তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঋণ, অনিয়ম, প্রশাসনিক ধীরগতির অভিযোগ কফিশপে টেবিল পরিষ্কার করতেন, এখন তিনি বলিউড তারকা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি জরুরি ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় ইমাম আটক কামরাঙ্গীরচরে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যার অভিযোগ হাদি হত্যা মামলা: পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পেছাল রাঙামাটির ছোটহরিনা বিজিবির অভিযান; নৌকাভর্তি সার জব্দ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী ফল উৎসবের শুভ উদ্বোধন রাঙামাটিতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধন পরকীয়ার জেরে ইতালিতে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে নোয়াখালীতে গুলি, আহত ৬ সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সফল অভিযান: নিহত দুলাভাই বাহিনীর ১ সদস্য, আটক ২ মোংলায় বিএনপি নেতার নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার ​ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝিনাইগাতী প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ: পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব বাঁশখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসর সুবিধা অনিষ্পন্ন আছে ৬৭ হাজার আবেদন: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকায় আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আটক  ভিটামিন এ ক্যাপসুলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে যুবক নিখোঁজ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াল চূড়ান্ত হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউটের লাইন-আপ আজ থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে গেলেন সেনাপ্রধান‎ ফরিদপুর কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত‍্যা হাটহাজারীতে অস্ত্রসহ ৪ যুবককে আটক করে পুলিশ সিরাজগঞ্জে মাদকবিরোধী দিবস পালিত শ্রীমঙ্গল শান্তিবাড়ি ইকো রিসোর্টের অনন্য আয়োজন জুন ফর গ্রিন কর্মসূচী বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, ১২ দেশের বিদায় শেরপুরের মেধাবী তরুণ সাব্বির আহমেদ এখন নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা! বাংলাদেশ ফার্স্ট সব অর্জন দেশের মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী দাড়িয়ারপাড় নয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৪ জন গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক জব্দ ডা.মোবারকের প্রতারণা, আগেই পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট লিখে দেন অ্যাসিস্টেন্ট বাবা-ছেলের জন্মদিন একসঙ্গে পাঁচ লাখ সদস্যকে ড্রোনের প্রশিক্ষণ দেবে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে গবেষণা সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত: মির্জা ফখরুল কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অব্যবস্থাপনা: বেসিনে বর্জ্যের ডাস্টবিন গলাচিপায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ কেশবপুরে মৎস্য চাষীদের মাঝে উপকরণ সামগ্রী বিতরণ দীঘিনালায় দুই জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ শ্রেণিকক্ষ থেকে উন্নয়নের আলোচনায়, বাতাকান্দীতে ব্যস্ত নতুন সভাপতি নোয়াখালীতে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারসহ আটক ২

শার্শায় মিটার ‘রিডিং’ না দেখেই অফিসে বসে করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল,গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ

পাঠক সংখ্যা
638

 

আতিকুজ্জামান (শার্শা)যশোর::
মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করা ও সময় মত বিল এর কাগজ গ্রাহকের বাড়িতে না পৌছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যশোরের বাগআঁচড়া অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর আওতায় বাগআঁচড়া সাব জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ গ্রাহকরা।

প্রতি মাসে বাড়ি বাড়ি যেয়ে মিটার রিডিং না নেওয়া ও সময়মত বিদ্যুৎ বিল বাড়িতে পৌঁছে না দেওয়া টা তাদের নিয়মে পরিনত হয়েছে।গ্রাহকরা বলছেন,কয়েক মাস ধরে চলছে এ অবস্থা।অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

বাগআঁচড়ার জামতলা এলাকার আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ প্রতিমাসের ২৬ তারিখ।অথচ ২৪মে শুক্রবার পর্যন্ত এলাকার কেউই মে মাসের বিলটি হাতে পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।

একজন বিদ্যুৎ গ্রাহক লেছি ইয়াসমিন বলেন,মিটার রিডাররা প্রতিমাসে না এসে মাঝে মাঝে আসে।সব সময় তারা অনুমান নির্ভর বিল করে থাকে।এতে প্রকৃত বিল আমরা দিতে পারি না।বিশেষ বিশেষ সময় মিটার দেখে রিডিং নিয়ে আমাদের উপর বাড়তি বিলের বোঝা চাপিয়ে দেয়।

অনুমান নির্ভর বিদ্যুৎ বিল হলেও, এত টাকার বিল তো হওয়ার কথা নয়। আর তারা অনুমান নির্ভর বিল দেবেই বা কেন?

বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও মিটার রিডারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর মিটার রিডাররা বাসায় বাসায় গিয়ে মিটারের বর্তমান রিডিং নিয়ে আসেন। সেই রিডিং থেকে আগের মাসের প্রাপ্ত রিডিং বাদ দিলেই এই মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুতের হিসাব পাওয়া যায়। সেগুলো বিভিন্ন স্ল্যাব অনুযায়ী হিসাব করে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল করা হয়।

মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।

সামটা গ্রামের সেলিম রেজা বলেন,এদের পলিসিটা হলো এরা দু-চার মাস প্রকৃত বিলের চাইতে ইউনিট কম লেখে।বিশেষ করে জুন ও ডিসেম্বর মাসে প্রকৃত ইউনিট দিয়ে বিল করে তাতে এদের লাভ হচ্ছে বেশি ইউনিটে রেট বেশি পাওয়া যায়। আমরা জনগন আমাদের কিছু করার থাকে না। এ যেন শরতবাবুর শুভঙ্করের ফাঁকি।

জামতলা জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বলেন, গত মাসের(এপ্রিল) জামতলা জামে মসজিদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ওরা দেয়নি।আজ ২৪মে।মে মাসের বিল দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬মে অথচ মে মাসের বিলের কাগজও পায়নি।দায় তাদের,অথচ জরিমানা দিতে হবে আমাদের।
একই কথা বলেন সোহেল রানা,তিনি বলেন,আমিও গত মাসের বিলের কাগজ পায়নি।মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দেখে বিল দিলাম। এখনও এমাসের ও বিলের কাগজ পায়নি।

বাগআঁচড়ার গোলাম রব্বানী রিপন বলেন,ওরা আমার মিটারের রিডিং না দেখে বিল করেছে ১২হাজার ৭৩৮ টাকা।এব্যাপারে অফিসে যোগাযোগ করলে তারা বলছে, ‘তোমার বাড়ি এসি চলে তাই অতিরিক্ত বিল এসেছে।’ অথচ আমার বাড়ি কোন এসি নেই।বুঝিয়েও কোন লাভ হয়নি কারন ওদের রিডিং বই এ লেখা আছে আমার বাসায় এসি চলে।

টেংরা গ্রামের শামীম আহমেদ বলেন,গত মাসে এক দিন আগে বিলের কাগজ পাইছি।বিদ্যুৎ অফিসের লোকেদের গ্রামে কিছু খাসচামচা (ইলেকট্রিশিয়ান)আছে যাদের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কপি দিয়ে যায়।এরাই মুলত গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেয়।একারনেই সময় মত গ্রাহকরা বিল হাতে পায় না।

বাগআঁচড়া সাব জোনাল অফিসের এজিএম গাজী সোহরাব হোসেনের কাছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন,বিদ্যুৎ বিল রিডিং যারা করেন তারা বাড়ি বাড়ি গিয়েই তো বিল রিডিং করে।তারা কেন অফিসে বসে বিল রিডিং করবে।এটা কোন সমস্যা না দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।আমাদের নতুন বিল রিডার এসেছে অনেক সময় বাড়ি খুজে পাইনা এজন্য হয়তো দেরি হয়ে গেছে। তবে সব কিছু দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সার কেলেঙ্কারির জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা

  আজিজুর রহমান বাবু। শরীয়তপুর প্রতিনিধি: সার কেলেঙ্কারির জেরে শরীয়তপুরের জেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের মোল্লার হাটের অবস্হা থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রতিনয়ত আতংকের মধ্যে অতিবাহিত করছেন মোল্লার হাটের পাশ্ববর্তী জনগণ। নসিমন – ৩০ বস্তা সারসহ স্হানীয় জনগন আটক করে। ভিডিও ক্লিপ ও দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মোটামুটি অনুমান করা যায়। ঘটনাটি কর্তব্যে অবহেলার কারণে সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যকে মেনে নিতে পারছেন না। বিষয়টিকে ধামাচাপা দিয়ে অন্য কোন জটিল ইস্যু তৈরি করে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য নতুন কৌশল আঁটছেন নেপথ্যের কুশীলবেরা। স্হানীয় জনতা বলছেন – এসব কুশীলবকে মদদ দিচ্ছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মোল্লা এবং তারই সহোদর বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোল্লা। বলাবাহুল্য নির্বাচনকালিন সময়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মোল্লার বক্তব্য দিয়ে বর্তমান পরিস্হিতি বিবেচনা করলে তা কতটুকু

আরও পড়ুন
language Change