তারিখ লোড হচ্ছে...

সুন্দরবনে দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আগামীকাল থেকে মফস্বলে স্বাভাবিক প্রসবের দৃষ্টান্ত চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতাল অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্য অগ্রণী ব্যাংক সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টমস কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমানকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কেশবপুরে নজরুল বর্ষ-২৬/২৭-এর উদ্বোধন বরগুনার তালতলী ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাগজে স্বাক্ষর করে না কানুনগো সজল ফোন থেকে গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁস হয় যেভাবে অভিষেক ম্যাচেই ৩ গোল হজম করলেন মার্তিনেজ মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বিবাহিত পুরুষদের যে বিষয়ে সতর্ক করলেন অমিতাভ নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে খাগড়াছড়িতে শান্তি- সম্প্রীতি বজায় রাখতে জেলা পরিষদের প্রতি রিজিয়ন কমান্ডারের আহ্বান সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফাইনাল খেলা. টাইব্রেকারে কালিগঞ্জ কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি দল বিক্রি ও মুনাফায় বড় ধাক্কা ওয়ালটনের সংসদের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যা, উদ্ধার মোটরসাইকেলের রং নিয়ে প্রশ্ন লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা গ্রেফতার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেবিদ্বারের ধামতী (দঃ) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব ফিরোজের রাজত্বে ভূমি অফিস জাকারিয়া-সোহাগ মিয়া সিন্ডিকেটে রাজউকে লুটপাট নারী-শিশু ট্রাইব্যুনালসহ বিচারকশূন্য আদালতে দ্রুত নিয়োগের দাবি বরগুনায় পুরুষদের সচেতন করতে জেন্ডার ভূমিকা পরিবর্তন কার্যক্রম পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন ম্রাসাথোয়াই মারমা পরিবেশ রক্ষায় সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই: ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় পাবনা গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি জালিয়াতির অভিযোগ অবৈধ ব্যবসায় গণপুর্ত ডিপ্লোমা উপসহকারী পাঁচ প্রকৌশলী এখন মিনি শিল্পপতি স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা বা আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ৩ ফুট করে খুলল কাপ্তাই বাঁধের ১৬ গেট, সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন হৃদয়ে ঢাকা–৪১৬ বছর পূর্তির পুরান ঢাকায় বর্ণিল শোভাযাত্রা রাতের আঁধারে সাবেক সচিবের জায়গা দখলের অভিযোগ শেরপুর সীমান্তে ৭০৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল হোতারা সাতক্ষীরার স্পাইন ও অর্থোপেডিক চিকিৎসায় ৫ হাজারের বেশি সফল অপারেশন ডাঃ মাহমুদুল হাসান পলাশের- সুস্থ ... দীঘিনালায় তৃতীয় দফায় বন্যা, পানিবন্দি শতাধিক পরিবার লংগদুতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কেশবপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ২৬ সেপ্টেম্বর: নেতৃত্বের মসনদে কে? প্রার্থী-সমর্থকদের ঘিরে নানা জল্পনা... কামরাঙ্গীরচরের ঐতিহ্যবাহী লোহার ব্রিজ সংস্কার শেষে উদ্বোধন পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে সুন্দরবন দেশে বিদ্যুৎ ও সারের সংকট দ্রুত সমাধান হবে -নাটোরে হুইপ দুলু বিশ্বম্ভরপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ফুচকা,কাভার্ডভ্যানসহ ৬৫ লাখ টাকার মামলামাল জব্দ সিলেটে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃব্দের সাথে সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দে... নাটোরের নলডাঙ্গায় হালতি বিলের পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশাসনের উদ্যোগ রাঙামাটি জেলা পরিষদ হবে জনগণের পরিষদ, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি-দীপন তালুকদার দীপু অফিস শেষে বাসায় ফেরা হলো না পোশাকশ্রমিক দিনা বেগমের গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বিপিসির কর্মকর্তা এটিএম সেলিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন ডিএই তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ

অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্য অগ্রণী ব্যাংক

পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোটারঃ

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির দুটি বিদেশি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান অগ্রণী এক্সচেঞ্জ হাউজ মালয়েশিয়া এবং অগ্রণী এক্সচেঞ্জ হাউজ সিঙ্গাপুর-এ গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা এখনও দায়িত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠান দুটিতে অনিয়ম, অর্থ অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

