সবুজ সংরক্ষণের পাশাপাশি যেখানে এসব নেই সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তা না হলে বসবাসের অযোগ্য শহরে পরিণত হয়ে যেতে পারে রাজধানী ঢাকা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নেত্রকোনার বানভাসিদের মাঝে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

  বিশেষ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনায় বানভাসিদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ।নেত্রকোনা জেলার মদন থানাধীন নায়েকপুর ইউনিয়নের ১৮টি গ্রামের বন্যা কবলিত ৪০০টি পরিবারের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। উক্ত কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সমাজের নন্দিত সাংবাদিক নেতা ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম কচি, সাংবাদিক এম শিমুল খান, সাংবাদিক আমেনা ইসলাম খান, এনামুল হক কাজল, ইমাম হোসেন ইমন, শেখ এহছানুল হক খোকন প্রমুখ। ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে মদন প্রেসক্লাব ও কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এছাড়াও নায়েকপুর ইউনিয়নের চারটি ছাত্র সংগঠন তাদের অত্যন্ত মেধা

আরও পড়ুন
language Change