তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ ব্রাজিল দলের অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা প্রশাসনের অভিযানের পরও গভীর রাতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব রংপুর সদরে ফল মেলা ও পাটনার কংগ্রেসের উদ্বোধন সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে নকলায় স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ জয়মনি গ্রামে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে বাসিন্দারা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা চাকরিতে প্রক্সি সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের আনোয়ার ও কাস্টমসের সিপাহী আজিজ! অভিযোগের পাহাড়, তবুও নীরব রাজউক: ‘অপ্রতিরোধ্য’ দুর্নীতির জালে আবুল কালাম আজাদ উত্তরা ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাকসুদুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কমিটির উদ্যোগে মিছিল ‎ সিরাজগঞ্জে সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন-মনিরুল ইসলাম ডাবলু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সিন্ডিকেটের প্রভাবে সচিব সাইফুল ইসলাম বহাল তবিয়তে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের মানহানী মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইরান ও লেবাননের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৬ বার জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শিশু ধর্ষণের আসামি মুনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ

পিডিবি ফারুক আহমেদ শতকোটি টাকার দুর্নীতি

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:
হাতিয়া কুতুবদিয়া দ্বীপ ও নিঝুমদ্বীপে শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের প্রথমফেজের ৩৯০ কোটি টাকার কাজে ব্যাপক অনিয়ম দূুর্নীতি পরিলক্ষিত হয়েছে। হাতিয়া কুতুবদিয়া নিঝুম দ্বীপের শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের অধীনে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে কুতুবদিয়া। কুতুবদিয়াকে বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সাগরের তলদেশ দিয়ে ২ লেনে ৫ কিলোমিটার কেবল বসানো হয়েছে। ১২ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন উপকেন্দ্রে ১৪৮৬ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে। হাতিয়াতে ১১৬৫ কি.মি. নিঝুমদ্বীপে ৮৭কি.মি. কুতুবদিয়া ২৩৪ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা কথা রয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে ৩টি সাবস্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে আছে।

হাতিয়া থেকে ১১০০০ ভোল্টেজের সাবমেরিন লাইনের মাধ্যমে নিঝুম দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় । হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ সাইড এবং জাহাজমারা ঘাটের উভয় পার্শ্বের সুইচিং স্টেশনের মেশিন অকেজো হয়ে পরে আছে। স্হানীয় লোকমুখে গুঞ্জন আছে সুইচিংস্টেশন বসানোর পর থেকেই নষ্ট অবস্থায় পরে আছে।

যা এখন অনেকটা অকেজো হয়ে পড়ে আছে। দুইটা সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে খরচ দেখানো হয়েছে ১৩০ কোটি টাকা। মুলত ৫ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের বাজার মূল্য ৪০ কোটি টাকার বেশি না। ৩ গুনমূল্য দেখিয়ে স্থাপন করা সাবমেরিন ক্যাবল ঝুঁকিপূর্ন ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। নামমাত্র কাজ দেখিয়ে টাকা ভাগাভাগির মহা উৎসবে মেতেছে পি ডি ফারুক আহমেদ ও নির্বাহী প্রকৌশলী রায়হান।

প্রকল্পের জন্য ইলেকট্রিক পোল বরাদ্দ ২৩ হাজার পিচ। হাতিয়ায় ১৫ হাজার পোল, কুতুবদিয়া ৮ হাজার পোল বরাদ্দ রয়েছে। থিকনেস কম দিয়ে কোনো মতে রং করা। ১২০ কোটি টাকার নিম্নমানের বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্রয় করে। এখানেও পছন্দের ঠিকাদারের সাথে ভাগবাটোয়ারাতে মেতে ওঠে।

নিম্নমানের ৩ কোটি টাকার বৈদ্যুতিক কয়েক হাজার পিচ সার্কিট ব্রেকার ক্রয় করেন যা রোদবৃষ্টিতে ভিজে ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। ভাউচারে বেশি দাম দেখিয়ে কিনেছেন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার নিম্ন মানের ব্রেকার। কোনটাই ব্যবহার করতে পারে নাই। যা কুতুবদিয়ায় এলোমেলো ভাবে ফেলে রেখেছেন।

