তারিখ লোড হচ্ছে...

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সৌমেন সাহা ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ১২-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের বড় সুখবর দিল সরকার জ্বালানি সচিবের ভাওতাবাজি ‘সিন্ডিকেট ভাঙতে এলপিজির বাজারে আসছে বিপিসি’ চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে: প্রধানমন্ত্রী কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ইউএনও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান চট্টগ্রামে জোয়ারে ভেসে আসা অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রংপুরে টিকে গ্রুপের কারখানার বিষাক্ত শিল্পবর্জ্যে মরছে মাছ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৭১ গ্রেফতার জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাংগঠনিক ও পরিচিত সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেনের ১৮ শতাংশই বস্ত্র খাতের দখলে গলাচিপায় সর্বসাধারণের জন্য সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নলডাঙ্গায় ব্যাটারিচালিত গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত দুর্যোগে মানবিক উদ্যোগ: বরকলে বন্যার্তদের পাশে সুবিমল চাকমা নাটোরে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা ঢাকা মেডিকেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের কোর্তোয়ার ভবিষ্যদ্বাণী, কে হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ টেলিগ্রামে এইচএসসির প্রশ্ন বিক্রির কারবার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও বিএনপি নেতা  বুলুকে পূর্বের পদে পূর্ণবহাল'এর দাবিতে প্রতিবাদ সভা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ৩৪ শতাংশ ঋণই খেলাপি তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়ায় হচ্ছে ড্রোন কারখানা: মীর শাহে আলম ডিএসসিসির পিডি রাজীব খাদেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি ও হত্যা মামলার অভিযোগ রাজউকে বেপরোয়া সোহাগ মিয়ার সিন্ডিকেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাচ্চুর ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী কুমু বেগমকে নির্যাতনের অভি... সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে শিশুর মৃত্যু দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে  বিজিবি, শতাধিক পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা... কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্য রংপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত: বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে: প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে মামলা চেয়ে থানায় তরুণ, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি সরকারে ভাবমূর্তি বিনষ্টে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী: রিজভী মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢলে মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি, ভাঙন আতঙ্কে সোমেশ্বরী নদী তীরবর্তী মানুষ দুর্গত মানুষের পাশে সরকার, প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সুনামগঞ্জের শাল্লায় চলন্ত নৌকায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার কাঁথা,বালিশ নিয়ে বিএনপি,র কার্য়ালয়ে আশ্রয় নিলেন-স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা বিশ্বকাপের খেলা দেখা নিয়ে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্র শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করল নতুন কমিটি যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন আইপিও প্রক্রিয়া সহজ হবে, পাবলিক ইস্যু রুলস বদলাচ্ছে শিগগিরই সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে পরিবর্তন পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের আভাস সিলেট-চট্টগ্রামে ১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার উপরে পানি: বন্যার শঙ্কা

মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে

মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিস দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির গুঞ্জনে মুখর। দেশের সাব রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর দুর্নীতির গল্প নতুন নয়—এখানে সেবা পেতে হলে প্রথম শর্তই হলো ঘুষ, আর ঘুষ না দিলে কোনো কাজ সময়মতো এগোয় না। কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি যেন নৈমিত্তিক ব্যাপার; “টাকা দিলে সেবা, না দিলে অপেক্ষা” এই সংস্কৃতি বহুদিন ধরেই প্রতিষ্ঠিত। তবে মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদির এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সহকারী সাব রেজিস্টার হারিস এই দুর্নীতিকে যেন আরও সংগঠিত, পরিকল্পিত ও ভয়াবহ স্তরে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে সেবা গ্রহীতা ও দালালদের মুখে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুল কাদির তার পছন্দের সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পোস্টিং নিতে কয়েক কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন করেন, আর সেই টাকা তোলার জন্য তিনি ক্ষমতা ও দায়িত্বের অপব্যবহার করেন প্রকাশ্যে। জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধনের প্রতিটি ধাপে ঘুষ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ফাইল দিনের পর দিন আটকে রাখা হয় বা বিনা কারণে ত্রুটি দেখিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। অফিসের দালাল চক্রকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। যারা বাধ্য হয়ে ঘুষ দেন, তাদের কাজ অল্প সময়েই সম্পন্ন হয়—এ যেন প্রতিষ্ঠিত ‘দুর্নীতির কাস্টমার সার্ভিস’।

