তারিখ লোড হচ্ছে...

বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাড্ডার মাদক বিক্রেতা মহসিনের কর্মকান্ড

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এক সময় ড্রাইভার আরেক সময় হেলপার, কি করে নাই তারা। আবার কখনো এলাকার পাতি গুন্ডা,কখনো আবার ইয়াবা বিক্রেতা। কিছুই বাদ যাই নি তাদের। বাহির থেকে দেখলে মনে হয় “উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট”। বলছিলাম রাজধানী মেরুল বাড্ডা বৈঠাখালীর বাসিন্দা মহসিন ও পাঁচতলা বাজারের বাসিন্দা শরিফের কথা। এই দুই জন এক সময় কেউ কারো ছায়া পর্যন্ত দেখতে পারতো না। কে কার থেকে কতটি বেশি ইয়াবা বিক্রি করবে তা নিয়ে চলতো তাদের মধ্যে লড়াই। ক্ষমতাশীল আওয়ামী লীগ এর সময় কালে বাড্ডা এলাকায় মহসিন একাধিকবার ইয়াবা বিক্রি নিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হোন। জানা যায় ইয়াবা সেবনের সময় ডিআইটি প্রজেক্ট অ আ পাঠশালার ভেতরে তার আগেও ১৫০ পিস নিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। এরপর মধ্যে বাড্ডা ব্রীজের নিচে একবার ৪৮ পিচ নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়। নিজ বাসা থেকে বের হয়ে বনশ্রী যাবার পথে ৭৭ পিচ নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়। মহসিনের নিজ এলাকা বৈঠাখালী থাকা সত্ত্বেও আধিপত্য বিস্তার করত ডিআইটি প্রজেক্টে। কারন মহসিন জানতো নিজ বাসস্থানে এসব মাদকদ্রব্য বিক্রি করা ঠিক না। তাই মাদক বিক্রির অন্যতম স্থান হিসেবে ডিএইটি প্রজেক্ট বেছে নেয়। যার ফলে ডিআইটি প্রজেক্টের পাঁচতলা বাজারের শরিফের সাথে প্রতিনিয়তই চলতো মহসিন এর মারামারি ও ঝামেলা। মহসিন যখন ডিআইটি প্রজেক্টে আসতো তখন শরিফের ভয়ে প্রজেক্টের একাধিক ছেলেদেরকে ম্যানেজ করে তার মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতো। মহসিন এর মাদকের হাত ছিলো অনেক উপরে। তখন কম করে প্রতিদিন ২০০ ইয়াবা সেল দিতো। মাল শেষ হয়ে গেলেই মহসিন ঘা ঢাকা দিতো। আবার ১০-১২ দিন পর এসে হাজির। এভাবেই চলছিল মহসিন এর ইয়াবা বাণিজ্য। বর্তমানে মহসিন তার অতীতের কুকর্ম ঢাকার জন্য ডিআইটি প্রজেক্টের একটি হাউজের গাড়ি চালায়। তারপরও থেমে নেই তার অতীতের মাদক বানিজ্য। এ যেন সর্ষের ভিতর ভূতের খেলা। বর্তমানে আওয়ামীলীগ দল ক্ষমতা হারানোর পর মহসিন তার বাহিনী নিয়ে চেষ্টা করছে কি করে আবার বিএনপি তে যোগ দেওয়া যায়। এমন অসৎ ব্যক্তিরা হলো প্রতিটি দলের জন্য হাইব্রিড। যখন যেখানে সুযোগ পায় তখন সেখানেই বসে পড়তে চায়। জানা যায় বর্তমানে তাদের আড্ডা দেওয়ার আসর হলো ডিআইটি প্রজেক্ট এর ০৬ নাম্বার রোডের পশ্চিম পাশে অ আ পাঠশালায়। যেখানে বাচ্চারা পড়াশোনা করে সেখানে কিভাবে চলতো মহসিন গ্রুপের এমন অসামাজিক কর্মকান্ড। তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এখন এলাকাবাসী।
বর্তমানে অ আ পাঠশালার দ্বায়িত্বে থাকা মামা মহসিনের সাথে সাংবাদিকরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এমন অপকর্মের সাথে যারা যারা জড়িত তাদের সকলকেই স্কুলে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হলেও তারা কথা শোনে না। এখন তিনি ও আতঙ্কে রয়েছেন বলে আমাদেরকে জানান।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়,বিভিন্ন সময় মহসিন ইয়াবার প্রলোভন দেখিয়ে নেশাগ্রস্ত মেয়েদেরকে নিয়ে এই পাঠশালাতে রাতের বেলায় ফুর্তি করতো। যার প্রমান রয়েছে সাংবাদিকদের হাতে। ফলে এই মহসিন গ্রুপের কর্মকাণ্ড দেখে ভয়ে মুখ খুলতেন না আশেপাশের লোকজনেরা।
আরো জানা যায়, হেলপার শরিফ প্রতিদিন নেশায় আবদ্ধ হয়ে রাস্তায় ছেলে মেয়েদের ডেকে নিয়ে ফিটিং দিত। টাকা না দিলে চলতো অমানুষিক নির্যাতন। গত কয়েকবছর আগে কে বা কারা হেলপার শরীফের ছোট ভাইকে ছাঁদ থেকে ফেলে হত্যা ও করে। বিভিন্ন সময়ে নেশার টাকা জোগাড় করতে না পারলে হেলপার শরিফ মানুষের হাতের মোবাইল,গাড়ির চাকা,গাড়ির টিউব,অন্যের জিনিসপত্র বিক্রি করে ইয়াবা সেবন করতো। তারা দুইজনেই ছিলো সাবেক আওয়ামী লীগের হাইব্রিড কর্মী। মিছিল আর মিটিং এর পেছনে থেকে মানুষ দেখানোই ছিলো তাদের কাজ।
এ বিষয় নিয়ে বর্তমানে সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কেউ যদি দেশ ও জনগণের ক্ষতি করে কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে নিজেকে আড়াল করতে চায় আমরা তাদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে এনে বিচারের আওতায় করব।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শীতে কতটুকু পানি কম পান করা উচিত

শীতে কতটুকু পানি কম পান করা উচিত

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ শীত এলেই অনেকের পানি খাওয়ার অভ্যাস কমে যায়। ঠান্ডায় ঘাম কম হয়, তৃষ্ণাও তেমন লাগে না এই ভাবনা থেকেই অনেকে মনে করেন শীতে বেশি পানি দরকার নেই। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো। শীতকালেও শরীরকে সুস্থ ও সচল রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই জরুরি। শীতে কেন পানি কম খাওয়া হয়, আর কেন তা ভুল শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় ঘাম কম হওয়ায় তৃষ্ণা কম লাগে। ফলে অজান্তেই পানি পান কমে যায়। কিন্তু শরীরের ভেতরের কাজ হজম,রক্ত সঞ্চালন,তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য বের করাসবকিছুর জন্যই পানি দরকার হয়। তৃষ্ণা না পেলেও শরীরের প্রয়োজন কমে যায় না। শীতে পানি না খেলে যেসব সমস্যা হয় হজমের সমস্যা : পানি কম হলে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। গ্যাস, অ্যাসিডিটি, অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে। শীতে ভারী ও তেল

আরও পড়ুন
language Change