তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে গবেষণা সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত: মির্জা ফখরুল কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অব্যবস্থাপনা: বেসিনে বর্জ্যের ডাস্টবিন গলাচিপায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ কেশবপুরে মৎস্য চাষীদের মাঝে উপকরণ সামগ্রী বিতরণ দীঘিনালায় দুই জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ শ্রেণিকক্ষ থেকে উন্নয়নের আলোচনায়, বাতাকান্দীতে ব্যস্ত নতুন সভাপতি নোয়াখালীতে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারসহ আটক ২ নোয়াখালীর আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ১৪ সাভারে বৈধ ব্যবসার আড়ালে বিজনেস ত্রাসের মাদক, ব্ল্যাকমেইল ও ৫ ই আগস্ট ছাত্র জনতার ওপর হামলার অভিযোগ মোংলায় যুদ্ধজাহাজ দ্রুত মেরামতে বিশেষ ডকিং ফ্যাসিলিটি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত মোংলায় অভিযোগ নিষ্পত্তিতে অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের আস্থায় এগিয়ে চিলা ইউনিয়নের সালিশী টিম সাতক্ষীরা সদরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ একসাথে আওয়াজ তুলি, মাদককে না বলি রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন নিউজিল্যান্ডকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নকআউটে বেলজিয়াম কিবরিয়ার চোখ উপড়ে নেওয়ার সাবেক এমপি জাহেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৮২৯৭ বাংলাদেশি বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন সীমান্তে ভারতীয় পুশইন প্রতিরোধে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে শিক্ষক আবু শামাকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা। ভোলাহাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় গোসলে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু কালীগঞ্জে টেকসই ও সবুজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাংটিয়া-গজনী সড়কের মহিলা মার্কেট এলাকায় দুঃসাহসিক চুরি, পিডিবির ট্রান্সফরমার উধাও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার ‘ডলার বাণিজ্য’ প্রেমের বিয়ে, সাবেক স্বামীর ম্যাসেজে প্রাণ গেল তরুণীর যেভাবে মিলবে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ২৬ জুলাই প্রথম নারী মহাপরিদর্শক পেল ভূমি নিবন্ধন অধিদপ্তর দেড় বছর পর জনি হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেফতার খুলনায় হাসপাতাল থেকে চোর ও অজ্ঞানপার্টির  ২ নারী সদস্য আটক দাকোপের কামারখোলা প্রধান সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত, জনভোগান্তি চরমে নবাবগঞ্জে ডিএন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের অংশ বিশেষ প্রচারের অভিযোগ দেশে ভয়াবহ হারে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের জন্য দুঃসংবাদ খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি, নিহত ২ মাদক মামলার জট কমাতে পৃথক ট্রাইব্যুনাল প্রস্তাব করা হয়েছে রংপুরে সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের সঙ্গে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতার পরিস্থিতি নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য মোংলায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন পাটালি গ্রুপের দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার  ৮০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে শেরপুর পৌরসভা   ১৭ বছর পরও অমলিন পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম

কিবরিয়ার চোখ উপড়ে নেওয়ার সাবেক এমপি জাহেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কিবরিয়ার চোখ উপড়ে নেওয়ার সাবেক এমপি জাহেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকা থেকে ট্রেনে করে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন কিবরিয়া। কুমিল্লা রেলস্টেশনে নেমে যখন তিনি রিকশা নিয়ে বাড়ির পথ ধরেন, তখন রাত প্রায় ১টা। মাঝপথে হঠাৎ ২০-২৫ জন লোক তাঁর রিকশাটি ঘিরে ধরে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে টেনেহিঁচড়ে রিকশা থেকে নামিয়ে ফেলা হয়। কিবরিয়া তাঁদের চিনতে পেরেছিলেন-তাঁরা সবাই ছিলেন কুমিল্লার তৎকালীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য (এমপি) জাহেরের অনুসারী।

