তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
টাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে দীঘিনালা জোন কাপ জিতল বোয়ালখালী চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ায় খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের ফুলের শুভেচ্ছা কালিগঞ্জে বোরো চাষির তালিকা জালিয়াতির অভিযোগ বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট বাঁশখালীর আ. লীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন সুমনের মোবাইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাকিস্তানে হামলা চালাল আফগানিস্তান পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি কর্ণফুলী নদীতে লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা,ও অধিকার বাস্তবায়ন জরুরি শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ‎চাটখিলে পুলিশের অভিযানে জুয়া চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০ রাজউক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কালীগঞ্জে তিন কর্মসূচি: ভিক্ষুক পুনর্বাসন, কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও শিশুশ্রমবিরোধী র‍্যালি সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন ভুজপুরে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মাদ্রাসায় অতর্কিত হামলা ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সওজের সংস্কার অভিযান ফরিদপুর ভাঙ্গা ব্লেড দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী রাউজানে জেঠাতো ভাইয়ের গাছের টুকরোর আঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল ৮ ফুটের বার্মিজ অজগর আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে বেঁধে নির্যাতন দেশের অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসে ২ হাজারের বেশি ক্যাডার পদ শূন্য হামলা বন্ধ করে আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, সাংবাদিকতার আড়ালে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গোসাইরহাটে সিএনজি ও অটোরিকশায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ চালকেরা

অবৈধ সম্পদে টুইটুম্বুর রাজউকের সবুজ-মলি!

পাঠক সংখ্যা
638

 

#কাজ ফেলে ফাইলের দালালীতে ব্যস্ত। #ফাইলে স্বাক্ষর না করলে কর্মকর্তাদের হুমকি। #‘মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা’ নামে কোন পদ নাই।

স্টাফ রিপোর্টারঃ
অনেকের কাছেই বিষয়টি অবিশ্বাস্য এবং নিছক গল্প মনে হতে পারে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে- রাজউকে চাকরি মানেই যেন সোনার ডিমপাড়া হাঁস কিংবা আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ হাতে পাওয়ার সমান। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নামক সরকারী। এই প্রতিষ্ঠানকে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রীতিমতো ‘টাকা তৈরীর কারখানায়’ পরিণত করেছে। এখানে টাকা আয়ের বিষয়ে ‘পদ-পদবী’ কোন বাধাই নয়। সম্প্রতি রাজউকের দুই কর্মচারীর নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের কপি এ প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছেছে।

২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর মো. আমিনুল ইসলাম নামে জনৈক ব্যক্তি রাজউকের এস্টেট ও ভূমি-২ শাখার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর জাহিদুল ইসলাম সবুজের নামে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজউকের সর্বস্তরের কর্মচারীদের পক্ষে একই ব্যক্তির নামে দুদকে লিখিত আবেদন করেন জনৈক মো. হেলাল উদ্দীন। আবেদনকারী ভিন্ন হলেও অভিযুক্তের বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগের ধরণ একই।

অভিযোগ মতে, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এস্টেট ও ভূমি-২ শাখার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং রাজউক শ্রমিক কর্মচারী লীগের কার্যকরী সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সবুজ। কোটি কোটি টাকার মালিক!

সরকারী স্কেল অনুযায়ী মাত্র ২৫/৩০ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী হয়েও কীভাবে এবং কোন উপায়ে তিনি এতো টাকার মালিক হলেন- তা বোধগম্য নয়। উল্লেখিত ব্যক্তি রাজউকে কোনকিছুরই তোয়াক্কা করেন না, নিজের খেয়াল-খুশিমতো অফিস করেন তিনি। অফিসের কাজ ফেলে অধিকাংশ সময়েই বিভিন্ন ফাইলের দালালীতে ব্যস্ত থাকেন। সবুজের তদবীরকৃত ফাইলে স্বাক্ষর না করলে কর্মকর্তাদের নানা রকমের হুমকিসহ তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ক্ষেত্রবিশেষে কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও শারিরিক নির্যাতন করেন বলেও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে সবুজের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে রাজউকে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ সবুজের বিরুদ্ধে। গত পাঁচ বছর রাজউকের এস্টেট ও ভূমি-২ শাখায় থেকে ঘুষের রাজত্ব কায়েম করেছেন তিনি, গড়েছেন বাড়ি-গাড়ি সম্পদের পাহাড়! দাপটের সাথে অনিয়ম-দুর্নীতি করেও ধরাছোঁয়ার বাইরে সবুজ। বর্তমানে উচ্চমান সহকারী হিসেবে (অ. দা.) দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর গনমাধ্যমে প্রকাশিত ‘‘ঘুষের ওপেন হার্ট রাজউক: প্রভাবশালীদের পেছনে রাজনীতির শক্ত খুঁটি” প্রতিবেদনে উল্লেখিত ‘৪২১’ নম্বর কক্ষটিতেই বসেন জাহিদুল ইসলাম সবুজ। এই কক্ষেই ঘুষের যাবতীয় লেনদেন হয়ে থাকে সবুজের মধ্যস্থতায়। ফাইলের নথি গায়েব থেকে শুরু করে এক প্লট একাধিকজনের কাছে বিক্রি কিংবা প্যাকেজ ঘুষ, সব জায়গায় সবুজের ক্যারিশমাটিক ছোঁয়া আছে। রাজউকে ঘুষখোর এবং ধুরন্ধর কর্মচারীদের একজন হচ্ছেন- জাহিদুল ইসলাম সবুজ এস্টেট ও ভূমি-২ শাখায় ঘুষ লেনদেনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন সবুজ। ঘুষের টাকায় রাজধানী মাদারটেক কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় ১০ কাঠা জমিতে বেজমেন্টসহ নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে একাধিক শেয়ার কিনেছেন সবুজ। গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের কাজীপুরেও গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। বগুড়া শেরপুরেও বাড়ি করেছেন। সবুজের একটি নোহা ব্র্যান্ডের মাইক্রোবাস আছে যার নম্বর ঢাকা মেট্রো- ৫১৮৯৩৭। এছাড়াও গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ে সংলগ্ন “রাজেন্দ্র ইকো রিসো অ্যান্ড ভিলেজ” নামে ৪ তলার অত্যাধুনিক ভবনের শেয়ারহোল্ডার জাহিদুল ইসলাম সবুজ। প্রায় প্রতিরাতেই বিভিন্ন বয়সী নারীদের অশ্লীল নৃত্য আর মদের আসর বসে ওই রিসোর্টে। সেই আসরের নিয়মিত মেহমান জাহিদুল ইসলাম সবুজ। রাজউকের সামান্য বেতনের একজন কর্মচারী হয়েও রাজকীয় জীবন-যাপন করেন তিনি। কাকরাইলে অবস্থিত ‘হোটেল রাজমণি’ ‘ঈশাখা’সহ রাজধানীর অভিজাত এলাকার ‘নামীদামী’ সব ক্লাব ও বারগুলোতে নিয়মিত মদপান ও নর্তকী নিয়ে নাচানাচি করেন সবুজ। মাতাল হয়ে নর্তকীদের শরীরে দু’হাতে টাকা ছিটানো তার প্রতিদিনের নেশা।

