তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কালীগঞ্জে তিন কর্মসূচি: ভিক্ষুক পুনর্বাসন, কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও শিশুশ্রমবিরোধী র‍্যালি সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন ভুজপুরে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মাদ্রাসায় অতর্কিত হামলা ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সওজের সংস্কার অভিযান ফরিদপুর ভাঙ্গা ব্লেড দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী রাউজানে জেঠাতো ভাইয়ের গাছের টুকরোর আঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল ৮ ফুটের বার্মিজ অজগর আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে বেঁধে নির্যাতন দেশের অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসে ২ হাজারের বেশি ক্যাডার পদ শূন্য হামলা বন্ধ করে আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, সাংবাদিকতার আড়ালে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গোসাইরহাটে সিএনজি ও অটোরিকশায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ চালকেরা দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই গ্রুপ পর্বের ঝড় শেষে নকআউটে নতুন সমীকরণ গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ গিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঋণ, অনিয়ম, প্রশাসনিক ধীরগতির অভিযোগ কফিশপে টেবিল পরিষ্কার করতেন, এখন তিনি বলিউড তারকা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি জরুরি ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় ইমাম আটক কামরাঙ্গীরচরে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যার অভিযোগ হাদি হত্যা মামলা: পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পেছাল রাঙামাটির ছোটহরিনা বিজিবির অভিযান; নৌকাভর্তি সার জব্দ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী ফল উৎসবের শুভ উদ্বোধন রাঙামাটিতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধন পরকীয়ার জেরে ইতালিতে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে নোয়াখালীতে গুলি, আহত ৬ সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সফল অভিযান: নিহত দুলাভাই বাহিনীর ১ সদস্য, আটক ২ মোংলায় বিএনপি নেতার নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার ​ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝিনাইগাতী প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ: পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব বাঁশখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসর সুবিধা অনিষ্পন্ন আছে ৬৭ হাজার আবেদন: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকায় আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আটক  ভিটামিন এ ক্যাপসুলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে

প্রবাসে জমজমাট মাদক ব্যবসা সেনবাগের সাগর কাতার॥ মন্সীগঞ্জের মানিক সৌদি আরব

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক॥
ঢাকা থেকে কর্মস্থলে ফেরার সময় কুয়েত বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন ময়মনসিংহের নাজমুল। তার কাছ থেকে পাওয়া যায় ১০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট। এটাই প্রবাসে সবচেয়ে বেশি মাদকসহ বাংলাদেশি আটকের ঘটনা। তবে আকারে এত বড় না হলেও গত কয়েক বছরে প্রায়শই প্রবাসে মাদক ব্যবসার দায়ে আটক হচ্ছেন বাংলাদেশিরা। এক সৌদি আরবেই প্রায় ৬০০ বাংলাদেশি আটক হয়েছেন মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার দায়ে। সৌদি আরবের মতো আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বাংলাদেশ থেকে মাদক পরিবহনের তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা বাংলাদেশের তিন দূতাবাস থেকে মাদক ব্যবসায় প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার বিষয় উল্লেখ করে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। অবশ্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা মালয়েশিয়া নয়, ইউরোপের দেশ ইতালিতেও গত বছরের মাঝামাঝি ইয়াবাসহ আটক হয়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসী। দূতাবাস সূত্র জানায়, যে কোনো ধরনের মাদক গ্রহণ, পরিবহন ও বিক্রি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে খুনের চেয়েও ভয়ঙ্কর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। কিন্তু একশ্রেণির বাংলাদেশি কর্মী মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন। অনেক ক্ষেত্রে পাকিস্তানিদের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হয়ে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করা হচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেই মাদক বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কেউ কেউ বাইরেও বিক্রি করছেন। ঢাকা থেকেই হাতে বা কার্গোতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গাঁজা বা ইয়াবা। মধ্যপ্রাচ্যে এ ধরনের খুচরা ব্যবসায়ীর সংখ্যা হাজারখানেক ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের গুটিকয় অপরাধীর জন্য ৫০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশির কর্মস্থল মধ্যপ্রাচ্যে আরেক দফায় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর আগে নরসিংদী জেলার বাখরনগর গ্রামের মৃত জহির আলীর ছেলে শহিদ মিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যে মাদক চোরাচালানের অন্যতম হোতা হিসেবে সরকারকে অবহিত করেছিল বাংলাদেশ দূতাবাস। শহিদ এখন কারাগারে। প্রতিবেদন পাঠিয়ে বলা হয়েছিল, নতুন আসা বাংলাদেশিদের হাতে ঢাকা থেকেই ওষুধের প্যাকেটের ভিতর মাদক ঢুকিয়ে তা আবুধাবিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তিনি বাজারজাত করে আসছিলেন। পাকিস্তানিদের নিয়ে তিনি আবুধাবিতে একটা সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। আর তার অপকর্মে অংশ নিতে বাধ্য করা হয় নতুন আসা কর্মীদের। শফিকুল ইসলাম (পাসপোর্ট নম্বর-বিবি-০৩৮৭২৫৩) নামে এক বাংলাদেশি আবুধাবি প্রবেশের সময় সেখানকার বিমানবন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দা দফতর তার কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করে। শফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদেই পাওয়া যায় শহিদ মিয়ার তথ্য। আমিরাতের শহিদের মতো সৌদি আরবে মাদক পাচারের দায়ে কারাগারে আটক আছেন ইকবাল আলী। তার পাঁচ বছরের জেল ও ৫০০ বেত্রাঘাতের রায় হয়েছে। মাদক পাচারের অভিযোগে আটক রয়েছেন শামীম মোহাম্মদ ও আবু জাফর তনু। তাদের প্রথমে ওষুধ পাচারের দায়ে আটক করা হলেও পরে অধিকতর তদন্তে বেরিয়ে আসে আসলে তারা মাদক পাচারে সম্পৃক্ত ছিলেন। দূতাবাসের প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এ ধরনের ঘটনা ‘খুবই অপরিচিত’ মন্তব্য করে আরও বলা হয়, বাংলাদেশিদের এ ধরনের অপরাধে জড়িত হওয়ার বিষয়টি ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশে। এতে বাংলাদেশের সুনাম বহুলাংশে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আর এসব মাদক ব্যবসা করছে একটি সিন্ডিকেট এই সিন্ডেকেটে রয়েছে নোয়াখালীর সেনবাগ খানা এলাকার এস এম সাগর যে কিনা কাতার এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে, আর মুন্সীগঞ্জের মোঃ মানিক হোসেন নিয়ন্ত্রন করে সৌদি আরব।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়া এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের সহায়তায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মাদক ব্যবসা করা এক ব্যক্তি আটক হন। তার কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। তার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সৌদি আরব, আমিরাত, কুয়েত, ওমানে ইয়াবা ব্যবহার ও চাহিদা বেড়েছে। তবে সেখানে মাদক পাওয়া এত সহজ নয়, কারণ এসব দেশ ইসলামিক নিয়মে চলে। ফলে প্রবাসীদের মধ্যে দেশ থেকে মাদক নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা শুরু হয়। আগে বেশি পরিমাণে গাঁজা পাঠানো হলেও এখন সবচেয়ে বেশি যায় ইয়াবা। কারণ পরিবহনে সুবিধা। প্রবাসী পরিচিত কেউ ছুটিতে দেশে এলে ফিরে যাওয়ার সময় তাদের কাছে না জানিয়ে বা জানিয়ে বিভিন্ন ঠিকানার ব্যক্তিদের কাছে মাদক পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিশেষত পিঠা, বিভিন্ন শুকনা খাদ্য ও আচারের ভিতর মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে দেন এসব চক্রের লোকেরা। সব থেকে আচারের ভিতর ইয়াবা ঢুকিয়ে দিলে বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় ধরা পড়ে না বলেও ওই পাচারকারী জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এসব বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বেশ কিছু ‘ফ্রি ভিসা’র প্রবাসী। তারা কাজ না করে বেশি অর্থ উপার্জনের জন্য গোপনে প্রবাসেই ব্যবসা করছেন। প্রতি পিস ইয়াবা বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করে চার থেকে পাঁচগুণ দামে এক-দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পদত্যাগ করলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষক

পদত্যাগ করলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষক

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনায় প্রক্টর, প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ প্রায় ২০ শিক্ষক তাদের অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে একযোগে পদত্যাগ করেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল যোগাযোগমাধ্যমে পৃথক বার্তার মাধ্যমে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নায়লা ইয়াসমিন।  তিনি জানান, নানা ধরনের অসন্তোষ ও ক্ষোভের কারণে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা প্রায় ২০ জন শিক্ষক আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আগামীকাল অফিস সময়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বললে বিস্তারিত জানতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিক বার্তা দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুল আলম, সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সাবাব জুলফিকার, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা

আরও পড়ুন
language Change