তারিখ লোড হচ্ছে...

পাথরঘাটায় নৌ পুলিশের ঘুষ গ্রহন,ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাটোরে পৃথক অভিযানে ৩ হাজার ইয়াবা ও ৭০ বোতল এসকাপ সিরাপ উদ্ধার, আটক ২ শাল্লার উজানগাঁও গ্রামের রুপ মিয়ার বসতঘর থেকে বিট্রিশ আমলের লোহার পিলার(মেগনেট) উদ্ধার দুর্নীতির দায়ে অপসারিত চেয়ারম্যানের মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ সুন্দরবন সুরক্ষায় অঙ্গীকার: আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবসে মোংলা-রামপালে বেডসের বৃক্ষরোপণ অভিযান কালীগঞ্জে ফের বিদ্যুতের নড়বড়ে খুঁটি, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সংসদ ভবনে এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত হট্টগোল সামাল দেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বেনাপোলে ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি থানায় অভিযোগ টানা ৩ দিন ১২ ঘণ্টা করে গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে যা বলছেন বলিউড তারকারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবা খুন, পুত্র আটক এলএনজি সরবরাহ কমায় তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিফাতের চাঁদাবাজি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ইরানে মার্কিন হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার কুয়েতের রাজনীতির মাঠে এক নক্ষত্র নাদিম চৌধুরী রাঙামাটিতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক বাবা-মা  চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি'র চেয়ারম্যান হামিদ রানা ইয়ামিন হত্যা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল সতীর্থদের বিশেষ উপহার দিয়েছেন মেসি, কি ছিল সেই ব্যাগে? হামলার শিকার সাংবাদিক রাজু হামিদ: জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ঢাকা প্রেসক্লাবের এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছোটদের পত্রিকা কানামাছির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফিঙ্গারপ্রিন্টে কাজ হচ্ছে না, যাচাই হবে আইরিশ সাতক্ষীরা তালার ধানদিয়ায় রাস্তা নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন  রাজশাহীর কাটাখালীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক এমপি নজরুলের একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর ভিডিও বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি'র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী মতামত, অনুমান কিংবা অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না: তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবিতে তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন অনুসন্ধানী সাংবাদিক শফিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গেন্ডারিয়া থানা রিপোর্টার ক্লাবের মানববন্ধন বরগুনায় জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সাংবাদিক নেতার সেতু সংস্কার বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি বিপিজেএফের নলডাঙ্গায় মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালাতের অভিযান মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচ থেকে বোমা উদ্ধার রামগড় বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু ২৭ জুলাই কালীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওকৃষি উন্নয়নের প্রণোদনা বিতরণ  কালীগঞ্জের শিশু ফারজানা হত্যার প্রধান আসামি আল মামুনকে আটক  চাঁদপুরের রামচন্দ্রপুরে ডাকাতিয়ার ভাঙ্গন আতঙ্ক চট্টগ্রামে সাংবাদিক আসিফ কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের পুরোনো বক্তব্য ভাইরাল কেশবপুরে নিষিদ্ধ মাগুর চাষ‌: ব্যবসায়ীকে জরিমানা সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে সেপ্টেম্বরে: আইনমন্ত্রী সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এলপিজি সিলিন্ডার এখন ২০০০ টাকা

এলপিজি সিলিন্ডার এখন ২০০০ টাকা! দেখার কেউ নেই?
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন করিম আহাম্মদ। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে খরচ কমাতে ডেমরাতে বসবাস করছেন তিনি। বাসায় লাইনের গ্যাস না থাকায় রান্নার একমাত্র ভরসা এলপিজি সিলিন্ডার।

গতকাল বাজারে গিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা হলেও দোকানদার তার কাছে ১ হাজার ৮০০ টাকা দাবি করেন। বিকল্প না থাকায় শেষ পর্যন্ত তাকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫৪৭ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হতে হয়। সুমন বলেন, বাসায় গ্যাস সংযোগ না থাকায় রান্নার জন্য এলপিজির ওপরই নির্ভর করতে হয়। দাম বেড়েছে— এমন খবর আমার জানা ছিল না। দোকানে এসে জানতে পারি, ১ হাজার ২৫৩ টাকার সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। বাধ্য হয়ে সেই দামেই কিনতে হয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব দেখার কি কেউ নেই? এ দায় কার?