২০১৭ সালের পহেলা জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ৭ বছরেরও বেশি সময়ের আর্থিক হিসাব পর্যালোচনায় উঠে আসে এই কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন দিক। দীর্ঘ এই পর্যালোচনায় তহবিল তসরুপ, বিধি লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, পকেট ব্যাংকিং এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন নিরীক্ষকরা। তাদের ভাষায় এসব অনিয়ম ব্যাংকিং নীতিমালা, আর্থিক শৃঙ্খলা ও সুশাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং এর অনেকগুলোই সরাসরি ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসব কর্মকর্তাদের অনিয়ম প্রমাণ হওয়া সত্ত্বেও কোন প্রকার শাস্তির ব্যবস্থা না করে বহাল-তবিয়তে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক। এতে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। ব্যাংকটি দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে কিনা এ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজ এসডিএন, বিএইচডি মালয়েশিয়ায় আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত কর্মকর্তারা হলেন, সাবেক সিইও ও পরিচালক সুলতান আহমেদ, খালেদ মোরশেদ রিজভী, লুৎফর রহমান ও ওয়ালি উল্যাহ। অপর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান অগ্রণী এক্সচেঞ্জ হাউজ সিঙ্গাপুরে আর্থিক অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তারা হলেন সাবেক সিইও ও পরিচালক আবু সুজা মো. শরিফুল ইসলাম, মীর বায়েজিদ হোসেন ও ব্যবস্থাপক মনসুর আলী।

যেভাবে হয়েছে অনিয়ম
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের অনিয়মের তথ্য বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, অগ্রণী এক্সচেঞ্জ হাউজ এসডিএন, বিএইচডি, মালয়েশিয়ার সাবেক সিইও সুলতান আহমেদের নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে সেখানে পরিবার নেয়ার বিধান না থাকলেও তিনি তা মানেননি। দুই তিন মাসের মধ্যে পরিবার নিয়ে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করে অনৈতিকভাবে চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষা ভাতা গ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত গাড়ির জ্বালানি ও টোল বিল পরিশোধ করেছেন প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে। নতুন শাখা খোঁজার নামে ভ্রমণ ব্যয় দেখানো হলেও বিল পরিশোধের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। দোকানভাড়া বাবদ প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট হিসেবে জমা না করে সিইও সুলতান তার নিজ পকেটে রেখে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শাখা পরিদর্শনের নামে পরিবহন ব্যয়, যথাযথ অনুমোদন ছাড়া প্রশিক্ষণ ব্যয় এবং বোর্ড সভার উপস্থিতি ভাতা গ্রহণে নির্ধারিত নীতিমালা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুধু বোর্ডসভা ভাতা খাতে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনের পরিমাণই ৩০ হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশি টাকায় ৯ লাখ ৯০ হাজার ৯শ টাকা)।

অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজ এসডিএন বিএইচডি, মালয়েশিয়ার নিরীক্ষা প্রতিবেদনের মাত্র ৭টি আপত্তিতেই উঠে এসেছে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৬৮ দশমিক ৩৭ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের (৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬ হাজার ২৬ টাকা) অনিয়ম। এখানে সুলতান আহমেদের বিরুদ্ধে একাই ৫২ হাজার ৯শ ৪৩ রিঙ্গিতের (১ কোটি ৬০ লাখ ৫৭ হাজার ৬১ টাকা) অনিয়মের দায় পাওয়া গেছে।

সাবেক সিইও খালেদ মোরশেদ রিজভীর বিরুদ্ধে ১৬ হাজার ৫শ ৮৪ রিঙ্গিত (৫ লাখ ২৯ হাজার ৯২ টাকা) অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। তিনি নিয়ম লঙ্ঘণ করে এআরএইচ তহবিল থেকে ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি বিল ও টোল বাবদ খরচ করেন। এছাড়া নির্দেশনা অনুসরণ না করে বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত বাবদ সম্মানী গ্রহণের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে।

এছাড়া সাবেক সিইও লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে নির্দেশনা অনুসরণ না করে বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত বাবদ ৬ হাজার রিঙ্গিত (১ লাখ ৮১ হাজার ৯শ ৮০ টাকা) সম্মানী গ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে। একই অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে সাবেক সিইও ওয়ালী উল্লাহর বিরুদ্ধে, তিনিও নির্দেশনা অনুসরণ না করে বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিতি বাবদ ২ হাজার রিঙ্গিত সম্মানী গ্রহণ করেন।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অগ্রণী একচেঞ্জ হাউজ প্রাইভেট লিমিটেড সিঙ্গাপুরের ব্যপারে আরও গুরুতর আপত্তি উত্থাপিত হয়। নিরীক্ষকরা এখানে ডজনখানেক গুরুতর আপত্তি চিহ্নিত করেন। এতে জড়িত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ৬ হাজার ৪শ’ ৪ দশমিক ৯২ সিঙ্গাপুর ডলার (যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ কোটি ২ লাখ ৪২ হাজার ৪শ’ ৪৯ টাকা)। এর মধ্যে মাত্র ৪৭ হাজার ৭৪ ডলার আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে এখনো অনাদায়ী রয়েছে ৫৯ হাজার ৩শ’ ৩ দশমিক ৭৮ ডলার।

