তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
রামগড় কলেজে মাদক ও জুয়ার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে লিফলেট বিতরন ঝিনাইগাতীতে চায়না দুয়ারি জালে নির্বিচারে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব সংকটে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হলো বৈজ্ঞানিক সেমিনার বিসিবি পরিচালক ও এজ গ্রুপ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ মিছিল আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন সড়ক হাতিমুড়া পুলিশ ক্যাম্প আকস্মিক পরিদর্শনে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার কেশবপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেফতার শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা করলো বাংলাদেশ আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনা অমার্জনীয় অপরাধ চবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আবার জোবাইক সেবা চালু লন্ডন বিএনপির এক আলোকিত অধ্যায়, শেখ মোঃ ইয়াওর শিক্ষা খাতে বাড়তে পারে ৪৩ হাজার কোটি টাকা বাজেটে দুদকের বরাদ্দ কমেছে রামিসাসহ অন্যান্য ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার বিরতিহীনভাবে চলবে শিবগঞ্জ বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে উচ্ছ্বাস: চাটখিলে যুবদলের র‍্যালিতে তারেক রহমানকে অভিনন্দন সুনামগঞ্জে এক যৌতুকলোভী স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিশ্বকাপ ২০২৬: তিন দেশে কখন কোথায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম জোরদারে কর্মশালা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ইরানের হামলা রামগড় পুলিশের অভিযানে মাদক সেবনকালে ৯ যুবক আটক বরগুনায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেফতার ‎মোংলায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার উদ্ধার ৪ মোটরসাইকেল মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ৯ নং কুড়িকাহনীয়া চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী আকরাম... বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠন করা হবে: মির্জা ফখরুল গাবতলী সেতুতে উড়ছে ৪৮ দেশের পতাকা বাজেট ২০২৬-২৭: কর ও ভ্যাট নিয়ে আসতে পারে বড় সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগে পাহাড়ের অসহায় মানুষের চোখে ফিরছে আলোর স্বপ্ন রামগড়ে ছয় কেজি গাঁজা সহ সিএনজি চালক আটক প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে শ্রীমঙ্গল ও রাজনগরে ব্যাপক প্রস্তুতি ডেঙ্গু রোগীর অনুপাতে চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পাটকেলঘাটা ক্লাব  বাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম বাগেরহাটে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার মানবিক ও সামাজিক কাজের পাশাপাশি ৭নং ওয়ার্ডের সেবক হতে চান: মিজানুর রহমান ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা স্বপ্লের গাফিলতি’তে ১৫ লাখ গ্রাহক এখন বিপদগ্রস্থ হাইতির ‘গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স’-এ অংশ নেবে বাংলাদেশ: সেনাপ্রধান সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ঝড়ের আশঙ্কা বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা ঢাকা-ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ পে-স্কেল, গ্রেড-পেনশন নিয়ে বড় চমক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে সেনাকুঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার আলো ছড়াতে দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগ

বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী

বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সমস্যা কী? রাজনৈতিক না অর্থনৈতিক। মোটাদাগে বলা যায়, রাজনৈতিক নয়। অর্থনৈতিক সংকটই বাংলাদেশকে কাবু করতে চলেছে। এই সংকট দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক অস্তিত্ব ঝুঁকিতে। ইরান যুদ্ধ অর্থনীতির ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বলা চলে তামাম দুনিয়াকে। দেশে দেশে সরকারগুলো সংকট মোকাবিলায় রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। দেশের পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতার কোনো ছাপ দেখা যাচ্ছে না। ব্যাংকিং সেক্টরকে নিয়েই এই সংকট প্রকট হচ্ছে।

ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যাংক ব্যবস্থাপনাকে একদম ভেঙে দেয়। টাকা লুটের নেশা পেয়ে বসেছিল সরকারকে। এক এস আলমের হাতেই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা অনেকটা ছেড়ে দিয়েছিল। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই টাকা লুট করেছে। শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংক থেকেই ৮০ হাজার কোটি টাকা এস আলম একাই নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ব্যাংক সেক্টরের কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারির মধ্যেই এই টাকা পাচার করা হয়। টপটেন নামের এক ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা সরানোর উদ্যোগ তদন্তে ধরা পড়েছে। সর্বশেষ এই অ্যাকাউন্টে ৫৭০ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়ার একটি প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তী জমানায় ব্যর্থ হয়েছে। বিষয়টি গড়িয়েছিল আদালতেও। শেষ পর্যন্ত এই টাকা জব্দ করা হয়। অনেকেই লুটের টাকার উপর ভাগ বসিয়েছেন। হঠাৎ বড়লোক হয়েছেন। যেমনটা হয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর একজন পিওনও। তিনি নিজেই বলেছিলেন, পিওন চারশো কোটি টাকার মালিক হয়েছে। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না।

বিদেশে অনেকে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এখন তারা মহা আনন্দেই আছেন। কখনও সিঙ্গাপুর, কখনও দুবাই কখনও দিল্লি আবার কখনও লন্ডন, আমেরিকা ও কানাডায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নতুন নতুন ব্যবসা খুলছেন। বাড়িঘর কিনছেন। কিন্তু এই টাকা ফেরত আনার দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। বরং নতুন করে পথ খোঁজা হচ্ছে। যাতে করে ওই ব্যক্তির ছায়া আবার ফিরে আসে। অন্তর্বর্তী প্রশাসন হাঁকডাক করে ১৮ মাস কাটিয়েছে। তদন্ত কমিটি হয়েছে। ফলাফল শূন্য। বলাবলি আছে, এই সুযোগে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের বেশ কিছু মানুষ মোটাতাজা হয়েছেন। বিদেশে সম্পদ গড়ার তালিকায় তাদের নাম উঠেছে।

যাইহোক, এরমধ্যেও ব্যাংক সেক্টরকে সঠিক পথে ফেরানোর জন্য লুট হয়ে যাওয়া পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছিল। এখন নতুন সরকার সে সিদ্ধান্ত উল্টে দেয়ার কথা ভাবছে। সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই খবর এসেছে। যদিও গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ব্যাংকিং খাত এমনিতেই স্পর্শকাতর। ইশারা-ইঙ্গিতে মুহূর্তেই অস্থির হয়ে পড়ে। পাঁচ ব্যাংক আলাদা হওয়ার খবরে ব্যাংকিং সেক্টরে প্রভাব পড়েছে। তিন কোটি গ্রাহকের ইসলামী ব্যাংকে ইতিমধ্যেই টাকা তোলার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। যা কিনা উদ্বেগজনক।

৫ই আগস্টের পরিবর্তনের পর প্রায় পাঁচ হাজার লোকের চাকরি চলে গিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক থেকে। এদেরকে আবার ফিরিয়ে আনার নানা তৎপরতা এখন স্পষ্ট। তারাই গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে মব তৈরি করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল। এই পাঁচ হাজার লোকের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল অঞ্চলভিত্তিক। সম্প্রতি আইএমএফ-এর বৈঠকে নানাভাবে প্রসঙ্গটি এসেছে। ব্যাংকিং খাত নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশি বন্ধুদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শনিবার এক কূটনৈতিক আড্ডায় এমনটাই জানা গেল। একজন পশ্চিমা কূটনীতিক সরাসরি বললেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে না আনলে বাংলাদেশে অস্থিরতা বাড়বে। নতুন সরকারের সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এটা মোকাবিলা করা সত্যিই কঠিন হবে। যা কল্পনারও বাইরে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থার আহ্বান-মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান

প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থার আহ্বান-মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান

মো: শাহ আলমঃ আমলীগোলা ছোট জামে মসজিদে জুমার খুতবায় খতিব মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান জাকাতের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাকাত কোনো অনুদান নয় এটি ফরজ ইবাদত। জাকাতদাতা হকদারের কাছে ঋণী-যতক্ষণ না তার প্রাপকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়, ততক্ষণ দায়মুক্তি নেই। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দেশে জাকাতদাতার সংখ্যা কম নয়, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রকৃত দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিবছর জাকাতের শাড়ি, বিতরণকে কেন্দ্র করে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরু স্থানে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিতরণ না করে তালিকা করে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। খতিব বলেন, লুঙ্গি, কাপড় বিতরণের বদলে কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ-যেমন রিকশা, সেলাই মেশিন, বা ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি-দেওয়া হলে পরিবারগুলো স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। তিনি

আরও পড়ুন
language Change