​রিকশা থেকে নামিয়েই কিবরিয়ার মাথায় কালো টুপি পরিয়ে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। এরপর গাড়িটি সরাসরি চলে যায় এমপি জাহেরের বাসভবনে। ​এমপির বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় এলোপাতাড়ি মারধর। এমপি জাহের নিজে কিবরিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন, তুই ছাত্রদল করিস কেন? বিএনপি করিস কেন? তোর সাথে কার কার যোগাযোগ আছে? ​কিবরিয়া আকুতি করে বলেছিলেন, আমি তো ভুল কিছু করছি না, কারও কোনো ক্ষতিও করিনি। আমার দোষটা কী? কিন্তু জাহের কোনো কথা না শুনেই নির্দেশ দেন নির্যাতনের। তিনি বলেন, তুই ছাত্র রাজনীতি করিস, বিএনপি করিস-এটাই তোর বড় দোষ। ​এরপর মোটা লাঠি দিয়ে অনবরত পেটানো হয় কিবরিয়াকে। এখানেই ক্ষান্ত হয়নি নির্যাতনকারীরা; তাঁর পুরো শরীরে দেওয়া হয় ইলেকট্রিক শক। তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার করার শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি, মুখ দিয়ে কেবল গোঙানির আওয়াজ বের হচ্ছিল। তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাচ্ছিল, বারবার একটু পানি চেয়েছিলেন, কিন্তু এক ফোঁটা পানিও তাঁর মুখে দেওয়া হয়নি। রাতভর চলে এই অমানুষিক ও বর্বর নির্যাতন। ​কিবরিয়া ভেবেছিলেন সকাল হলে হয়তো এই নরককুণ্ড থেকে মুক্তি পাবেন। কিন্তু সকাল হতেই নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা অপি একটি ধারালো ছুরি নিয়ে কিবরিয়ার চোখ দুটি উপড়ে ফেলতে উদ্যত হয়।

​প্রথম চোখটি উপড়ে ফেলার সময় কিবরিয়া হাতজোড় করে কেঁদে কেঁদে মিনতি করেছিলেন, দরকার হলে আমার একটা হাত কেটে ফেলো, তাও চোখ দুটো নষ্ট কোরো না। চোখ দুটো আমাকে ভিক্ষা দাও। কিন্তু সেই আকুতি হন্তারকদের মন গলাতে পারেনি। উল্টো চড়-থাপ্পড় মারতে মারতে তারা বলে, তোর চোখ দুইটাই উপড়াব, যাতে মরা মানুষের মতো বেঁচে থাকতে হয়। ​কয়েকজন শক্ত করে চেপে ধরে এবং ধারালো ছুরি দিয়ে কিবরিয়ার দুটি চোখই উপড়ে ফেলা হয়। চোখ উপড়ানোর সেই তীব্র ও নারকীয় যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কিবরিয়া গোঙানির সুরে চিৎকার করতে থাকেন। সেই চিৎকার আশেপাশে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। বেগতিক দেখে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা কিবরিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত কিবরিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত তাঁকে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও পিছু ছাড়েনি এমপি জাহেরের নিষ্ঠুরতা। চিকিৎসকেরা যাতে কিবরিয়াকে ভালো চিকিৎসা না দেন, সেজন্য হাসপাতালে গিয়ে হুমকি দেন এমপি। এরপর পুলিশ ডেকে দুই চোখ হারানো এই অসহায় তরুণের বিরুদ্ধে একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা দিয়ে হাসপাতাল থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করানো হয়। ​এখানেই শেষ নয়, এমপি জাহের কিবরিয়ার মাকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকেন। পরবর্তীতে যাতে কোনো আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করা না যায়, সেজন্য পুলিশ কিবরিয়ার মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর (সই) করিয়ে নেয়। ​এভাবেই দুটি চোখ হারিয়ে ২০১৬ সাল থেকে চিরতরে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন একসময়ের মেধাবী ছাত্র কিবরিয়া। অথচ চবিতে পড়ার সময় স্টুডেন্ট-বান্ধব নানা সামাজিক ও পরোপকারী কাজের জন্য তিনি বেশ পরিচিত ছিলেন। এর আগে তাঁর বড় ভাইকেও ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়েছিল এই এমপির লোকেরা।

​দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় তীব্র ভয় আর আতঙ্কে চুপ করে থাকতে হয়েছিল কিবরিয়ার পরিবারকে। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, গত জুন মাসে (২০২৬) এই নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত সবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন কিবরিয়া। ​আদালত প্রাঙ্গণে মামলা করতে এসে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। অশ্রুসিক্ত চোখে বলছিলেন, মানুষ মারা যাওয়ার পর অন্ধকার কবরে চলে যায়, কিন্তু আমি বেঁচে থেকেও পুরো পৃথিবীটা অন্ধকার দেখি। আপনারা তো আমার চোখ দুটো ফেরত দিতে পারবেন না, কিন্তু যারা আমার এই দশা করেছে, তাদের বিচারটুকু শুধু করে যান। ​কিবরিয়ার এই নির্মম ট্র্যাজেডি আওয়ামী আমলের সামগ্রিক বর্বরতার একটি খণ্ডচিত্র মাত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভুক্তভোগীদের মতে, স্বাধীনতার পর থেকেই এই দলটির ইতিহাস রক্তরঞ্জিত। জাসদ কর্মী ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, শাপলা চত্বরের ট্র্যাজেডি, বিডিআর বিদ্রোহের নেপথ্যের হত্যাকাণ্ড এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যা-সবই এক সূত্রে গাঁথা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে ৭,৬৯২ জনকে এবং অসংখ্য নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

​অথচ সাধারণ মানুষের ওপর এমন ভয়াবহ নৃশংসতা চালানো এই রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আজও ছাত্রলীগ-যুবলীগকে মিছিল ও শোডাউন দিতে দেখা যায়। এত রক্তের দাগ হাতে লেগে থাকার পরও তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বা অনুতপ্ততা নেই। ​দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্তমানের কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতাও এখন আওয়ামী লীগের প্রতি একধরনের সহানুভূতি দেখাচ্ছেন এবং তাদের নিষিদ্ধ করার দাবিতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই সহানুভূতিশীল নেতাদের প্রতি প্রশ্ন-আপনারা কি একবারের জন্যও কিবরিয়ার উপড়ে ফেলা চোখ দুটির দিকে তাকিয়েছেন? দেখতে পেয়েছেন সেখানে কতটা নৃশংসতা আর বর্বরতা লুকিয়ে আছে? ​মাস্টার্সের ছাত্র কিবরিয়ার স্বপ্ন ছিল স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা (পিএইচডি) সম্পন্ন করবেন। দেশে ফিরে দেশের জন্য কিছু করবেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটাবেন। কিন্তু আজ সেসব স্বপ্ন শুধুই অতীত। কিবরিয়া কিংবা আবরার ফাহাদের মতো অসংখ্য সম্ভাবনাময় তরুণের স্বপ্নকে চিরতরে পিষে মেরেছে এই রাজনৈতিক দল। ​কিবরিয়া এখন রাতে ঘুমাতেও ভয় পান। ঘুমালেই স্বপ্নে বারবার ভেসে ওঠে তাঁর সেই হারিয়ে যাওয়া চোখ দুটির কথা, তাঁর সেই হাসিখুশি দিনগুলোর কথা। দেশের মানুষ হয়তো সময়ের নিয়মে আওয়ামী লীগের এই নৃশংসতার কথা ভুলে যাবে, কিন্তু কিবরিয়ার মতো হাজারো ভুক্তভোগী পরিবার এই ক্ষত সারাজীবনেও ভুলতে পারবে না। আমাদের দিন হয়তো ভালোই কেটে যাবে, কিন্তু প্রতিবার স্বপ্নে অন্ধকার দেখার সময় কিবরিয়ার মনে পড়বে-তাঁরও একটা সুন্দর স্বপ্ন ছিল, একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ ছিল।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মোল্লা কলেজের সামনে ট্রাকের ধাক্কায় মো. আরাফাত (১৯) নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত রাত সোয়া দুইটার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আরাফাতের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের মুন্সীকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম রুহুল আমিন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল মেঝ। নিহত আরাফাতের বাবা রুহুল আমিন জানান, আমার ছেলে গত বছর মুন্সিগঞ্জ সদর স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেছিল। এরপর সে যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি মোবাইল এক্সেসরিজের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। গতরাতে এক বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে ঘুরতে বেরিয়েছিল। পরে আমরা জানতে পারি মোল্লা কলেজের সামনে ট্রাকের ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে আমরা তাকে

আরও পড়ুন
language Change