তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ বাগেরহাটে ২ কেজি গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক শিল্প-কলকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় সাব- কন্ট্রাক্টিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ভোলায় পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি অভিযোগ দুই দিনের রিমান্ডে আলভী একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে : রিজভী কেমন থাকবে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া দুই কোটি ৩৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে: শিক্ষামন্ত্রী বরগুনায় অসুস্থ ও শয্যাশায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান ‎সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি চক্র গোয়েন্দা নজরদারিতে গ্রেফতারের পরদিন কারাগারে মারা গেলেন চট্টগ্রামের যুবলীগ নেতা ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কার্যনিষিদ্ধ লীগের ৩ নেতা আটক পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী  নোয়াখালীর পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া ভাঙনের গুঞ্জন উড়ে গেল বিজয়-তৃষার বিশেষ ছবির ঝড়ে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এপস্টেইন কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন বিল গেটস মেসিদের খেলা দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাসেল উপকূলের ঢাল হিসেবে মোংলায় নবলোক পরিষদের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ বিশ্ব বাজারে আরও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম সিরাজগঞ্জে জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল স্কুল-কলেজের পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা আমতলীতে ভূমি জরিপে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন পে-স্কেল নিয়ে বসছে সভা, আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গলাচিপায় তিন নবজাতকের দুধের খরচ মেটাতে দিশেহারা বাবা খাদ্য অধিদপ্তরের এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিনের যত অবৈধ সম্পদ নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল গ্রেফতার নকলা সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সন্ধ্যাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইউএনও আল-আমীনের প্রাণবন্ত আলাপচারিতা বিপিসির চেয়ারম্যান হতে গোপন চুক্তি লাবলুর রহমানের, বেবিচক জুড়ে তোলপাড় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রতিবাদী মিছিল অনুষ্ঠিত ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে হুশিয়ার নিউমার্কেট থানায় যুবদল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কার্যকারিতা নিয়ে পেজেশকিয়ানের স্ট্যাটাস অবশেষে ঢাকার রাস্তায় নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা বর্ধিত স্বাস্থ্য বাজেট অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগের আহ্বান প্রজ্ঞার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে: রুহুল কবির রিজভী রামগড় বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নাগরিক আটক নাচে-গানে সমাপ্ত হলো হলো তিন দিনব্যাপী নৃ-গোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির উৎসব ফুলের বৃষ্টিতে শেষ কর্মদিবস, বিদায় নিলেন শিক্ষকরা প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক- ২ র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে চাকরির প্রলোভন, বেগমগঞ্জে প্রতারক আটক

রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি অভিযোগ

রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি অভিযোগ
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও শুল্ক স্টেশনে কর্মরত কিছু অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘বিশেষ সমঝোতার’ মাধ্যমে চোরাচালানি পণ্য ছাড়, ঘুষ বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নতুন নয়। এবার এমনই একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো একটি লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বর্তমানে সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বালা শুল্ক স্টেশনে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ, দুর্নীতি, চোরাচালান সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। কে এই শেখ হারুনুর রশিদ?