প্রতিবেদনে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক সিইও ও পরিচালক আবু সুজা মো: শরীফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৬৩ হাজার ৭শ’ ২০ ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রবাসীদের জমাকৃত অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে তিনি তা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করেছেন এবং হুন্ডি চক্রের সাথে যোগসাজশে অবৈধ লেনদেন পরিচালনা করেছেন। রেমিট্যান্স জমাদানকারীর সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে ব্যাংক থেকে অর্থ পরিশোধ করা হলেও কভার ফান্ড যথাসময়ে ফেরত না দেয়ায় ব্যাংককে বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, দেশে ফেরার সময় তিনি ক্যাশের হিসাব বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হন। এমনকি তৎকালীন ব্যাংক ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তে ব্যাংকের খরচে তাকে পুনরায় সিঙ্গাপুর পাঠানো হলেও ঘাটতি অর্থের হিসাব দিতে পারেননি। দীর্ঘ সময় পার হলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়াকে নিরীক্ষকরা নজিরবিহীন ও উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।

সাবেক সিইও ও পরিচালক মীর বায়েজীদ হোসাইনের বিরুদ্ধে ১৬ হাজার ৫শ ৮৫ ডলারের অনিয়মের দায় পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে পূর্ববতী সিইওর দুর্নীতি আড়াল করা এবং প্রকৃত তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে। নিরীক্ষকদের ভাষায়, আয়ের অর্থ যথাযথ হিসাবে না দেখানো, অনুমোদন ছাড়া ব্যয়, প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং পকেট ব্যাংকিং য়ের মাধ্যমে এই অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এছাড়া নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ফরেন রেমিট্যান্স বিভাগের সাবেক ব্যবস্থাপক ও পিও মুনছুর আলীর ব্যপারে ২১ হাজার ৬শ ৯৯ সিঙ্গাপুরি ডলারের আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে। তিনি বেতন ভাতাদি বাবদ অতিরিক্ত এই টাকা গ্রহণ করেন।

ট্রেজারী ডিভিশনের সাবেক সিইও ও পরিচালক হুমায়ুন কবির নীতিমালা অনুসরণ না করে সিইও কর্তৃক পরিচালক হিসেবে পর্ষদ সভায় অংশগ্রহণ করে ৫শ’ ডলার ভাতা হিসেবে গ্রহণ করেন।

জানা যায়, নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসব আপত্তি উত্থাপিত হওয়ার পর আত্মসাৎ করা অর্থ কেউ কেউ ফেরতও দিয়েছেন।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, অনাদায়ী অর্থ আদায় এবং ফৌজদারি তদন্ত ছাড়া ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু প্রশাসনিক তদন্ত নয়- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী তদন্ত, সম্পদ জব্দ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রতিবেদন এখন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ব্যবস্থার জন্য একটি পরীক্ষার কাগজ। এটি যদি অতীতের মতোই ফাইলবন্দী হয়ে যায়, তবে তা হবে অপরাধীদের জন্য নীরব সুরক্ষা বর্ম। আর যদি সত্যিকার অর্থে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়, তবে সেটিই হবে সুশাসন ও জবাবদিহির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

এসব বিষয়ে জানতে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আনোয়ারুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জানতে চাওয়া হলে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান হলেন সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমরা খোঁজ খবর রাখছি, কেউ অপরাধী সাব্যস্ত হলে অবশ্যই তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বন্ধ হলেই গণতন্ত্র রুদ্ধ হয় – ডক্টর ইমরান আনসারী

  মুহা.শরীফ সুমন।। “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বন্ধ হলেই গণতন্ত্র রুদ্ধ হয়”—এমন মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. ইমরান আনসারী। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) কুমিল্লার বুড়িচং প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ড. আনসারী বলেন, “গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এটি অবাধ ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা মুখ থুবড়ে পড়ে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যখন বিশ্বজুড়ে গুজব, অপপ্রচার এবং মিথ্যা তথ্যের বিস্তার ঘটছে, তখন সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো একটি স্বাধীন গণমাধ্যমই হতে পারে একমাত্র শক্তিশালী অস্ত্র। কিন্তু সরকার বা ক্ষমতাসীন মহল যদি সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে, তাহলে গণতন্ত্র ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং একসময় তা বিলুপ্তির পথে যায়।” উল্লেখ্য, ড. ইমরান আনসারী দীর্ঘ ১৩ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেছেন এবং

আরও পড়ুন
language Change