তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাবার গ্রেফতার ইস্যুতে পূজা চেরী: আমাকে জড়াবেন না রাজউক ইমারত পরিদর্শক মোঃ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ চার বিভাগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় শিক্ষার্থীরা এখন ভাইরাল হতে চায় সিবিএ নেতার বরখাস্ত প্রত্যাহারে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষকে আওয়ামিলীগ নেতা আজম নাসিরের বড় ভাইয়ের চাপ ঢাকায় লোডশেডিংয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কের পর বিয়ের গুঞ্জনে আনুশকা সোমবার যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আয়ান, খায়রুল ও মতিউর শাহবাগে মুখোমুখি শিক্ষক-পুলিশ হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু বাগেরহাটে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক সমিতি সভা ও কমিটি গঠন তপ্ত রোদে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের শাহবাগে অবস্থান বিসিকে শ্রমিক লীগের মুজিব সেনারা এখন জিয়া পরিষদের নেতা! ইমারত পরিদর্শক মোঃ শরীফ হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক ভবন থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ মেসেজে কবুল বললে বিয়ে হয়ে যাবে? ইসলাম কী বলে প্রেসিডেন্টের চেয়ে ভয়ংকর পেশা আর নেই বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ ও প্রস্তুতি সভা সিরাজগঞ্জে সনাতন সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিএনপির মতবিনিময় স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলার আসামি মেহেদী পুনঃপদায়ন: সরানো হলো সিভিল সার্জনকে স্মার্টফোনের দাম কমিয়ে ২৫০০ টাকা করতে চায় সরকার ঝিনাইগাতীতে কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের ১২ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার শেরপুরের কৃতি সন্তান ডাঃ মহিউদ্দিন কাজল এখন মেডিক্যাল অফিসার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক আজ থেকে গণপরিবহনে ভাড়া বাড়ল সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠক আজ তনু হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর নির্যাতন বন্ধে আইন নয়, সামাজিক সচেতনতাও জরুরি আ.লীগের মতো বিএনপিও প্রতিপক্ষ মনে করছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় বিএনপি হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু বটিয়াঘাটায় খেয়াঘাট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র ধান কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ দীঘিনালায় বাড়ছে নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল বাংলাদেশ-নেপা‌ল ব্যবসায়িক সংযোগের জোরদার নোয়াখালীর চাটখিলে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়ীতে শুরু হয়েছে মহানামযজ্ঞ ও লীলা কীর্তন সোবহানার ফিফটিতে দুইশ ছাড়ালো বাংলাদেশ নেট দুনিয়ায় সাড়া ফেলেছে সাবিনার ইয়াসমিনের নতুন গান জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় উঠে এলো ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল পানির জন্য হাহাকার মিরপুরে কলাবাগান এসটিএস আধুনিকায়ন ডিএসসিসির পাম্পে কমছে অপেক্ষা, ফুয়েল পাস ছাড়া তেল মিলছেও কম অভিমানে নিভে গেল দশম শ্রেণির ছাত্রের জীবন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী

বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সমস্যা কী? রাজনৈতিক না অর্থনৈতিক। মোটাদাগে বলা যায়, রাজনৈতিক নয়। অর্থনৈতিক সংকটই বাংলাদেশকে কাবু করতে চলেছে। এই সংকট দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক অস্তিত্ব ঝুঁকিতে। ইরান যুদ্ধ অর্থনীতির ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বলা চলে তামাম দুনিয়াকে। দেশে দেশে সরকারগুলো সংকট মোকাবিলায় রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। দেশের পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতার কোনো ছাপ দেখা যাচ্ছে না। ব্যাংকিং সেক্টরকে নিয়েই এই সংকট প্রকট হচ্ছে।

ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যাংক ব্যবস্থাপনাকে একদম ভেঙে দেয়। টাকা লুটের নেশা পেয়ে বসেছিল সরকারকে। এক এস আলমের হাতেই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা অনেকটা ছেড়ে দিয়েছিল। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই টাকা লুট করেছে। শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংক থেকেই ৮০ হাজার কোটি টাকা এস আলম একাই নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ব্যাংক সেক্টরের কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারির মধ্যেই এই টাকা পাচার করা হয়। টপটেন নামের এক ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা সরানোর উদ্যোগ তদন্তে ধরা পড়েছে। সর্বশেষ এই অ্যাকাউন্টে ৫৭০ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়ার একটি প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তী জমানায় ব্যর্থ হয়েছে। বিষয়টি গড়িয়েছিল আদালতেও। শেষ পর্যন্ত এই টাকা জব্দ করা হয়। অনেকেই লুটের টাকার উপর ভাগ বসিয়েছেন। হঠাৎ বড়লোক হয়েছেন। যেমনটা হয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর একজন পিওনও। তিনি নিজেই বলেছিলেন, পিওন চারশো কোটি টাকার মালিক হয়েছে। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না।