অন্যদিকে আব্দুল কাদিরকে দুর্নীতির নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সরাসরি সহায়তা করেন সহকারী সাব রেজিস্টার হারিস। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বাসিন্দা হারিস গত কয়েক বছরে অবৈধভাবে আয় করেছেন কোটি কোটি টাকা—এমন অভিযোগ স্থানীয় সূত্রের। তার নিজ গ্রামে ইতোমধ্যে পাঁচতলা বিশিষ্ট একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করেছেন, যার নির্মাণব্যয় তার বেতন-ভাতার সঙ্গে কোনোভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। শুধু তাই নয়, রাজধানীর মিরপুর এলাকায় রয়েছে হারিসের নামে বাড়ি ও একাধিক ফ্ল্যাট। তার আর্থিক সাম্রাজ্য দিন দিন বিস্তৃত হলেও কোথা থেকে আসে এই বিপুল অর্থ—তা তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

এদিকে সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদিরের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন উঠেছে। সহকর্মী ও সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ—আব্দুল কাদিরের সম্পত্তির তালিকা এতই দীর্ঘ যে তার কোনো শেষ নেই। রাজধানী ও অন্যান্য জেলায় তার নামে বা পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটের তথ্য ঘুরছে আলোচনায়। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিদিন যে পরিমাণ ঘুষ লেনদেন হয় তার একটি বড় অংশ আব্দুল কাদিরের ব্যক্তিগত নির্দেশে সংগ্রহ করা হয়। ঘুষের হার নির্ধারণ থেকে শুরু করে দালালদের মাধ্যমে সংগ্রহ পর্যন্ত—সব ক্ষেত্রেই তার সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই দুই কর্মকর্তার কারণে পুরো মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নৈরাজ্যকর ও দুর্নীতিপরায়ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কাজ করতে গেলেই সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়। দলিল নিবন্ধনের মৌলিক সরকারি সেবাকে তারা ব্যক্তিগত লুটপাটের উৎসে পরিণত করেছেন। অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো কঠোর তদারকি না থাকায় দুর্নীতিবাজদের দাপট আরও বেড়ে গেছে। যত দিন না এসব দুর্নীতির শিকড় উন্মোচন করে শাস্তির আওতায় আনা হবে, ততদিন সাধারণ মানুষের আর্থিক ও সামাজিক ভোগান্তি অব্যাহত থাকবে—এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগীরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পাকা আম খেলে ডায়াবেটিসের রোগীদের বাড়বেনা সুগার

স্টাফ রিপোর্টার: আম পুষ্টিকর ফল। এই ফলের মধ্যে ভিটামিন সি, এ, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, পটাশিয়াম প্রায় সব ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এছাড়া রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শর্করা ও ক্যালোরি। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা পাকা আম খাবেন কি না, তা নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকেন। ভারতের খ্যাতনামা ডায়েটেশিয়ান অনুশ্রী মিত্র বলছেন, ডায়াবেটিসের রোগীরাও পাকা আম খেতে পারেন। কিন্তু কয়েকটি নিয়ম মেনে খেতে হবে। তিনি বলেন, ‘উচ্চ পরিমাণে ফ্রুটোজ থাকলেও আমে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী।’ ডায়াবেটিসের রোগীরা যেভাবে আম খাবেন ডায়াবেটিসের রোগী না হলেও ইচ্ছে মতো পাকা আম খাওয়া চলবে না। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে। একটা বড় সাইজের আম গোটা না খেয়ে, তা সকাল-বিকাল ভাগ করে খান। একটা আম সারাদিন ধরে খেলে সুগার লেভেল বৃদ্ধির আশঙ্কা

আরও পড়ুন
language Change