তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কার্যনিষিদ্ধ লীগের ৩ নেতা আটক পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী  নোয়াখালীর পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া ভাঙনের গুঞ্জন উড়ে গেল বিজয়-তৃষার বিশেষ ছবির ঝড়ে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এপস্টেইন কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন বিল গেটস মেসিদের খেলা দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাসেল উপকূলের ঢাল হিসেবে মোংলায় নবলোক পরিষদের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ বিশ্ব বাজারে আরও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম সিরাজগঞ্জে জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল স্কুল-কলেজের পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা আমতলীতে ভূমি জরিপে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন পে-স্কেল নিয়ে বসছে সভা, আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গলাচিপায় তিন নবজাতকের দুধের খরচ মেটাতে দিশেহারা বাবা খাদ্য অধিদপ্তরের এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিনের যত অবৈধ সম্পদ নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল গ্রেফতার নকলা সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সন্ধ্যাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইউএনও আল-আমীনের প্রাণবন্ত আলাপচারিতা বিপিসির চেয়ারম্যান হতে গোপন চুক্তি লাবলুর রহমানের, বেবিচক জুড়ে তোলপাড় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রতিবাদী মিছিল অনুষ্ঠিত ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে হুশিয়ার নিউমার্কেট থানায় যুবদল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কার্যকারিতা নিয়ে পেজেশকিয়ানের স্ট্যাটাস অবশেষে ঢাকার রাস্তায় নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা বর্ধিত স্বাস্থ্য বাজেট অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগের আহ্বান প্রজ্ঞার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে: রুহুল কবির রিজভী রামগড় বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নাগরিক আটক নাচে-গানে সমাপ্ত হলো হলো তিন দিনব্যাপী নৃ-গোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির উৎসব ফুলের বৃষ্টিতে শেষ কর্মদিবস, বিদায় নিলেন শিক্ষকরা প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক- ২ র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে চাকরির প্রলোভন, বেগমগঞ্জে প্রতারক আটক শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিরাজগঞ্জে বেকারদের চাকরির লক্ষ্যে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া, সম্পাদক আমিনুর বিস্ফোরক আইনের মামলায় বরগুনার সাবেক চেয়ারম্যান আটক রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার পিরোজপুরে মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ হাসনাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আশুলিয়ায় ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে মানব বন্ধন পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শতকোটি টাকার সরকারি জমি সানভিউ টাওয়ার্সের দখলে ঝিনাইগাতীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এমসিজিএল’র অর্থায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ​সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

খাদ্য অধিদপ্তরের এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

খাদ্য অধিদপ্তরের এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। চট্টগ্রামের সাবেক আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) এবং বর্তমানে রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য, ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাধিক ব্যক্তি। বিশেষ করে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শেষ মুহূর্তে করা একাধিক পদায়নকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তার নাম।

অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ দিকে চট্টগ্রাম থেকে অবমুক্ত হওয়ার আগে মাত্র তিন দিনের মধ্যে ১৪ জন খাদ্য কর্মকর্তাকে ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) পদে পদায়ন করেন এস. এম. কায়ছার আলী। এসব পদায়নের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পদ অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব পদায়নের মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

জানা গেছে, ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এস. এম. কায়ছার আলীকে চট্টগ্রামের আরসি ফুড পদ থেকে খুলনার আরসি ফুড পদে বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি খুলনায় যেতে অনাগ্রহী ছিলেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির চালান। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে বিদায়ের আগে তিনি ব্যাপক বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম শুরু করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২৮ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৪টি স্মারকে ১৪ জন কর্মকর্তাকে নতুন পদায়ন দেওয়া হয়। ২৮ মার্চ ২৮৬(ম), ২৮৮(ম), ২৮৯(ম), ২৯০(ম), ২৯১(ম) নম্বর স্মারকে, ২৯ মার্চ ২৯৩(ম), ২৯৪(ম), ২৯৫(ম), ২৯৬(ম), ২৯৭(ম) নম্বর স্মারকে এবং ৩০ মার্চ ৩১৫(ম), ৩১৬(ম), ৩১৭(ম) ও ৩১৮(ম) নম্বর স্মারকে এসব আদেশ জারি করা হয়।