ফাতেমা বেগম মলি: অপরদিকে রাজউক জোন-৫ এর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও উচ্চমান সহকারী (অ. দা.) ফাতেমা বেগম মলির স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন মেহেদী হাসান নামের জনৈক ভুক্তভোগী। ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিলকৃত ওই অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন চাকরি করার সুবাদে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে রাজউকের ঠিকাদারদের জিম্মি করে রেখেছেন মলি। প্রাক্কলন, চুক্তিপত্র, বোর্ড সভার কর্মপত্র, ঠিকাদারদের বিল এবং প্ল্যান পাসের নথিসহ কোন ফাইলই টাকা ছাড়া ছাড়েন না। মলির অনিয়ম দুর্নীতির কারনে ঠিকানার ও গ্রাহক হয়রানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকার মালিক ফাতেমা বেগম মলি। রাজধানীর পূর্বাচলে ১৭নং সেক্টরে ৫ কাঠার একটি প্লট, ২২ নং সেক্টরে ৫ কাঠার একটি এবং ২৭ নং সেক্টরে ৫ কাঠার আরও একটি প্লটের মালিক মলি। রাজধানীর ঝিগাতলায় ১৫/এ, ডার্লি পয়েন্টে, হাফিজুল্লাহ গ্রীণ টাওয়ারে (লেভেল ই-৫) কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ৩টি ফ্ল্যাট আছে মলির। এছাড়া নারায়ণগঞ্জসহ মলির গ্রামের বাড়ি চাঁদপরেও গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। দামী নোহা গাড়ীতে (ঢাকা মেট্রো-চ-১৫-৪৬১৮) চড়ে অফিসে আসেন তিনি। একজন উচ্চমান সহকারি কীভাবে ফ্ল্যাট-গাড়ি-প্লটসহ কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন-এ প্রশ্ন রাজউকের অনেকের।

 

ওই অভিযোগ থেকে জানা যায়, ধনাঢ্যজন হিসেবে রাজউকে ব্যাপক পরিচিতি তিনি। মলি নিজেকে রাজউক শ্রমিক কর্মচারী লীগের ‘মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা’ দাবী করে বিভিন্ন সুবিধা আদায় করেন। অথচ কাগজে-কলমে রাজউক শ্রমিক কর্মচারীলীগে ‘মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা’ নামে কোন পদই নাই। মলির ঘুষ-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং তদন্তও চলছে।

এই বিষয়ে জাহিদুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে কথা হলে তিনি ভোরের পাতাকে বলেন, ‘আমার বিষয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা মিথ্যা-বানোয়াট। আমি কাজের বিনিময়ে কোন ঘুষ কারো কাছে দাবি করি না। একটি চক্র আমার পিছনে লেগেছেন।’

এই বিষয়ে ফাতেমা বেগম মলির মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। খুদেবার্তা পাঠালে ফিরতি কোন সদুত্তর দেয়নি।

এই বিষয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে। অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা ভুল ছিল: নাহিদ

কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা ভুল ছিল: নাহিদ

ডেস্ক রিপোর্ট: কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম জানান, উপদেষ্টা পরিষদের অনেককেই বিশ্বাস করাটা ছিল অনেক বড় ভুল। তাদের প্রতি আস্থা রেখে প্রতারিত হতে হয়েছে। সেইসব উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূসের সরকারে যোগ দেন ছাত্র প্রতিনিধিরা। পরে এক জন পদত্যাগ করে হাল ধরেন তরুণদের দল এনসিপির। এখনও উপদেষ্টা পরিষদে আছেন দুই জন। ছাত্রদের উপদেষ্টার আসনে বসাটা কি ভুল ছিল, সেই প্রশ্ন ছিল এনসিপির আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের কাছে। তিনি বলেন, ছাত্ররা উপদেষ্টা না হলে সরকার তিন মাসও টিকতো না। তিনি আরও জানান, উপদেষ্টাদের অনেকে সেফ এক্সিট নিয়ে

আরও পড়ুন
language Change