তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার রানা প্লাজার আলোচিত নাসিমা, পদ্মার সলিলে হার মানলেন ফের পদত্যাগের মিছিল এনসিপিতে এবার সুযোগ পাচ্ছে বুমরাহ-পান্ডিয়ারা হঠাৎ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা এসএসসি পরীক্ষা কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ ১১ নির্দেশনা ঈদের ছুটি শেষে সংসদের অধিবেশন বসছে আজ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় তরমুজের বাম্পার ফলনের হাতছানি কালিগঞ্জে র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে ডাকাত অস্ত্রসহ গ্রেফতার শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু গোপনে ইরানকে ভয়ংকর ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া ফুলতলায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান এটুআই প্রকল্পে সিন্ডিকেট ভাগ্য খুলেছে জামায়াত নেতার ছেলের স্বপ্নের ডাটাবেজ লিক, লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে একই পরিবারের নারী শিশুসহ পাঁচজন নিহত বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ ভান্ডারকোট ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিস বনে তিন কর্মকর্তা মিলে কোটি টাকা লুটপাট কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২০ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ বেস্ট হোল্ডিংয়ের ভয়াবহ জালিয়াতি করে ধরাছোয়ার বাহিরে আমিন রামগড়ে সিএনজি পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া, ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নেতাকে গুলি করে হত্যা পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালকের আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ইতিহাসের "সেরা" ঈদ ও কিছু বিষাদময় বাস্তবতা দিঘলিয়ায় ডাকাতির সময় নিজেদের গুলিতে ডাকাত নিহত দীঘিনালায় বোয়ালখালী বাজারে অগ্নিকাণ্ড কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে দাকোপে পুরোদমে চলছে খাল খনন খুলনায় শিশু জান্নাতুল মাওয়া হত্যা বাড়ল স্বর্ণের দাম ভোলাহাটে বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন চলে গেলেন না ফিরার দেশে পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষণায় আকর্ষণ বাড়াতে হবে

পাঠক সংখ্যা
638

ঔষধ শিল্প খাতে ২০৩৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মেধাস্বত্বে ছাড় পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে পরবর্তী ১৭ বছরের জন্য মেধাস্বত্বের জন্য কোন ব্যয় না করে ঔষধ তৈরি ও কেনাবেচা করতে পারবে। এই সময়ের পর যদি এই ছাড় না থাকে এবং আমরা যদি নিজেদের পেটেন্ট করতে না পারি, এবং ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল তৈরি করতে না পারি, তবে ঔষধের দাম ২৫ থেকে ৩০ গুন বেড়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ২০৩২ সালে মেধাস্বত্ব ছাড়ে একটি ওষুধের দাম যদি ১০০ টাকা হয় তবে ২০৩৩ সালে মেধাস্বত্ব ছাড় উঠে গেলে সেটির দাম হবে প্রায় ৩০০০ টাকা। কাজেই এ ধরনের ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের এখন থেকেই গবেষণায় বেশি বেশি মননিবেশ করতে হবে এবং নিজেদের পেটেন্ট ও নিজেদের কাঁচামাল তৈরি করতে হবে। এর জন্য উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্তভাবে বাড়াতে হবে।

কিন্তু বর্তমানে আমরা যে পথে হাঁটছি তা মোটেও সুখকর হবে বলে মনে হচ্ছে না। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। মেধাবীদেরকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার দিকে আকৃষ্ট না করে শুধু সেবক বানানোর দিকে বেশি নজর আমাদের। ভারত এবং চীনে যখন মেধাবীদেরকে বিভিন্ন ধরনের লোভনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, সেখানে আমরা তা করতে পারছি কি? উপরন্ত সেবক শ্রেণীতে সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সুবিধা কমানোর দিকে বেশি নজর আমাদের। গবেষকগণকে গবেষণার চিন্তার পরিবর্তে তার পিএইচডির বেতন বৃদ্ধির চিন্তা, পেনশনের চিন্তা ইত্যাদির দিকে আমরা ঠেলে দিচ্ছি। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত মানুষ গড়ার কারিগরদেরকে নিয়ে আমরা নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করছি। একবার তাঁদের বেতন স্কেল কমিয়ে নিচে নামিয়ে দিচ্ছি, আবার তাঁদের উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করে দিচ্ছি অথবা পরবর্তীতে চালু হলেও তা ২০২২ সাল থেকে (যদিও অন্য সবার জন্য তা ২০১৫ সাল থেকে চালু হয়েছে), আবার এক অনিশ্চিত পেনশন ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছি। শুধু এক বিশেষ সেবক শ্রেণীর দিকে লোভনীয় সুবিধা দিলেই দেশ এগুবে না, বরং যারা জ্ঞান তৈরি করেন তাদের দিকে অর্থাৎ জ্ঞান সৃষ্টির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির দিকে বেশি নজর দিতে হবে, এই সেক্টরে মেধাবীদেরকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আকৃষ্ট করতে হবে। কারণ নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ছাড়া 4IR এর (Fourth Industrial Revolution) চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব নয়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে অনেক পিছিয়ে পড়বো। মনে রাখতে হবে উদ্ভাবন বা তৈরীর চিন্তা বাদ দিয়ে শুধুই চাকচিক্যময় বিপণন ব্যবস্থার চিন্তা করা একটি হতদরিদ্র চিন্তা।

অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. লুৎফর রহমান, চেয়ারম্যান, রসায়ন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

অবৈধভাবে মজুদ ১৩৩ বস্তা টিএসপি সার জব্দ

অবৈধভাবে মজুদ ১৩৩ বস্তা টিএসপি সার জব্দ

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. বাদশা মিয়া (৫৫) নামের এক খুচরা সার ব্যবসায়ীর ঘর থেকে ১৩৩ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসংলগ্ন পিনুর মোড় থেকে এসার জব্দ করা হয়। ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া ওই ইউনিয়নের হুড়াভায়া খাঁ গ্রামের আবু হোসেনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন গোপন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ১৩৩ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করা হয়। পরে জব্দ হওয়া সারগুলো উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। ঘরের মালিককে না পাওয়ায় কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন যতটুকু জানি এই সারগুলো ডিলার ননি গোপাল সরকার ও প্রদীপ সরকারের। তাদের গোডাউন সোনারায় ইউনিয়নের ছাইতানতোলা

আরও পড়ুন
language Change