তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পিএসএলের প্লে অফ শুরু আজ অশালীন দৃশ্য থাকায় গান নিয়ে বিতর্ক পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু শ্রীলঙ্কায় ১১০ কেজি গাঁজাসহ ২২ বৌদ্ধ গ্রেফতার ঈদে টানা ৭ দিন সরকারি ছুটি বর্ণাঢ্য উৎসবমুখর পরিবেশে মির্জাগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র বদলে দিলেন ডাঃ মো: শাহিন বৃষ্টিতে ভিজছেন পরীমনি, ভিডিও ভাইরাল মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১৪ কেশবপুরে মেয়ের হাতে প্রাণ গেল মায়ের হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবার নতুন ওসি'র সাথে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মফস্বল প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে মুখোমুখি পিএসজি-বায়ার্ন তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিক্ষার্থীসহ কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কড়া নিষেধ করছে যুক্তরাজ্য শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা আটক বাবা জামানতের টাকা ফেরতের দাবিতে আন্দোলনে নামছেন এশিয়ান টিভির প্রতিনিধিরা ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে ৫ পরিক্ষার্থী আহত মাটি খননের সময় মর্টার শেল উদ্ধার, আতঙ্ক স্থানীয়দের মাঝে মোংলায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা লাল কার্ড পোস্টে তোলপাড়: হাসনাত আবদুল্লাহ ভোলাহাটে উপজেলা প্রশাসনের মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটি ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত হজে গিয়ে মৃত্যু দাফন হলো জান্নাতুল বাকিতে তালতলীতে কিশোরের মৃত্যু ঘিরে রহস্য কোস্ট গার্ডের বহরে হেলিকপ্টার যুক্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৮ বিভাগে কালবৈশাখীর ঝড়ের শঙ্কা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় কেএমপি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ রোসাটম মহাপরিচালকের মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে ভোলা জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক সভা এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও হুমকি প্রদান পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের সঙ্গে ইরানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ঝিনাইগাতীতে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ীর বাসায় চুরি সর্বোচ্চ সতর্কতা দেশের বিমানবন্দর যমুনা অয়েলে ব্যাপক রদবদল, বদলী হয়েও চেম্বার দখলে রেখেছে ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ফের ৩ দিনের রিমান্ড ড. ইউনূসের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মর্যাদা কমল টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ পদত্যাগ করলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষক লাঠি দিয়ে পিটিয়ে যুবককে হত্যা নতুন চমক, হোয়াটসঅ্যাপেই হবে মোবাইল রিচার্জ বাবার কাটা খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক বৃদ্ধের বিনামূল্যে ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা করবে প্রধানমন্ত্রী রাবিতে ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৬ শিক্ষার্থী প্রেমের আগ্রহ বাড়াতে টাকা দিচ্ছে জাপান

শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবার

শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবার
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

একটি শিশু যখন পৃথিবীতে জন্ম নেয়, তখন তার মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট চরিত্র, চিন্তাধারা বা জীবনদর্শন গড়ে ওঠে না। তার মন থাকে একেবারে নির্মল একটি সাদা ক্যানভাসের মতো, যেখানে প্রথম রং আঁকে তার পরিবার। এই পরিবারই নির্ধারণ করে সে কীভাবে ভাববে, কীভাবে আচরণ করবে এবং ভবিষ্যতে একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে কীভাবে গড়ে তুলবে। এ কারণে পরিবারকে শুধু একটি সামাজিক বন্ধন বলা যায় না; বরং এটি মানবজীবনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে আনুষ্ঠানিক পাঠশালার আগেই একজন মানুষের ভিত্তি গড়ে ওঠে। পরিবারকে বাইরে থেকে যতই সাধারণ একটি সামাজিক কাঠামো মনে হোক না কেন, বাস্তবে এটি মানুষের জীবনের সবচেয়ে গভীর ও প্রভাবশালী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম নেই, নেই কোনো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা বা সার্টিফিকেট, তবু এখান থেকেই একজন মানুষের চরিত্র, চিন্তাধারা, আবেগ এবং জীবনদর্শনের ভিত্তি গড়ে ওঠে।

