তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে সরকারি বনভূমি বেদখল: রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ  ২০১৩ সালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরও নেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ঝুঁকিতে মধ্য বোয়ালখালী বাজার কিছু অসাংবাদিক সাংবাদিকের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে-দুলু শেরপুরের সফল উদ্যোক্তা কৃষিবিদ ডা. মোঃ শহিদুল্লাহ শরীফ ঝিনাইগাতীতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি দীঘিনালায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মিলল রহস্যঘেরা চিরকুট প্রাণী সংরক্ষণে নাটোরে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সাইনবোর্ড স্থাপন বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (মহানন্দা সেতু) টোলমুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ‘জিনের বাদশা’ সেজে টেলিগ্রামে প্রতারণা, ২১ লাখ টাকা আত্মসাতকারী গ্রেফতার আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি সদস্যের মৃত্যু যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিন্দার ঝড় উঠেছে রামপাল-মোংলায় রংপুরে শতবর্ষী চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী রামগড় থানা পুলিশের অভিযানে সিলং তীর জুয়া ব্যবসায়ী আটক ভোলাহাটে হেরোইন ও গাঁজাসহ মা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৩ জন আটক সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযান ৪টি নৌকা ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম জব্দ গুইমারার জালিয়াপাড়াতে অগ্নিকাণ্ডে হোটেল ও তেলের দোকান পুড়ে ছাই পুর্ব সুন্দরবনের হেতালমারি এলাকা থেকে ৫০ ফুট হরিণ শিকারের মালাফাঁদ উদ্ধার সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে শেরপুর জেলায় মোবাইল কোর্ট শেরপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেল জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে বালুদস্যুদের হামলায় বিট কর্মকর্তা ও বনরক্ষী আহত কেশবপুরে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কেশবপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জোর দখলের অভিযোগ কেশবপুরে মাদ্রাসা কর্মচারী নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আমাকে তারা নির্বাচনের আগেই হারিয়ে দিয়েছিল : মির্জা ফখরুল কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরে গেছে ২৮১ প্রাণ তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর কোটি টাকার সম্পদ কাস্টমস কর্মকর্তা সরোয়ারের বরগুনায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২ ১০ বছর পর আবারও ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে লটকন চাষে বাম্পার ফলন দীঘিনালায় গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড বরগুনায় ডাক বাংলো থেকে মা ও দুই কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার রামগড়ে সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্য: সংগঠনের কোষাধক্ষ্যের উগ্র আচরণে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আওয়ামী লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বরগুনার তালতলীতে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ভাবিকে কোপানোর অভিযোগ পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা যুবদলের যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ঢাকায় মিলল আরেক নারীর গলিত মরদেহ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু প্রকৌশলী মিস্ত্রির লুটপাটে ফোকলা হচ্ছে গণপূর্ত ঢাকায় গেড়ে বসেছেন গণপূর্তের ৬০ প্রকৌশলী রাজধানীর জিম সেন্টার গুলোতে অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনা ৩০ বাংলাদেশিকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রির অভিযোগ ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাবে একাধিক নতুন নিয়ম

এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরে গেছে ২৮১ প্রাণ

এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরে গেছে ২৮১ প্রাণ
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো ও কর্মস্থলমুখী মানুষের যাত্রায় দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোতে আরও একবার ফুটে উঠেছে ভয়াবহ চিত্র। ঈদের আগে ও পরে ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত মাত্র ১৩ দিনে ঘটে গেছে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা, যেখানে ঝরেছে ২৮১ প্রাণ। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৮৩৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন গড়ে ২১ দশমিক ৬১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবারের ঈদযাত্রায়। গত বছরের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে নিহত হয়েছিলেন ৩১২ জন, যেখানে দৈনিক গড় মৃত্যু ছিল ২৬ জন। সে হিসাবে এবার সড়কে প্রাণহানি কমেছে ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। প্রাণহানি কমলেও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি বলে মন্তব্য রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা এখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। দুর্ঘটনায় নিহত পথচারীর সংখ্যা ৩৭ জন এবং চালক-সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন। সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি একই সময়ে ১৩টি নৌ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২২টি রেল দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৪৮ জন, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের আরোহী ৩২ জন, বাসযাত্রী ২১ জন এবং প্রাইভেটকার ও অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী ১১ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে এবং ৩৩ দশমিক ২১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহন দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। জেলা হিসেবে ফরিদপুরে সবচেয়ে বেশি ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের ঈদে রাজধানী ঢাকা থেকে এক কোটির বেশি মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যাত্রা করেছেন এবং সারা দেশে প্রায় চার কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ট্রেন ছাড়া সড়ক ও নৌপথে তুলনামূলক কম ভোগান্তি হলেও বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। সার্বিক বিশ্লেষণে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক তৈরি, মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং রেল ও নৌপরিবহন উন্নয়নের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণের বিকল্প নেই। সময়োপযোগী নীতিমালা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এর জন্য সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ট্রাক চাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু! বেঁচে গেল শিশু

ট্রাক চাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু! বেঁচে গেল শিশু

মিজানুর রহমানঃ শেরপুর-জামালপুর ব্রিজে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত হয়েছে ও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে এক শিশু। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয় লোক জন ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শেরপুর-জামালপুর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে সড়কে স্থাপিত পুলিশের চেকপোস্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহতরা হলেন, শেরপুর সদর উপজেলার চরমুচারিয়া ইউনিয়নের কেন্দুয়ারচর এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহম্মেদ। দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মিজানুর রহমান। স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের সময় ওই এলাকায় পুলিশ সদস্যরা চেকপোস্টে ডিউটি করছিলেন। এ সময় শেরপুরগামী একটি ট্রাককে থামানোর জন্য ইশারা করেন পুলিশ সদস্যরা। ট্রাকটির পেছনে থাকা একটি মোটরসাইকেল পাশ কাটিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে। ঠিক তখনই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে

আরও পড়ুন
language Change