অভিযোগ অনুযায়ী, শেখ হারুনুর রশিদের জন্ম ১৯৮০ সালে খুলনা সদরে। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং শেখ মো. আসাদুজ্জামানের ছেলে। ২০০৪ সালে তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সিপাহী পদে চাকরিতে যোগদান করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তবে কর্মজীবনের শুরু থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘুষ বাণিজ্য ও চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগকারীদের দাবি, শেখ হারুনুর রশিদ একটি শক্তিশালী চোরাচালান সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। বিভিন্ন সময়ে ‘বিশেষ সমঝোতা’র মাধ্যমে চোরাচালানি পণ্য ছাড়, রাজস্ব ফাঁকি এবং ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতাসীনদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে সেসব অভিযোগ কার্যকর তদন্তের মুখ দেখেনি। ২০ বছরের চাকরিতে সম্পদের পাহাড়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, চাকরিজীবনের মাত্র দুই দশকেই শেখ হারুনুর রশিদ নিজের ও পরিবারের ভাগ্যের চাকা আমূল বদলে দিয়েছেন। খুলনা, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। খুলনা শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বি.কে. ইস্ট লেনে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া রাজধানীর অভিজাত এলাকা ধানমন্ডির ৪ নম্বর রোডের ৩৪ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট তার নিজের নামে ক্রয় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।প্রশ্ন উঠেছে, একজন নবম গ্রেডের রাজস্ব কর্মকর্তার বৈধ আয়ে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া কতটা সম্ভব?
আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামি সম্পদের অভিযোগ অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, আইনের চোখ ফাঁকি দিতে শেখ হারুনুর রশিদ তার অধিকাংশ সম্পদ পিতা শেখ মো. আসাদুজ্জামান, মা শিরীন জামান, স্ত্রী সুলতানা আক্তার, সন্তান এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নামে ক্রয় করেছেন।অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যাংক হিসাব তদন্ত করলেই বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসবে। গ্রামের মানুষের কাছে দানবীর পরিচয় নিজ গ্রামের বাড়িতে দান-সদকার জন্য শেখ হারুনুর রশিদের সুনাম রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তারা বলেন, তিনি প্রায়ই গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

তবে প্রশ্ন উঠেছে,একজন নবম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ দান-সহায়তা করার সক্ষমতা অর্জন করলেন? দুদকের বক্তব্য,এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,দুদক অভিযোগের ভিত্তিতে কাজ করে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়। প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেলে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, শেখ হারুনুর রশিদ বাইরে থেকে অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মনে হলেও বাস্তবে তিনি অর্থ ছাড়া কিছু বোঝেন না।তাদের দাবি, অতীতেও তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, কিন্তু প্রভাব ও অর্থের জোরে তিনি সেগুলো ধামাচাপা দিয়েছেন।তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। যা বললেন শেখ হারুনুর রশিদ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদ বলেন,আমার নামে নিউজ করার দরকার নেই। আপনি সিলেট চলে আসেন, আপনাকে রিসোর্টে রাখবো, খাওয়াবো এবং ঘুরাবো।ধানমন্ডির ফ্ল্যাট সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি দাবি করেন,আমি ২০০০ সালে এই ফ্ল্যাট কিনেছি। তখন আমি কন্ট্রাকটরের ব্যবসা করতাম। পরে এ বিষয়ে কথা বলব। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, তার জন্মসাল ও শিক্ষাজীবনের তথ্য বিবেচনায় ২০০০ সালে তিনি ছাত্র ছিলেন বলে জানা গেছে, যা তার বক্তব্য নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে পরবর্তীতে তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনো জবাব দেননি।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ডেমরা পশ্চিম সানারপাড়ে সন্ত্রাসীদের দলবদ্ধ হামলা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট

সোহরাওয়ার্দীঃ রাজধানীর ডেমরা পশ্চিম সানারপাড় এলাকায় বখাটে উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের অসামাজিক কাজে বাঁধা দেওয়ায় দলবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলা, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন নবাব এন্ড ব্রাদার্স সুপার শপের মালিক ব্যাবসায়ী নাসিরউদ্দিন (৩৫)ও তার সহোদর ভাই লিটন আহমেদ (৪২)।গত ১২ নভেম্বর রাত আটটার দিকে ২৫/৩০ জন মিলে সন্ত্রাসী কায়দায় এই হামলা চালায়।এ সময় নবাব এন্ড ব্রাদার্স সুপার শপে লুটপাট চালিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন ডেমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ডেমরা থানার এসআই সাইমুম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।   অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলো উত্তর সানারপাড় ঔষধ ফ্যাক্টরী সংলগ্ন মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে রাসেল (৩৩),একই এলাকার নুর আলম এর পুত্র প্রান্ত (২৬),নুর

আরও পড়ুন
language Change