তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শতকোটি টাকার সরকারি জমি সানভিউ টাওয়ার্সের দখলে ঝিনাইগাতীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এমসিজিএল’র অর্থায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ​সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ জিয়াউলের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চলছে : চিফ প্রসিকিউটর ঝরা বকুল-এ মনিরা হয়ে হৃদয় ছুঁয়েছেন সুনেরাহ জনসেবার রাজনীতি থেকে মেয়র ভাবনায় সাইদুর রহমান বাচ্চু আন্তর্জাতিক অর্থনীতি অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের ৫ শিক্ষার্থী সাকিব আল হাসান গ্রেফতার কেশবপুরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ গণপূর্ত প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বাকেরগঞ্জে একই রাতে ৫ বাড়িতে চুরি ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার ভোলাহাটে গুজবের ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১; আহত ১২: গ্রেফতার আতঙ্কে স্থানীয়রা গ্রামছাড়া! মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর রায় ৩০ জুন ফেসবুকে আলেমের বিরুদ্ধে বাপ-ছেলের অপপ্রচার খারিজ বাতিলের ২ দিন পরই নতুন খতিয়ান সিরাজগঞ্জে একাত্তর টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দ্বিতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে রামগড় বিজিবি পরিচালিত কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরন মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত তরুণের মৃত্যু মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিশর মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাভারে বজ্রপাতে ক্ষেতের মালিকসহ তিন কৃষকের মৃত্যু রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান যমুনার তীরে বাঁধ ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের বাসিন্দারা পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যালয়ের সংস্কার এবং শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পরিবেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ৩ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিতরণ ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কেশবপুরে ড. সুকুমার রায়ের স্বরণে শিক্ষাবৃত্তি চালু বগুড়ার সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসককে সন্মননা স্মারক প্রদান ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ক্যারাম একক রানার্সআপ ও দ্বৈত খেলায় চ্যাম্পিয়ন মমিনুর রশীদ শাইন জাতীয় কবি দর্শন ছড়িয়ে দিতে ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের সিদ্ধান্ত বিদেশি শিক্ষার্থীদের শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ৪৩ বছর বয়সে মা হচ্ছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আদ্‌-দ্বীনের প্রতি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংহতি, দ্রুত চালুর দাবি‎ ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম পিয়ালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ মাদ্রাসার আড়ালে রাস্তা দখলের মহোৎসব, আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ইরানকেই জয়ী মনে করছে ইসরায়েলি ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি: অর্থমন্ত্রী দুর্নীতির মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে ১১ বলে ফিফটি করে সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ড বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন থেকে 'এম উদ্দিন' ছদ্মনামের টেস্ট সিন্ডিকেট দুর্নীতি, সন্ত্রাস মুক্ত ও বৈষম্যহীন আদর্শ সমাজ গড়তে মেম্বার পদপার্থী আশরাফুল ইসলাম

এভাবে চলতে থাকলে দেশটা ভারতের অঙ্গরাজ্য হবে”- চাষী মামুন

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে মুছে ফেলে সরকার এখন নব্য স্বৈরাচারী চেতনায় দেশ চালাচ্ছে। আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্যে একথা স্পষ্ট যে, সরকার বাংলাদেশ পুরোপুরিভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে এবং এটা বস্তুতই স্বৈরতন্ত্র! স্বাধীনতার পর থেকে এদেশ কখনেই সেই অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। জনগণ বারবার গণতন্ত্রের পথে লড়ােই করলেও ক্ষমতা লোভী রাজনৈতিক দলগুলো বারবারই গণতন্ত্রের পথে হোঁচট দিয়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে গত দেড় যুগে গণতন্ত্র, নির্বাচন, সুশাসন, ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছে আওয়ামিলীগ। আওয়ামিলীগ কেড়ে নিয়েছে ভোটের অধিকার, ন্যায় বিচার, মানবাধিকার। একতরফা সেই বাকশালী ধারায় দেশটা আজ সত্যিই জাহান্নাম হয়ে গেছে। এভাবে ন্যায়হীন, ভোটহীন, মানবাধিকারহীন, সম্মানহীনভাবে রাষ্ট্র চলতে থাকলে দেশটা একসময় ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যাবে।” আজ ১২ই অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে ন্যাপ ভাসানী আয়োজিত দলীয় সরকারে অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রতিবাদে এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে একথা বলেন যুক্ত ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী গণ সংগঠক ও রাষ্ট্রচিন্তক চাষী মামুন।

