বিশেষ প্রতিনিধিঃ
আব্দুল হাই লিটন সরকার, চাকরীর পদবী মিটার ম্যান, বর্তমানে কর্মরত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের বাঘাবাড়ি ডিপোতে। অবশ্য তার চাকরি জীবনের শুরু এই ডিপো থেকেই। বাড়ী আবার তার সিরাজগন্জের শাহজাদপুরের এই ডিপো সংলগ্ন এলাকাতেই। স্বাভাবিক ভাবেই স্থানীয় হিসাবে এই ডিপোতে লিটন সরকারের একটু প্রভাব প্রতিপত্তি বেশিই বলা যায়।
তার অত্যাচারে অনেকটাই অতিষ্ঠ অত্র ডিপো কর্মকর্তা, কর্মচারীরা। মিটার ম্যান হলেও ঘুরে ফিরে বিভিন্ন ডিপোতে তেল মাপার ( গেজার) পদে দায়িত্ব পালন করে আসছে । তার বিরুদ্বে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ইতিমধ্যে তাকে গেজার পদ থেকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে । বিভিন্ন ডিপোতে চাকরি কালীল সময়ে তার বিরুদ্ধে তেল চুরির নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া চাকরি দেয়ার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিনের। বাঘাবাড়ি, গোদনাইল, নাটোর ফের বাঘাবাড়ি ঘুরে ফিরে এই তিন ডিপোতেই চাকরি করেছে এই লিটন। তার চাকরি জীবন ঘুরে ফিরে তিন ডিপোতে, এদিকে মজার বিষয় হলে সবকটি ডিপো ইনচার্জের কাছেই রয়েছে তার বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ।
এদিকে অভিযোগকারী তালিকায় রয়েছে ভুক্তভোগী চাকরি প্রার্থীদেরও অনেকেই। এদেরই একজন শামীম হোসেন সাদ্দাম, পিতা শামসুল গ্রাম খাগাড়বাড়িয়া থানা ফরিদপুর জেলা পাবনা। আব্দুল হাই লিটন নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ডিপোতে চাকরীত অবস্থায় ডিপো ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী এই শামীম হোসেন। অভিযোগে বলা হয়েছে বাঘাবাড়ি ডিপোতে চাকরি কালীন সময়ে মিটারম্যান এই লিটন চাকরি দেয়ার নাম করে তার কাছ থেকে আট লাখ টাকা নিয়েছে। এমনকি চাকরি দেয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল। কিন্তু ভুক্তভোগীর চাকরি হয়নি, তাই টাকা ফেরত চাওয়াতে উল্টো তাকে হুমকি দেয়ার কথা বলা হয়েছে ভুক্তভোগীর অভিযোগে। জানাগেছে সাদ্দামের মতো এরকম দশ জনের কাছ থেকে চাকরী দেয়ার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা, যার পরিমান নুন্যতম কোটি টাকার উপরে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত