তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
দেড় বছর পর জনি হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেফতার খুলনায় হাসপাতাল থেকে চোর ও অজ্ঞানপার্টির  ২ নারী সদস্য আটক দাকোপের কামারখোলা প্রধান সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত, জনভোগান্তি চরমে নবাবগঞ্জে ডিএন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের অংশ বিশেষ প্রচারের অভিযোগ দেশে ভয়াবহ হারে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের জন্য দুঃসংবাদ খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি, নিহত ২ মাদক মামলার জট কমাতে পৃথক ট্রাইব্যুনাল প্রস্তাব করা হয়েছে রংপুরে সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের সঙ্গে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতার পরিস্থিতি নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য মোংলায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন পাটালি গ্রুপের দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার  ৮০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে শেরপুর পৌরসভা   ১৭ বছর পরও অমলিন পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম চট্টগ্রাম বন্দরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: নিহত ৩২, আহত ৭০০ ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ বাগেরহাটে ২ কেজি গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক শিল্প-কলকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় সাব- কন্ট্রাক্টিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ভোলায় পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি অভিযোগ দুই দিনের রিমান্ডে আলভী একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে : রিজভী কেমন থাকবে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া দুই কোটি ৩৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে: শিক্ষামন্ত্রী বরগুনায় অসুস্থ ও শয্যাশায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান ‎সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি চক্র গোয়েন্দা নজরদারিতে গ্রেফতারের পরদিন কারাগারে মারা গেলেন চট্টগ্রামের যুবলীগ নেতা ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কার্যনিষিদ্ধ লীগের ৩ নেতা আটক পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী  নোয়াখালীর পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট পর্বে কলম্বিয়া ভাঙনের গুঞ্জন উড়ে গেল বিজয়-তৃষার বিশেষ ছবির ঝড়ে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এপস্টেইন কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন বিল গেটস মেসিদের খেলা দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাসেল উপকূলের ঢাল হিসেবে মোংলায় নবলোক পরিষদের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ বিশ্ব বাজারে আরও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম সিরাজগঞ্জে জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

জামায়াত নেতারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করছিলেন: পুলিশ

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলসহ গ্রেপ্তার নয় নেতাকর্মী রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করতে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। এই অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলার পর আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে নয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন, আব্দুর রব, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত এবং জামায়াতের কর্মী মনিরুল ইসলাম ও আবুল কালাম।

জামায়াত নেতাকর্মীদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলা দিয়ে তাদের আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিসি আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তার জামায়াতের নেতারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বৈঠকে তারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপন সংবাদে বৈঠকের খবর জানতে পেরে তাদের আটক করি।’

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা বৈঠকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করছেন বলে আমাদের কাছে খবর আসে। তাদের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনার বৈঠক থেকে আলামত হিসেবে কিছু বই আমরা জব্দ করি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কেন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। আমরা ধারণা করছি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করার উদ্দেশ্যে মিলিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য এটা তাদের গোপন বৈঠক ছিল। নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কি না, তারা কোথায় বা কোন সময় নাশকতা করবে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমরা জানতে পারবো, তারা কী উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। তাছাড়া তাদের কাছ থেকে পাওয়া আলামতের বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারব।’

তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে মিলিত হওয়ার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

তাদের নিয়মিত বৈঠক ছিল নাকি বিশেষ কোনো পরিকল্পনার জন্য বৈঠক ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা নিয়মিত বৈঠক ছিল না। এর আগেও যে নাশকতা হয়েছিল তারা একইভাবে বসুন্ধরা এলাকায় বৈঠকে মিলিত হয়ে পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করতো।’

সম্প্রতি তালেবানের উত্থানের সঙ্গে তাদের এই নাশকতার পরিকল্পনার কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না জানতে চাইলে ডিসি গুলশান বলেন, ‘মাত্র আগস্ট মাস গেল। আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছিল দেশে ও দেশের বাইরে। আমরা এটুকু খতিয়ে দেখছি, এ ধরনের ষড়যন্ত্রের কোনো পরিকল্পনা তাদের ছিল কি না।’

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু

ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ফের চালু করা হয়েছে। যুদ্ধের জেরে দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর বিমানবন্দরটি থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা করলে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর থেকে ইরানের প্রধান বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকে। এ সময় অন্যান্য বিমানবন্দর চালু করা গেলেও সেটি সচল করা সম্ভব হচ্ছিল। অবশেষে সংস্কারকাজের পর ফ্লাইট শুরু হলো। বুধবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক সময়ে এই বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা ১০ থেকে ১৫টিতে নেমেছে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে। দেশজুড়ে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এ বিমানবন্দর সচল করা হয়েছে। তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর মেহরাবাদ যুদ্ধে বারবার হামলার শিকার হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত হয় এ বিমানবন্দর। এছাড়া তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ

আরও পড়ুন
language Change