তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে শহীদ পুলিশ পরিবারের মাঝে আইজিপির ঈদ উপহার বিতরণ বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পাবে কোন দেশ ধুনটে ইউপি কার্যালয়েই বাদী ও নারীকে মারধরের অভিযোগ জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিপিসির নতুন সিদ্ধান্ত ত্যাগ, নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি'র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১ খুলনায় ৫ হাজার ২৭৫ উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শহীদ নগরে পথচারীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে রামগড়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন ইরানের ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া নকলায় রমজান উপলক্ষে ফুড প্যাকেট বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কোটি টাকা ঘুষ দাবি প্রসিকিউটরের, অডিও ফাঁস জুলাই আন্দোলনে ডিসি মাসুদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ঈদের দিনে টিভিতে শাকিব খানেরই সাত সিনেমা আইন মানতে গিয়েই মামলার আসামি ব্যাংক ম্যানেজার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল গৃহবধুকে মুখ বেঁধে খালে ফেলে হত্যা চেষ্টা ফুটপাত দখলে নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি খুলনা নগরীতে ধুলোর রাজত্ব: যত্রতত্র বালু-মাটিতে বিপন্ন জনজীবন আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড দিতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন নতুন স্পিকার জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস রামগড়ে পালিত ২৬ সে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকটের চাপ পণ্য সরবরাহে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ১৫ বছর খেতে পারেনি বিএনপি, এখন খাবে’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা অনিয়মের প্রমাণ থাকলেও বহাল তবিয়তে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি

আওয়ামী মাদক সম্রাটের চাঁদাবাজি রুখতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে ছাত্রদল নেতা জোবায়ের

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার

আওয়ামিলীগের দীর্ঘ শাসনামলে দেশব্যাপী ভয়ানক হারে তৈরি হয়েছে কিশোর গ্যাং এবং মাদক চোরাকারবারি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে কিশোর গ্যাং ও মাদক চোরাকারবারির উৎপাত সবারই জানা। আওয়ামী সরকারের পতনের পরও থামেনি এই মাদক সম্রাটদের দৌরাত্ম্য। মিরপুরের ডুইপ প্লটে মাদক সম্রাটদের চাঁদাবাজি রুখতে গিয়ে এবার মারাত্মক জখম হয়েছে ছাত্রদল নেতা জোবায়ের সহ অনেকে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যার পর এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জোবায়ের আল মাহমুদকে।

বাবা মোস্তাক ও ছেলে সুমন গং এলাকায় নিয়মিত মাদকের রমরমা ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। তাই আওয়ামী সরকারের পতনের পরও কেনো মাদক বিক্রি চলছে, সে খবর নিতেই ডুইপ প্লটে যান স্থানীয় জনগণ সহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের নেতারা বলেন, ‘গত ২৬ তারিখে স্থানীয় বট দোকানি থেকে চাঁদা দাবি করেন কিশোরগ্যাংয়ের আমান ও জিসান। তারও কিছু দিন আগে কিশোরগ্যাং নেতা ইমনের শশুর মদ্যপ ফজল চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে ২৫ হাজার টাকা চান স্থানীয় এক মুদি দোকানির কাছে। এদিন খোঁজ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁদাবাজি করতে নিষেধ করেন ছাত্রদল নেতা জোবায়ের সহ স্থানীয়রা। মূলত ওইদিন থেকেই জোবায়ের ও স্থানীয়দের ওপর ক্ষিপ্ত হয় তারা। আর আজ সেখানে গেলে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সুমন-সাইমুনের গ্রুপ সহ ওদের কিশোর গ্যাং। বিশেষ করে সাইমন, মামুন, জিসান, রানা, আমান, আকাশ, আরমান, আকিব, শিথিল সহ নাম না জানা অনেকেই আওয়ামী সুবিধা ভোগী, মাদক সম্রাট সুমনের নির্দেশে আমাদের কুপিয়ে জখম করে।’

এদিকে গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাত ৩ টার সময় ছাত্রদল ও বিএনপির পক্ষ থেকে ট্রাক ভর্তি ত্রাণ নিয়ে মানবিক কাজে লক্ষ্মীপুরে যান কামরুল, জোবায়ের সহ ৩০ জনের একটি দল। এই সুযোগে ২৬ আগস্ট রাতে আওয়ামিলীগের সুবিধাভোগী, মাদক কারবারি সুমনের ইন্ধনে সাইমন, ইমন সহ বেশ কয়েকজন মিলে কিশোরগ্যাংকে সাথে নিয়ে স্থানীয় কামরুলের বাসায় গিয়ে উৎপাত শুরু করে।

ত্রাণ বিতরণ শেষে ঢাকায় এসে মাদক, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিয়মিত জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে মহল্লায় বের হয় তারা। ব্যস, এখানেই ঘটনার আকস্মিকতা শুরু। বাইরের লোক কেনো মহল্লায় ঢুকলো, কেনো ধমক দিলে, এই নিয়ে শুরু হয় বাকবিতন্ডা। একপর্যায়ে ডুইপের সাইমন, ইমনের পুরো গ্যাং অস্ত্র সহ হামলা শুরু করে। স্থানীয় ক্লাব ও কিছু চায়ের দোকানে আগে থেকেই রাখা ছিলো অস্ত্র।

নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্থানীয়রা জানান, ‘মিরপুর ১১’র বি ব্লকের ডুইপ প্লট রীতিমতো যেনো মাদকের গোডাউন। অসংখ্য মাদক চোরাকারবারির মধ্যে বাপ-বেটা মোস্তাক-সুমন গ্রুপ সবার শীর্ষে। ডুইপ প্লটের মোস্তাককে সবাই হেরোইন মোস্তাক নামেই সবাই বেশি চিনে। পরবর্তীতে তার ছেলে সুমন বাবার মাদকের ব্যবসায়ের হাল ধরে। পালের গোদা সুমনকে অনুসরণ করে ছোট ভায়েরা মামুন, সাইমন, ইমন, আদিল গ্যাং। তাদের সাথে যোগ দেয় স্থানীয় অনেক যুবক। এভাবেই মাদক চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলেন সুমন-সাইমন গ্যাং। এই মাদক ব্যবসা করেই তারা ডুইপে অন্তত ৮-১০ টা বাড়ি করেছে। ভয়ে এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে না।’

মুখ ঢেকে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন মহিলা জানান, ‘সুমন মাদকের ব্যবসা করে অনেক দিন থেকে। তার মেয়েলি দোষ আছে, এটা সবাই জানে। সুমনের বাবা মোস্তাক মিয়া হেরোইনের ব্যবসা করে অঢেল সম্পদ করেছে। যা দিয়ে তারা থানা পুলিশ ম্যানেজ করে। ওর ভাই সাইমন আর মামুন সহ সবাই টাকার গরমে কাউকে মানেই না।’

স্থানীয় লোকজন বলেন, ‘আমরা স্থানীয় ছাত্র, ব্যবসায়ী ও ছাত্রদলের জোবায়েরকে সাথে নিয়ে ডুইপ প্লটে যায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনসংযোগ করতে। যেহেতু জোবায়ের আশেপাশেই থাকে, তাই জোবায়েরকে সাথে নিয়েই আমরা যায়। কিন্তু ওরা ডুইপ প্লটের ক্লাবে আগে থেকেই অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত ছিলো। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওরা আমাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করে। যার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে আপনারা বুঝবেন।’

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত হয়েছে অনেকেই। বিশেষ করে গুরুতর জখম হয় ছাত্রদল নেতা জোবায়ের। এর বাইরে কামরুল, ইমন, সাদ্দাম, নাজিম উদ্দীন সহ বেশ কয়েকজন জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে অনেকের নাম জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কিছু মুরুব্বি বলেন, ‘এই মহল্লার সুমন একেবারেই বেআড়া। তার বাবা মোস্তাক দীর্ঘদিন ধরে থানায় টাকা দিয়ে মাদকের ব্যবসা করে যাচ্ছে। পরে তার ছেলেরা মাদক, চাঁদাবাজির অভয়ারণ্য গড়ে তোলে। বিশেষ করে সুমন, সাইমন, শিথিল, আকাশ, জিসান, লিপন, আকিব, আমান, আরমান সহ অনেকেই নিয়মিত চাঁদাবাজি ও মাদকের সাথে একনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। কিন্তু এগুলো পুলিশ দেখেও কিছু করেনি। অথচ এরাই বিএনপির বিভিন্ন স্থানীয় নেতাদের ঘাড়ে ভর করতে চাচ্ছে।’

একটি সূত্র বলছে, সুমন, সাইমনদের গ্রুপ অস্ত্র নিয়ে হামলা করে উল্টো স্থানীয় কামরুল সহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলার পরিকল্পনা করছে। তবে হামলায় আহত ছাত্রদল নেতা ও অন্যান্য সকলে জানান, ‘আমরা অবশ্যই মামলা করবো। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা, চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা নিষেধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হবো, এটা কখনো চিন্তাও করিনি। দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ইনশাআল্লাহ আমরা মাদক ও চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়ে তুলবো।’

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সালমান বেঁচে থাকলে বলিউডকে হারিয়ে দিত

  ডেস্ক রিপোর্টঃ ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনার ও প্রিয় নায়ক সালমান শাহ। তিনি সম্প্রতি ফেসবুকে লিখেছেন সালমানকে নিয়ে অনেক কথা। তার মতে, যদি সালমান শাহ আজও বেঁচে থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি বলিউডকে ও ছাড়িয়ে যেত। ঢাকাই সিনেমার অমর নায়ক সালমান শাহ। অভিনয় ও স্টাইলে তিনি কিংবদন্তি হয়ে আছেন এই দেশের সিনেমায়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান তিনি। মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর ও তার জনপ্রিয়তা বা আলো একটু ও ম্লান হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে ও তিনি হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।   একটা ছবি আছে যেখানে শাহরুখ খান, গৌরী খান, সালমান শাহ আর তার স্ত্রী একসঙ্গে। ওই ছবিটা দেখলেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়। তার

আরও পড়ুন
language Change