তিনি আরও বলেন- পিন্ডির কোল থেকে ৩০ লাখ শহীদের জীবন ও রক্তের বিনিময়ে আমরা মুক্ত হয়ে আজ দিল্লীর অন্তর্বাসে আটকে আছি। আমাদের দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলো তাদের রাজনৈতিক লালসা পূরণ করতে দিল্লীর কাছে দেশটা বিক্রি করছে হরহামেশাই। রাশ্ট্র বলতে এখণ বাংলাদেশের জনগণ মনে করে আওয়ামিলীগকেই। তারা যাকে চায় রাষ্ট্রের অধিকার দেবে, আর যে তার বিপরীতে তাকে খুন করবে, গুম করবে কিংবা জেলে পুরবে। এই তো বর্তমান সরকারের নীতি। এখানে কে নিরাপদ? আওয়ামীলীগের অন্ধ দাস না হলে পুলিশ, সাংবাদিক, ছাত্র-শ্রমিক-পেশাজীবি, অন্ধ-বোবা-কালা কেউ-ই এই সরকারের কাছে নিরাপদ নয়।

চাষী মামুন বলেন, একদলীয় শাসন-শোষনে সাধারন মানুষ আজ বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। একদিকে ঘরে খাবার সংকট, শিক্ষা-চিকিৎসার সংকট, নিরাপত্তার সংকট, দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন উর্দ্ধগতি, দখল, লুট, সিন্ডিকেট এসব মিলে মানুষ আজ দিশেহারা। জনগণকে রাজনীতির নামে, উন্নয়নের নামে নিষ্পেষন করছে সরকার। অন্যদিকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিরোধিতার কারনে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেল খাঁটছে। এদের পরিবার আজ নি:স্ব হয়ে গেছে। অবুঝ শিশু তার পিতাকে দেখছে না, পিতার আদর পাচ্ছে না বছরের পর বছর! এটা কোন সভ্য, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আচরণ হতে পারে?

তিনি আরও বলেন, দেশে এখন যে সংকট চলছে তার জন্য দায়ী বর্তমান সরকার এবং অতীতের বিএনপি সহ অন্য সরকারগুলো। এই সরকারগুলো তাদের নিজ দলীয় স্বার্থ ছাড়া কখনই জনগণের স্বার্থ নিয়ে ভাবেনি। একসময় ফুটপাতে চাঁদা তুলতো বিএনপি আর; এখন তোলে আওয়ামিলীগ! এই তো মূলত পরিবর্তন! এছাড়া এই সরকারগুলো রাষ্ট্রকে আর কি দিতে পেরেছে? অন্যদিকে রাজনীতির নামে সমাজের সর্বত্র চরম ঘৃণা আর বিভাজনের দেয়াল তৈরী করা হয়েছে। যার ফলে সমাজ আজ চরম বিভাজিত ও বৈষম্যপূর্ণ। এর থেকে মুক্তির জন্য, রাষ্ট্র মেরামতের জন্য, নিরপেক্ষভাবে সকল নির্বাচন আয়োজনের জন্য অবশ্যই জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।

ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান বঙ্গদ্বীপ এমএ ভাসানীর সভাপতিত্বে এবং কৃষক সমিতির আহবায়ক চাষী মো. মাসুমবিল্লাহ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় তরুণ সঘের সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুক হক, বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জনতার জোটের চেয়ারম্যান মো: দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক মো: মোস্তফা আল-ইজাজ প্রমূখ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পদত্যাগের হিড়িক, কী আছে এনসিপির ভাগ্যে?

পদত্যাগের হিড়িক, কী আছে এনসিপির ভাগ্যে?

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১২ দলীয় জোট গঠন করার পরই পদত্যাগ করেছেন বেশ কয়েকজন এনসিপি নেতা। কারণ হিসেবে কেউ কেউ জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন। তারা মনে করেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির লড়াইয়ে এখন আর এনসিপি নেই। এদিকে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার জানান, পদত্যাগের কারণে দলের ভেতরে কিছুটা দোলাচল থাকলেও অধিকাংশই রয়েছে জোটের পক্ষে। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ ঘটে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন নাহিদ ইসলাম। সঙ্গী হিসেবে সামনের সারিতে আছেন জুলাই আন্দোলনের অনেক পরিচিত মুখ। গত ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে এনসিপি। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়া হবে ৩০০ আসনে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয়

আরও পড়ুন
language Change