সরকারি খাতায় দেখানো কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ যা ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ।
১০০ কোটি টাকার যেসব বৈদ্যুতিক ক্যাবল ক্রয় করেছেন তা যেনো সুভংকরের ফাঁকি। যাতে নিম্নমানের আয়রন মিশ্রিত এ্যালুমেনিয়াম ও কপার ব্যবহার করা হয়েছে, যা কোনো ভাবেই সাধারণ মানুষের বুঝা সম্ভব নয়। বিবিএস ক্যাবল কোম্পানির সাথে যোগসাজশ করে এসব বৈদ্যুতিক ক্যাবল ক্রয় করা হয়। পিডি ফারুক আহমেদ কোম্পানির গোপন ফর্মূলায় কাজগুলো হালাল করে নিয়েছেন। যা টেন্ডারের ডকুমেন্টসের মেটালিক স্পেসিফিকিশানের সাথে মিল নাই।
সরেজমিনে দেখা যায় হাতিয়া কুতুবদিয়ায় ১ম পর্যায়ের
কাজ শেষ না করলেও বাল্য বন্ধু দুই ঠিকাদারকে ১০০% বিল প্রদান করেছেন।
হাতিয়া এমপি মোহাম্মদ আলীকে দিয়ে ১০ কোটি টাকার ২ টা বিল্ডিং করেছেন, যেগুলোতে পুরনো ব্রিজ ভাঙ্গা রড ব্যবহার করায় নতুন বিল্ডিং এর ছাঁদ ভেঙ্গে পানি পরে।আসলে মোহাম্মদ আলীকে কিছু কাজ দিয়ে নিজের সবকিছু হালাল করে নিয়েছেন।

পিডি প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ উক্ত প্রকল্পের ২ পর্যায়ে ২৬০ কোটি টাকার নতুন করে ফ্রি স্টাইলে ১ম পর্যায়ের মতোই নিম্ন মানের মালামাল ক্রয় করেছেন এবং হাতিয়ায় দ্বীপের বিনা ভোটের এমপি জলদস্যু মোহাম্মদ আলীকে কোন কিছু না বলেন তার জন্য ১০ কোটি টাকা দেওয়ার চুক্তি করে মুখ বন্ধ করিয়ে দেন।

বিগত স্বৈরাচার হাসিনার সরকার পতন হওয়ার পর বাংলাদেশের সকল সরকারি/বেসরকারি লাইভ টেন্ডারের সময়সীমা বৃদ্ধি করলেও পিডিবির দরবেশ খ্যাত প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী রায়হান সাহেব তাদের সাজানো ২ টা কোম্পানিকে কাজ দেওয়ার জন্য টেন্ডারের সময়সীমা বৃদ্ধি করেন নাই এবং সরকারি রেট সিডিউল দর থেকে ৩০% দরবৃদ্ধি করিয়া যথারীতি তাদের পছন্দের সাজানো ঠিকাদারী কোম্পানি ২ ইস্টার্ন এবং ইন্টু করপোরেশন নামের কোম্পানি দুটিকেই কাজ দিয়েছেন।

২য় ফেজের ২৬০ কোটি টাকা নতুন বরাদ্দ পেয়েছে যা ২০০ দুইশত কোটি টাকার মালামাল ক্রয় করেছেন তার হিসাবেও গড়মিল রয়েছে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগের টাংগাইলের একজন ঠিকাদারের মাধ্যমে জানা যায়, তিনি টাঙ্গাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মকালীন সময়ে ২ ট্রাক সরকারী ইলেকট্রিক ক্যাবল ট্রান্সফরমার চুরি করে বিক্রির দ্বায়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ইএনডিতে মামলা হয়। শাস্তি হিসেবে তাঁর ইনক্রিমেন্ট ও সিনিয়রিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ এ বিষয়ে ইএনডির ডাইরেক্টর তাওকিদা সুলতানা উর্মি কাছে জানতে চাইলে, তিনি মৌখিক ভাবে জানান লঘু সাজা হয়েছে এবং পরবর্তীতে সদ্য সাবেক বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ২ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে ইএনডি মামলা থেকে অব্যাহতি নিয়ে নেন।
হাতিয়া কুতুবদিয়া ও নিঝুমদ্বীপ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের ১ পর্যায়ে ১৪০০ কিলোমিটার লাইন তৈরি করা কথা থাকলেও ১০০০ কিলোমিটার লাইন তৈরি না করেই শতভাগ বিল প্রদান করে দিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়েছেন।

এবিষয়ে পিডি ফারুক আহমেদকে বার বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এমন কি ক্ষুদে বার্তা দিয়েও কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে বদলির নীতি

সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে বদলির নীতি

ডেস্ক রিপোর্টঃ সততা, মেধা ও দক্ষতাই জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার ৩ মে সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের যে কোনো স্থানে দায়িত্ব পালনের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রস্তুত থাকতে বলেন।ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনের জন্য নিজেদের সবসময় প্রস্তুত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়। দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকারের কথা তুলে

আরও পড়ুন
language Change