একটি শিশু পৃথিবীতে এসে প্রথমে বই পড়ে না; সে পড়ে মানুষকে। সে শোনে কথা, দেখে আচরণ, অনুভব করে পরিবেশ। এই দেখা, শোনা এবং অনুভব করার মধ্য দিয়েই তার অবচেতন মন ধীরে ধীরে গঠিত হতে থাকে। তাই পরিবারে যা ঘটে, তা শুধু মুহূর্তের ঘটনা হিসেবে থেকে যায় না; বরং তা একটি শিশুর ব্যক্তিত্বে স্থায়ী ছাপ ফেলে। আধুনিক মনোবিজ্ঞানও স্বীকার করে যে, শিশুর প্রাথমিক আচরণগত শিক্ষা তার পারিবারিক পরিবেশ থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়। ভালোবাসা, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং নৈতিকতার উপস্থিতি একটি শিশুকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল করে তোলে। ইসলাম পরিবারকে এই দায়িত্বের কেন্দ্রে স্থাপন করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবারকে আগুন থেকে রক্ষা করো’ (সুরা তাহরিম :৬)। এই আয়াত শুধু একটি ধর্মীয় নির্দেশনা নয়; বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন যেখানে পরিবারকে বলা হয়েছে নৈতিক, আধ্যাত্মিক এবং সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে’ (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।

একজন মা যখন ধৈর্য, ভালোবাসা এবং আল্লাহভীতির সঙ্গে পরিবার পরিচালনা করেন, তখন সেই আচরণ সন্তানের মনে নরম কিন্তু গভীর প্রভাব ফেলে। তার প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজ যেমন কষ্টে ধৈর্য ধরা, অন্যকে ক্ষমা করা, কিংবা আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাÑ এসবই সন্তানের জন্য নীরব শিক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। একই ভাবে একজন বাবা যখন সততা, দায়িত্ববোধ এবং ন্যায়পরায়ণতা নিজের জীবনে বাস্তবভাবে ধারণ করেন, তখন সন্তান বুঝে যায় মানুষের প্রকৃত শক্তি তার কথায় নয়, বরং তার আচরণে। এই শিক্ষাই তাকে ভবিষ্যতে একজন দায়িত্বশীল ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। অন্যদিকে যদি ঘরের পরিবেশে নিয়মিত অশান্তি, রাগ, অবহেলা বা অবিশ্বাস থাকে, তা হলে শিশুর মনে ধীরে ধীরে ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপ তৈরি হয়। সে হয়তো প্রকাশ্যে কিছু বলে না, কিন্তু তার ভেতরে একটি অস্থিরতা জন্ম নেয়, যা তার চিন্তাভাবনা, আচরণ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কগুলোকেও প্রভাবিত করে। অনেক সময় এ ধরনের পরিবেশে বড় হওয়া শিশুরা নিজের আবেগ প্রকাশ করতে সমস্যায় পড়ে বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। এই বিষয়টিকে আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন ইমাম আল-গাজ্জালি। তিনি বলেছেন, ‘শিশুর হৃদয় একটি পবিত্র আমানত; তাকে যেভাবে গড়ে তোলা হবে, সে সেভাবেই গড়ে উঠবে।’ তাই পরিবারকে যদি সচেতনভাবে একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তা হলে সেটি শুধু একটি শিশুর জীবনই নয় বরং পুরো সমাজের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়। কারণ প্রতিটি বড় মানুষ একসময় ছোট শিশু ছিল এবং সেই শিশুই তার পরিবার থেকে শিখে বড় হয়েছে।