খাদ্য বিভাগের একাধিক সূত্রের দাবি, বদলির আদেশ জারির আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয় এবং পরে পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ আরও রয়েছে যে, ওই সময় চট্টগ্রামের আরসি ফুড কার্যালয়েই ঘুষের অর্থ লেনদেন হয়েছে। এমনকি নিরাপত্তার জন্য তার অফিস কক্ষে একটি পিস্তলও রাখা হয়েছিল বলে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন।

তবে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায় যখন এসব পদায়নের বিষয়টি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় বিষয়টিকে অনিয়ম হিসেবে দেখে এবং অবিলম্বে সব পদায়নের আদেশ বাতিলের নির্দেশ দেয়। মন্ত্রণালয়ের চাপের মুখে ৩০ মার্চ রাতেই এস. এম. কায়ছার আলী পূর্বে জারি করা সব বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, ২৮, ২৯ ও ৩০ মার্চ জারি করা সংশ্লিষ্ট সব স্মারকের পদায়ন আদেশ বাতিল করা হলো এবং এ আদেশ জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।

এদিকে পদায়নের আদেশ বাতিল হলেও অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। ফলে অনেক কর্মকর্তা এখন বিভিন্ন মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা ফেরত চাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে ঘুষের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে তারা অনীহা দেখাচ্ছেন।

এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী কর্মকর্তা। তৎকালীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, বদলি-পদায়নের নীতিমালায় সর্বোচ্চ তিন বছর একই কর্মস্থলে থাকার বিধান থাকলেও তিনি কুমিল্লার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) পদে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মার্চে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পান।

খাদ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেন, ২০২৫ সালে তার দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পরও তাকে চট্টগ্রামে বহাল রাখা হয়। পরে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে ২০২৫ সালের আগস্টে খুলনায় বদলির আদেশ জারি করা হলেও মাত্র এক দিনের মাথায় সেই আদেশ বাতিল হয়ে যায়।

এরপর ২০২৬ সালের মার্চে আবারও তাকে খুলনায় বদলি করা হয়। কিন্তু এবার বদলি ঠেকানোর চেষ্টা সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত খুলনায় যোগদান করতে বাধ্য হন তিনি।

তবে খুলনায় তার অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। গত ১৪ মে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ইকবাল বাহার চৌধুরীকে রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সেই পদায়ন কার্যকর না হয়ে ২ জুন জারি হওয়া আরেক প্রজ্ঞাপনে এস. এম. কায়ছার আলীকে রাজশাহীর আরসি ফুড পদে পদায়ন দেওয়া হয়।

এ নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, খুলনায় যোগদানের মাত্র দুই মাসের মধ্যে রাজশাহীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন পাওয়ার পেছনে প্রভাব খাটানো ও আর্থিক লেনদেনের ভূমিকা ছিল। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

রাজশাহীতে পদায়নের পর কায়ছার আলী বিভিন্ন মহলে প্রচার করেন যে তিনি রাজশাহীতে যেতে আগ্রহী নন এবং খুলনায় থাকতে চান। এমনকি তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে বলেও প্রচার করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এমন কোনো সরকারি নথির অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি বলে দাবি করেছে।

এদিকে চট্টগ্রামে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ এখনও আলোচনায় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনেকেই মনে করছেন, পদায়নের আদেশ বাতিল হওয়ার ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং যেসব অর্থ দেওয়া হয়েছিল তা ফেরত পাওয়া উচিত।

এস. এম. কায়ছার আলীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে খাদ্য মন্ত্রণালয় বা খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও এসব নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তবে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে, খাদ্য অধিদপ্তরের বদলি-পদায়ন প্রক্রিয়া এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কার্যকর তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিতর্ক অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের মেঘ এখনও কাটেনি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে হবে দিল্লির

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চালাবে বাংলাদেশ। বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে দিল্লিকে। তবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তার কোনো আপত্তি নেই বলে স্বীকার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।  সম্প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকায় তার বাসভবনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তী সরকার ইন্টারপোলের কাছে  আবেদন করেছে। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে কেন আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়নি, এমন প্রশ্নে ড. ইউনুস বলেন, আমার মনে হয় আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি, তবে সে পর্যায়ে এখনো পৌঁছাইনি। ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি উভয় দেশের সম্পর্কের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি করছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ড.

আরও পড়ুন
language Change