জাহাঙ্গীর আলমঃ
ঢাকা তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়ি এলাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায় গণপূর্তের তেজগাঁও এলেনবাড়ি সম্পদ বিভাগের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের কারণে অভিযোগ করেছেন বিভাগটির কয়েকজন নিবন্ধিত ঠিকাদার । অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ২০২৪-২৫ ও ২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন সরকারি বাসভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে প্রায় ৮ কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে। ঠিকাদারদের দাবি বাস্তবে কাজ শেষ না করেও বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এমনকি সম্পদ বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ত থাকার কথা ও উঠে এসেছে। এদের মধ্যে স্টাফ অফিসার, সহকারী প্রকৌশলী, অফিস সহকারী-কাম-এস্টিমেটরদের ও নাম রয়েছে। এদিকে চলতি মাসে আহ্বান করা দুটি টেন্ডার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ঠিকাদার। তাদের অভিযোগ, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট একজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়। বঞ্চিত ঠিকাদারদের দাবি, প্রায় ২৫ জন ঠিকাদার এ প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছেন। গত ৪ মে ২০২৬ যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে সে টেন্ডারে সুইমিং পুল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
এছাড়া এলেনবাড়ি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ১ নং ও ২ নং ভবনের মেরামতের নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১নং ভবনে বসবাস কারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা প্রতিবেদককে বলেন, গত দুই বছরে বিল্ডিংয়ে কোন সংস্কারের কাজ হয়নি। অন্যদিকে ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। সেখানে বলা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিতভাবে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। তেজগাঁও এলেনবাড়ি সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল নিয়োগে অনিয়মের ব্যাপারে জানতে সেখানকার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মিটিংয়ে আছি পরে ফোন দিবো বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। কিন্তু ফোন না ধরার কারণে পরবর্তীতে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত