তারিখ লোড হচ্ছে...

খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে চারশ নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ধনবাড়ীতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে (ইউএনও) সাথী সিলেট শিক্ষাবোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে এইচএসসি পরীক্ষায় বসলো ৮ শিক্ষার্থী বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশায় বিএনপিতে কলহ রক্তক্ষয়ি সংঘাতের আশঙ্কা চিকিৎসক সংকটকে হার মানিয়ে সেবার নজির গড়ছে রাঙামাটির স্বাস্থ্যসেবা সুন্দরবনে বন-বিভাগের অভিযান বিপুল পরিমাণ বিষ ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, ৫২ রাউন্ড এফসিসি গোলাবারুদ উদ্ধার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে যে তথ্য দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দিল চীন নেইমারকে নিয়েই ছক কষছেন আনচেলত্তি ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ও হালদা থানা অনুমোদন সারাদেশের ন্যায় দীঘিনালায়ও শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা নবাবগঞ্জ থানা মহিলা দলের সভাপতি সহ ১০ জন মহিলা দলের নেত্রীর পদত্যাগ চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবককে হত্যা গায়ে হলুদের আগের দিন কনের রহস্যজনক মৃত্যু মৌলভীবাজারে জমিজমা বিরোধের জেরে মতিনকে হত্যা, আপন ৩ ভাই-১ বোন ও ভাইয়ের স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৫ নকশাবহির্ভূতভাবে নির্মিত ৭টি ভবন ও অনুমোদনহীন গুদাম সীলগালা আমি এখনো সংসদ সদস্য, ভুলে যাবেন না-রাঙামাটিতে ফিরে দীপেন দেওয়ান সীতাকুণ্ডে গাছ কেটে মহাসড়ক অবরোধ: সওজের মামলা,গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে: প্লেকার্ড হাতে স্থানীয়দের বিক্ষাভ খাগড়াছড়ির জশোয়া দেওয়ান ৪৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত জামালগঞ্জে প্রভাবশালী কর্তৃক নীরিহ এক ব্যাক্তির জায়গা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ জাতীয় স্টার্টআপ প্রদর্শনীতে দেশের সেরা ১০ এ গলাচিপার এন জেড আলিম মাদ্রাসা লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালী মাসিক রেগুলার মিটিং ও পরিচিতি সভা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত আনারসের পাশে জায়গা করে নিচ্ছে কাজুবাদাম মধুপুরে ফ্যানের সাথে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রাজধানীতে সেপটিক ট্যাংকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ আজ থেকে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন স্পিকার সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক যুগের কথা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত সাতক্ষীরায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসের চাপায় ছেলে নিহত, আহত শিক্ষক পিতা পাটকেলঘাটা বাজারে ইউএনওর অভিযান: ৩ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সবুজায়নে বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগ, পাহাড়ি-বাঙালি পরিবারের হাতে গাছের চারা হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং কালিগঞ্জে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করেন রেনু মিয়া রোগাক্রান্ত মৌলভীবাজার জেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিক সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের জিএমের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের রামগড় পাহাড়াঞ্চল গবেষণা কেন্দ্রে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন স্বপ্ন পুঁজি করে এগিয়ে চলা: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার দীঘিনালার নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন নোয়াখালীতে শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা পরিবারের পরীক্ষানিরীক্ষা করানো কি চিকিৎসকের অক্ষমতার প্রমাণ মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিবে ব্রাজিল

সচিবালয় দখল করে অবৈধ পথে কামিয়েছেন প্রায় হাজার কোটি টাকা, কে এই কবীর বিন আনোয়ার!! 