একটি পরিবারের প্রকৃত শক্তি কখনোই শুধু অর্থনৈতিক সাফল্য, উচ্চ শিক্ষা বা সামাজিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না; বরং এর মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার ওপর। যখন একটি পরিবারে শুধু পার্থিব অর্জনকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং নৈতিক মূল্যবোধকে উপেক্ষা করা হয়, তখন সেই অর্জন যত বড়ই হোক না কেন, তা ভেতরে ভেতরে শূন্যতা তৈরি করে। কারণ জ্ঞান যদি নৈতিকতার সঙ্গে যুক্ত না হয়, তা হলে তা অনেক সময় মানুষকে দিকভ্রান্তও করতে পারে। একটি পরিবারে যখন জ্ঞান, নৈতিকতা এবং আধ্যাত্মিকতা একসঙ্গে বিকশিত হয়, তখন সেই পরিবার শুধু বাহ্যিকভাবে নয়, বরং অন্তরের দিক থেকেও সমৃদ্ধ হয়। সেখানে সন্তান শুধু পড়াশোনা শেখে না; বরং শেখে কীভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়, কীভাবে দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং কীভাবে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে হয়।

আজকের আধুনিক সমাজে এক গভীর ও চিন্তার বিষয় হলো এক ধরনের বৈপরীত্যপূর্ণ অগ্রগতি। বাহ্যিকভাবে আমরা দেখি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়ছে, প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে, তথ্যের প্রবাহ দ্রুত হচ্ছে, মানুষ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জ্ঞান অর্জন করছে। কিন্তু এই জ্ঞানের বিস্তারের পাশাপাশি একটি অদৃশ্য সংকটও সমানভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষা বাড়ছে, কিন্তু নৈতিকতা কমছে; জ্ঞান বাড়ছে, কিন্তু মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে; সাফল্য বাড়ছে, কিন্তু মানসিক শান্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে। মানুষ যত বেশি অর্জনের দিকে ছুটছে, তত বেশি যেন অন্তরের প্রশান্তি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই বাস্তবতা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়, এই ভারসাম্যহীনতার মূল কারণ কী? এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো পরিবারভিত্তিক নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার দুর্বলতা। যখন পরিবার তার মূল দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে শুধু পার্থিব সাফল্যের দিকে মনোযোগ দেয়, তখন শিশুরা জ্ঞান অর্জন করলেও মূল্যবোধ অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। তারা শিখে কীভাবে সফল হতে হয়, কিন্তু অনেক সময় শিখে না কীভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়।

একটি সাধারণ পরিবার ধীরে ধীরে রূপ নেয় একটি জীবন্ত পাঠশালায়, যেখানে শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়; বরং চরিত্র, নৈতিকতা এবং মানবিকতার বাস্তব শিক্ষা দেওয়া হয়। এই ঘরই তখন একটি নৈতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে, যেখানে ভালো মানুষ গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং একটি আলোকিত ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ইসলামও পরিবারকে এই উচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। কারণ পরিবার শুধু বসবাসের স্থান নয়; বরং এটি মানুষের আত্মিক, নৈতিক এবং সামাজিক গঠনের প্রথম ধাপ। সবশেষে বলা যায় একটি পরিবার শুধু সম্পর্কের বন্ধন নয়; এটি একটি প্রজন্ম গঠনের নীরব কারখানা, একটি সমাজ নির্মাণের ভিত্তি এবং একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল কেন্দ্র।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শেষ ষোলতে ইংল‌্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র

‘বি’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলতে উঠেছে ইংল‌্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। ওয়েলসকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইংল‌্যান্ড গ্রুপ চ‌্যাম্পিয়ন হয়ে খেলবে শেষ ষোলতে। ৩ ম‌্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭। ইরানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ সালের পর আবার তারা শেষ ষোলতে জায়গা করে নিয়েছে।   ইরান এ নিয়ে ছয়বার বিশ্বকাপ খেলে একবারও গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি। প্রথম ম‌্যাচে ইংল‌্যান্ডের কাছে ৬-২ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম‌্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলতে যাওয়ার লড়াইয়ে শামিল হয়েছিল ৩ পয়েন্ট নিয়ে।   ‘বি ‘ গ্রুপ থেকে চার দলেরই সুযোগ উন্মুক্ত ছিল শেষ ষোলতে যাওয়ার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ইংল‌্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। ওয়েলসকে যেতে হলে ইংল‌্যান্ডকে হারাতে হতো ৩ গোলের ব‌্যবধানে। সেখানে নিজেরাই হেরে যায় ৩-০ গোলে.। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ইরানের

আরও পড়ুন
language Change