তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মোংলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চার নেতা আটক মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কার্যনিষিদ্ধ লীগের ৩ নেতা আটক পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী  নোয়াখালীর পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া ভাঙনের গুঞ্জন উড়ে গেল বিজয়-তৃষার বিশেষ ছবির ঝড়ে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এপস্টেইন কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন বিল গেটস মেসিদের খেলা দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাসেল উপকূলের ঢাল হিসেবে মোংলায় নবলোক পরিষদের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ বিশ্ব বাজারে আরও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম সিরাজগঞ্জে জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল স্কুল-কলেজের পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা আমতলীতে ভূমি জরিপে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন পে-স্কেল নিয়ে বসছে সভা, আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গলাচিপায় তিন নবজাতকের দুধের খরচ মেটাতে দিশেহারা বাবা খাদ্য অধিদপ্তরের এস. এম. কায়ছার আলীকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিনের যত অবৈধ সম্পদ নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল গ্রেফতার নকলা সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সন্ধ্যাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইউএনও আল-আমীনের প্রাণবন্ত আলাপচারিতা বিপিসির চেয়ারম্যান হতে গোপন চুক্তি লাবলুর রহমানের, বেবিচক জুড়ে তোলপাড় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রতিবাদী মিছিল অনুষ্ঠিত ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে হুশিয়ার নিউমার্কেট থানায় যুবদল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কার্যকারিতা নিয়ে পেজেশকিয়ানের স্ট্যাটাস অবশেষে ঢাকার রাস্তায় নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা বর্ধিত স্বাস্থ্য বাজেট অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগের আহ্বান প্রজ্ঞার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে: রুহুল কবির রিজভী রামগড় বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নাগরিক আটক নাচে-গানে সমাপ্ত হলো হলো তিন দিনব্যাপী নৃ-গোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির উৎসব ফুলের বৃষ্টিতে শেষ কর্মদিবস, বিদায় নিলেন শিক্ষকরা প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক- ২ র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে চাকরির প্রলোভন, বেগমগঞ্জে প্রতারক আটক শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিরাজগঞ্জে বেকারদের চাকরির লক্ষ্যে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া, সম্পাদক আমিনুর বিস্ফোরক আইনের মামলায় বরগুনার সাবেক চেয়ারম্যান আটক রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার পিরোজপুরে মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ হাসনাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আশুলিয়ায় ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে মানব বন্ধন পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শতকোটি টাকার সরকারি জমি সানভিউ টাওয়ার্সের দখলে ঝিনাইগাতীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এমসিজিএল’র অর্থায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ​সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিককে বিনম্র শ্রদ্ধা, মরদেহ দান

ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিককে বিনম্র শ্রদ্ধা, মরদেহ দান
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

জীবনের শেষ দিনগুলোতে ভাষাসংগ্রামী, রবীন্দ্র গবেষক ও প্রাবন্ধিক আহমদ রফিক ছিলেন নিঃসঙ্গ। তবে চিরবিদায়ের দিনে তাঁর অগণিত অনুরাগী, সুহৃদ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন তাঁকে। বেদনাবিধুর হৃদয়ে মহানগরের দীর্ঘ পথ হেঁটে অনুগামী হলেন তাঁর অন্তিমযাত্রায়।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বারডেম থেকে আহমদ রফিকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। এর আগে থেকেই তাঁর গুণগ্রাহী ও সুহৃদেরা পুষ্পস্তবক নিয়ে ভারাক্রান্ত মনে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করছিলেন। ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথম যে শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়েছিল, তার উদ্যোক্তাদের অন্যতম ছিলেন সেই সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের তরুণ শিক্ষার্থী আহমদ রফিক। সেখানেই ৭৩ বছর পর শেষবারের মতো আনা হলো তাঁর নিথর মরদেহ। এখানে তাঁর কফিন ঢেকে যায় শ্রদ্ধার ফুলে। শ্রদ্ধা নিবেদনের ব্যবস্থাপনায় ছিল ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে বারডেম হাসপাতালে ৯৬ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন বিপত্নীক ও নিঃসন্তান।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সচিব আবুল ফয়েজ মো. আলাউদ্দিন খানের পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শ্রমজীবী, পেশাজীবী, ছাত্র যুব, স্বেচ্ছাসেবী, সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনেকে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিককে অন্তিম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন করে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যদিও ভাষাসংগ্রামী হিসেবেই তাঁর পরিচয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে, তবে তিনি ছিলেন আমাদের দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক। একাধারে তিনি কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। আর রবীন্দ্র গবেষক হিসেবে তাঁর কাজ উভয় বাংলায় অতিগুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। আজীবন তাঁর কাজ ও রাজনৈতিক ভাবনা ছিল সমাজের রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত। ফলে তাঁর প্রয়াণ আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমাদের সংগ্রামের তিনি প্রেরণা হয়ে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।’

অধ্যাপক মনসুর মুসা প্রথম আলোকে আহমদ রফিক সম্পর্কে বললেন, তাঁর মতো দেশপ্রেমিক মানুষ এখন বিরল। সবাইকে ভালোবেসে, একত্র করে কাজ করতে পছন্দ করতেন তিনি। মানুষকে কেবল মানুষ পরিচয়ে, মিত্র হিসেবে গ্রহণ করতেন। এটাই প্রকৃত সমন্বয়। তাঁর মতো এমন সমন্বয়ধর্মী গুণের মানুষ আর সহজে পাওয়া যাবে না। সবাইকে নিয়ে একত্রে থাকার শিক্ষাই তিনি দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ট্রাস্টি প্রাবন্ধিক মফিদুল হক বলেন, গণমানুষের মুক্তির জন্য যে আদর্শ আহমদ রফিক লালন করেছেন, তাতে ন্যায়নিষ্ঠ থেকেছেন। মেরুদণ্ড সোজা করে রেখেছেন। দেশ ভাগ তাঁকে ব্যথিত করেছিল। আজীবন সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সমাজ গড়ার চেষ্টা করেছেন। আর রবীন্দ্রনাথকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গবেষণা করে জনমানুষের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এ কারণে তাঁর গবেষণা বিশেষ মহিমা অর্জন করেছে। নিজের জীবনটাকেই তিনি মানুষের জন্য উজাড় করে দিয়েছিলেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম একাডেমির পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রথম আলোকে বলেন, আহমদ রফিক একই সঙ্গে ভাষাসংগ্রামী ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস রচনার জন্য অনন্য মর্যাদার অধিকারী। তিনি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের জন্য আমৃত্যু কাজ করেছেন। তিনি শোভন, মার্জিত, ভদ্রলোকের জীবনযাপন করেছেন। নিজের সম্পত্তি অন্যদের মধ্য বিলিয়ে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন পর্বের শেষে পরিবারের পক্ষে আহমদ রফিকের ভাতিজি রেহেনা আক্তার বলেন, আজ এখানে এত মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছেন দেখে তাঁরা অভিভূত। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আহমদ রফিকের ভাগনে হ‌ুমায়ূন কবির অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, তাঁর মামা ছিলেন নির্মোহ মানুষ। দেশে বিভিন্ন সময় নানাভাবে তাঁর মামার সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা তাঁকে সহায়তা করেছেন, তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী বলেন, সম্পত্তির ব্যক্তিগত মালিকানায় তাঁর বিশ্বাস ছিল না। ব্যক্তিগত সম্পত্তি যা ছিল, তা বিক্রি করে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যক্তি পর্যায়ে অনেককে দান করেছেন। নিজের ভবিষ্যতের কথা ভাবেননি। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে জীবনের শেষ দিনগুলো তাঁর ভালো কাটেনি। এখন সম্পদ বলতে রয়েছে তাঁর রচিত গ্রন্থ। তাঁর এই সম্পদ সমাজকে আলোকিত করেছে। এগুলো ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

স্মৃতিচারণা করেন তাঁর চিকিৎসক শাকিল আক্তার। সমাপনী বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুনীর সিরাজ বলেন, নিঃসঙ্গ অবস্থায় কেটেছে আহমদ রফিকের জীবনের শেষ দিনগুলো। তবে আজ সেই নিঃসঙ্গতা নেই। এত মানুষ তাঁকে সঙ্গ দিতে, শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন, তা অভিভূত হওয়ার মতো।

বেলা একটায় শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষ হয়। আগেই জানানো হয়েছিল ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক তাঁর মরদেহ ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করে গেছেন। মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা করেন তাঁর অনেক অনুরাগী। শহীদ মিনার থেকে দোয়েল চত্বর, শিশু একাডেমি, জাতীয় ঈদগাহের সামনে দিয়ে কদম ফোয়ারার মোড় ঘুরে তোপখানা রোড দিয়ে সেগুনবাগিচায় হাসপাতালে আসে শোকযাত্রা। হাসপাতালের চিকিৎসক আবু সাঈদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহ হস্তান্তর করে বিষণ্ন চিত্তে ফিরে যান তাঁর অনুরাগীরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিএফইউজে-ডিইউজের সমাবেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধী সব কালাকানুন বাতিল দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: সাংবাদিকদের সুরক্ষা, গণমাধ্যমবিরোধী সব কালাকানুন বাতিল, সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচারদাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। সাংবাদিক নেতাদের নামে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তারা এসব ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনেরও ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত সাংবাদিক সমাবেশে এসব দাবি ও ঘোষণা দেন নেতারা। সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধী সব কালাকানুন বাতিল, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচার, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং সাংবাদিক নেতাদের নামে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে এই সাংবাদিক সমাবেশ হয়। সমাবেশে রুহুল আমিন গাজী বলেন, ফ্যাসিবাদ পতনের পর কোনো দাবি দাওয়ার জন্য রাজপথে নামতে হবে এটা আমাদের প্রত্যাশিত ছিল না। তবে দুঃখের বিষয়— সাগর রুনি

আরও পড়ুন
language Change