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সদ্য বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রায় সকল সচিবালয় জিম্মি কারি ব্যক্তিটির নাম কবির বিন আনোয়ার, সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব কবীর বিন আনোয়ার অসৎ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে কামিয়েছেন নামে বেনামে প্রায় হাজার কোটি টাকা । দুর্নীতিবাজ কবির বিন আনোয়ারের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অতি বিশ্বাসী  লোক, শুধু বিশ্বাসী নয় সে একজন দুর্নীতিবাজ ভন্ড এবং তার পুরা পরিবার প্রতারক। তাকে বিশ্বাস করাটাই আত্মঘাতী কাজ হয়েছে সাবেক প্রধান মন্ত্রীর ।

সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বিশ্বাসকে পুঁজি করে দুর্নীতির মাধ্যমে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে করেছেন ৩০০ বিঘা জমির উপর মস্ত বর রিসোর্ট, ঢাকার আশুলিয়াতে ৬০০ বিঘা জমির উপরে রিসোর্ট সহ দেশ বিদেশে নামে – বেনামে  বাড়ি গাড়ি  ফ্ল্যাট কিনেছেন অনেক।

কবীর বিন আনোয়ারের  বড় বোন মেট্রিক পাশ।তার বোনের সুখের আশায় তার দুলাভাইকে  প্রথম বিসিএস পুলিশ ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরিটা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহম্মেদের মাধ্যমে। তিনি  মুক্তিযুদ্ধ না করেই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরী  পেয়েছিলেন। বাংলাদেশের যতগুলো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম। পরবর্তীতে কবির বিন আনোয়ারের দুলাভাই   এডিশনাল আইজি হয়ে অবসরে গিয়েছিলেন।

কবির বিন আনোয়ারের দুলাভাই  নারায়ণগঞ্জে ৪০০ বিঘা জমির উপর বাগান বাড়ি তৈরি করেছেন স্ত্রীর নামে। অথচ চাকুরী জীবনের প্রথমে উনার পরিবার একবেলা খেতো কোন রকম।উনি কবীর বিন আনোয়ারের দুলাভাই।

এই দুর্নীতিবাজ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা দুইজন এত অর্থ অবৈধ ভাবে অর্জন করেছেন তাতে করে পুরা পরিবার অর্থাৎ কবীর বিন আনোয়ারের সকল বোন টাকার পাহাড় বানিয়েছে। সত্যতা যাচাই করে দেখা যেতে পারে।

এরাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডুবিয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এই দুর্নীতিবাজ কে বিশ্বাস করেছেন কেনো তা এখনো অজানা।অনেকে শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন আপনার লক্ষ লক্ষ নিবেদিত প্রাণ বিশ্বাসী কর্মী বাহিনী রয়েছে নেতা রয়েছে তাদের কাজে লাগান এই বেয়াদবটাকে কোন দায়িত্ব দেবেন না এমনকি পার্টি অফিস ও আসা দরকার নেই সে দলকে শেষ করে দেবে।শেখ হাসিনা শোনেননি কারো কথা।

যা লিখছি সেগুলো একটু দয়া করে তদন্ত করতে পারেন। যদি মিথ্যা বলে থাকি তাকে পুরস্কৃত করবেন আর যদি আমার রির্পোট সত্য হয় তাহলে অনতি বিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনবেন।

আরেকটি কথা এই কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে জামাত শিবিরের বিএনপি যে আন্দোলন তার পিছন থেকে ছুরি মেরেছে এই কবীর বিন আনোয়ারের

পরিবার। তার সব বোন প্রকাশ্যে সরকার বিরোধী অবস্থান নিয়েছিলো। তার বড় বোন বিটিভিতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করে মুখে আওয়ামী বিরোধী কিন্তু এরা আজব চরিত্রের। এই কোটা আন্দোলনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে এই লম্পটের বড় বোন মিতালী হোসেন এবং অন্যান্য বোন যাদের প্রত্যেককে কবীর বিন আনোয়ার প্রতিষ্ঠিত করেছেন কোটি কোটি টাকা দিয়ে। এক বোনের মাধ্যমে জমির দালালী করে আরেক বোনেরর স্বামী বিএনপি নেতা,তার কাছেও প্রচুর টাকা আছে।আরেক বোন অঙ্গসংগঠন সেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দীয় নেতা।মোটামুটি ১০০০ কোটি টাকা বেশি এদের কাছে এখনো রয়েছে ।

শেষ কথা হলো কবীর বিন আনোয়ার একজন বহুরূপী দুর্নীতিবাজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন “আমরা দল করি এরা পিছন থেকে ছুরি বসায়”।