বিদেশে অনেকে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এখন তারা মহা আনন্দেই আছেন। কখনও সিঙ্গাপুর, কখনও দুবাই কখনও দিল্লি আবার কখনও লন্ডন, আমেরিকা ও কানাডায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নতুন নতুন ব্যবসা খুলছেন। বাড়িঘর কিনছেন। কিন্তু এই টাকা ফেরত আনার দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। বরং নতুন করে পথ খোঁজা হচ্ছে। যাতে করে ওই ব্যক্তির ছায়া আবার ফিরে আসে। অন্তর্বর্তী প্রশাসন হাঁকডাক করে ১৮ মাস কাটিয়েছে। তদন্ত কমিটি হয়েছে। ফলাফল শূন্য। বলাবলি আছে, এই সুযোগে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের বেশ কিছু মানুষ মোটাতাজা হয়েছেন। বিদেশে সম্পদ গড়ার তালিকায় তাদের নাম উঠেছে।

যাইহোক, এরমধ্যেও ব্যাংক সেক্টরকে সঠিক পথে ফেরানোর জন্য লুট হয়ে যাওয়া পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছিল। এখন নতুন সরকার সে সিদ্ধান্ত উল্টে দেয়ার কথা ভাবছে। সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই খবর এসেছে। যদিও গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ব্যাংকিং খাত এমনিতেই স্পর্শকাতর। ইশারা-ইঙ্গিতে মুহূর্তেই অস্থির হয়ে পড়ে। পাঁচ ব্যাংক আলাদা হওয়ার খবরে ব্যাংকিং সেক্টরে প্রভাব পড়েছে। তিন কোটি গ্রাহকের ইসলামী ব্যাংকে ইতিমধ্যেই টাকা তোলার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। যা কিনা উদ্বেগজনক।

৫ই আগস্টের পরিবর্তনের পর প্রায় পাঁচ হাজার লোকের চাকরি চলে গিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক থেকে। এদেরকে আবার ফিরিয়ে আনার নানা তৎপরতা এখন স্পষ্ট। তারাই গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে মব তৈরি করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল। এই পাঁচ হাজার লোকের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল অঞ্চলভিত্তিক। সম্প্রতি আইএমএফ-এর বৈঠকে নানাভাবে প্রসঙ্গটি এসেছে। ব্যাংকিং খাত নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশি বন্ধুদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শনিবার এক কূটনৈতিক আড্ডায় এমনটাই জানা গেল। একজন পশ্চিমা কূটনীতিক সরাসরি বললেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে না আনলে বাংলাদেশে অস্থিরতা বাড়বে। নতুন সরকারের সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এটা মোকাবিলা করা সত্যিই কঠিন হবে। যা কল্পনারও বাইরে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ফিরে এলো জুলাই, শুধু স্মৃতি ধরে রাখাই যথেষ্ট নয়

ডেস্ক রিপোর্ট: আজ জুলাই মাসের শুরু। গত বছরের এ মাসে জাতি প্রত্যক্ষ করেছিল নারকীয় সব কাণ্ড, স্বৈরাচারের আসুরিক শক্তি একে একে নিয়েছিল ছাত্র ও সাধারণ মানুষের প্রাণ। এই জুলাই মাসেই হত্যা করা হয়েছিল আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক আবু সাঈদকে। সেখান থেকেই প্রজ্বলিত হয়েছিল বিদ্রোহের আগুনের সর্বদিকবিস্তৃত শিখা। একটা সরকার কতটা নিপীড়ক হলে অল্প সময়ের ব্যবধানে সরকারি গেজেট অনুযায়ী ছাত্র-জনতার ৮৩৪ জনকে হত্যা, হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গু করা সম্ভব? এই নৃশংসতার কোনো তুলনা নেই। হ্যাঁ, আন্দোলনের একটা পর্যায়ে গত রেজিমের পতন ঘটানোর জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছিল। অসীম সাহসিকতায় গুলির সামনে পেতে দিয়েছিল বুক। গুলি করতে করতে হয়রান সরকারি বাহিনী এক পর্যায়ে রণেভঙ্গ দিতে বাধ্য হয়। পরের মাস অর্থাৎ আগস্টের প্রথম সপ্তাহের ৫ম দিনেই সরকারের পতন ঘটে এবং স্বৈরাচারের শিরোমণি শেখ হাসিনা

আরও পড়ুন
language Change