মজার বিষয় হলো এই কবিব বিন আনোয়ার কোটায় বিসিএস।নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা দাবি করতেন কবির বিন আনোয়ার। অথচ প্রাচ্যের এই অক্সফোর্ডখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি লেখাপড়াই করেননি।

হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ও ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন তিনি। দীর্ঘ চাকরি জীবনে ছিলেন প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে একচ্ছত্র অধিপতি হিসাবে পরিচিতি পেলেও দাপট ছিল সব মন্ত্রণালয়েই। যা বলতেন তাই আদায় করে নিতেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদ-পদবি না থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্য একটি দপ্তরে কর্মরত এক নারীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে পোস্টিং দিয়ে নিজের কাছে রাখেন। ওই নারী পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সময়ে একজন ক্যাডার কর্মকর্তার স্ত্রী ছিলেন।ঐ মহিলার সাথে তার অনৈতিক সম্পর্কের কথা সকলে জানে।

লায়লা সানজিদা নামের ওই নারীকে ‘অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার’ পদ দিয়ে বছরের পর বছর নিজের দপ্তরে সংযুক্ত রাখেন, যা ছিল নজিরবিহীন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০১২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত যুগ্মসচিব হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক থাকাবস্থায় তার ক্ষমতা প্রকট হতে থাকে। ওই বছরের ৭ এপ্রিল অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি নিয়ে ওইদিনই তাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক করে পদায়ন করা হয়। ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত টানা ৬ বছরেরও বেশি সময় ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

ওই বছরের ২২ মার্চ অতিরিক্ত সচিব থাকাবস্থায়ই কবির বিন আনোয়ারকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (চলতি দায়িত্ব) করা হয়। এটা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই দাপটেই তিনি ড্যামকেয়ার অবস্থায় ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আর উপমন্ত্রীকেও তিনি তোয়াক্কা করতেন না। একা যা সিদ্ধান্ত নিতেন তাই বাস্তবায়ন হতো এখানে।

কবির বিন আনোয়ারের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকায় প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী চাকরি হারানোর ভয়ে কথা বলতে পারতেন না। এভাবে নিজের ইচ্ছামতো প্রকল্প ভাগিয়েছেন সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে। আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে যে কজন আমলা থেকে শত শত কোটি টাকা ভাগিয়ে নিয়েছেন তার মধ্যে কবির বিন আনোয়ার অন্যতম।

চাকরি জীবনের শেষে ১৭ দিন মন্ত্রী  পরিষদ সচিব ছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার মতো দুর্নীতিবাজ নোংরা অফিসার দ্বিতীয় টা আছে কিনা এই নিয়ে সচিবালয়ে প্রায়ই আলোচনা হতো। একদিকে ঘুষ অন্যদিকে চরিত্রহীনতা।সমানে দুইটাই চালিয়েছেন। সচিবালয়ে তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর থেকেও ক্ষমতাবান। আওয়ামী লীগের শেষ দিনে তিনি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এবং  দুইজন চামচা নিয়ে জিগাতলার বিডিআর গেটে ছাত্রদের সাথে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার অভিনয় করেন।

শেখ হাসিনার ক্ষমতা কালীন সময়ে এই প্রাক্তন সচিব এমন কোন দুর্নীতি নেই যেটা তিনি করেননি। বাংলাদেশ থেকে সুন্দরী মহিলাদের মেয়ে দিল্লি ব্যাংকক যাওয়া আসা করতো করতেন নিয়মিত। এই দুর্নীতিবাজ এখন পলাতক। অযোগ্য এবং তেলবাজ এই দুর্নীতিবাজের বিচার সিরাজগঞ্জবাসী চেয়েছেন আইন প্রয়োগ কারী সংস্থার কাছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবন করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবন করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ডেস্ক রিপোর্টঃ বন্ধ হয়ে থাকা বস্ত্র ও পাট খাতের কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সোমবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খাতটির বিদ্যমান সমস্যা, আর্থিক চ্যালেঞ্জ এবং পুনরুজ্জীবনের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানার বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা

আরও পড়ুন
language Change