শুধু রাকিব হাসানই নন, গ্যাস সংযোগ না থাকায় তার মতো অনেকেই এখন বিপাকে পড়েছেন। এলপিজি সিলিন্ডারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, আমি চারটি দোকান ঘুরেও কোথাও ভিন্ন দাম পাননি— সব জায়গায় একই দামই চাওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত উপায় না পেয়ে দুই হাজার টাকায় এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে।

পত্রিকায় দেখলাম গ্যাসের দাম বেড়েছে। ডিটেইল জানি না, আই হ্যাভ নো আইডিয়া। সরবরাহ ঘাটতির কারণে এমনটা হতে পারে৷ সরবরাহে কেন হঠাৎ ঘাটতি হলো সেটি জানা নেই। ডিমান্ড-সাপ্লাইয়ের তারতম্যে এমনটা হতে পারে।— ওমেরা এলপিজির ডিরেক্টর ড. এম তামিম,
কদমতরীর বাসিন্দা শরিফ শুক্রবার সকালে একটি ফেসবুক গ্রুপে লিখেছেন, দেড় মাস আগে যে সিলিন্ডার আমি এক হাজার ৩৫০ টাকায় কিনেছিলাম, সেটির দাম এখন দোকানদার বলছেন ২ হাজার ৫০০ টাকা। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন— এত বেশি দাম বাড়ার কারণ কী এবং কম দামে সিলিন্ডার কোথায় পাওয়া যাবে? একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেক দোকানেই গ্যাসের সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে, ফেসবুকে অনিক লিখেছেন, নীরবে সিলিন্ডার গ্যাসের হরিলুট চলছে। তার ভাষায়, এক হাজার ৩০০ টাকার বোতল এখন ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার কেনার এমন চিত্রই দেখা যাচ্ছে। একদিকে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি, অন্যদিকে অনেক জায়গায় চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডারও পাওয়া যাচ্ছে না।
গ্রাহকদের অভিযোগ, হঠাৎ এভাবে দাম বেড়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। আগে কখনো কখনো ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি নিলেও এবার একলাফে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ কম থাকায় তাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে বিক্রির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
রাজধানীর আদাবর এলাকার সিলিন্ডার বিক্রেতা রিয়াজুল হোসেন বলেন, বর্তমানে বাজারে সিলিন্ডারের সংকট রয়েছে। এ কারণে দাম বেশি। তার ভাষায়, তাদেরও এক হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ টাকায় সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে গাড়িভাড়া ও অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় বিক্রির দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছা করে বেশি দামে বিক্রি করছি না, বরং বাড়তি দামে কিনে বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
প্রতি মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ডিসেম্বর মাসের ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ভোক্তা পর্যায়ে এক হাজার ২৫৩ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী, এই দাম আগামী ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। ওই দিন জানুয়ারি মাসের জন্য নতুন দাম ঘোষণা করবে বিইআরসি, যা ঘোষণা শেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
১২৫৩ টাকার এলপিজি ২০০০ টাকা, দায় কার? তবে কোনো ধরনের নতুন ঘোষণা ছাড়াই খোলা বাজারে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সময়মতো এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলপিজি আমদানি করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে হঠাৎ করেই বাজারে তীব্র সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে এবং দাম বেড়েছে।
কিন্তু বাজারে বিদ্যমান এলপিজি আগেই আমদানি করা। নতুন করে এলপিজির দাম বৃদ্ধির ঘোষণাও আসেনি৷ তাহলে কেন এত বেশি দাম বেড়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে দুষছেন জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা৷

ওমেরা এলপিজির ডিরেক্টর ড. এম তামিম বলেন, আমি সকালে পত্রিকায় দেখে হঠাৎ দাম বাড়ার বিষয়টি জানতে পারি। ডিটেইল জানি না, আই হ্যাভ নো আইডিয়া। সরবরাহ ঘাটতি থাকার কারণে হয়তো এমনটা হচ্ছে৷ সরবরাহে কেন হঠাৎ ঘাটতি তৈরি হলো সেটি জানা নেই। ডিমান্ড-সাপ্লাইয়ের তারতম্যের কারণে এমনটা হতে পারে৷

২০২১ সাল থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। তা সত্ত্বেও বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে এবারের মতো এত বেশি দামে বিক্রির নজির আগে দেখা যায়নি। বিষয়টি এরই মধ্যে বিইআরসির নজরে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নিতে গত বৃহস্পতিবার এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনকে (লোয়াব) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

বিইআরসির চিঠিতে বলা হয়, ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ হিসাবে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ভোক্তা পর্যায়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা হবে।

নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ কমিশনের কাছে এসেছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে কোনোভাবেই বাড়তি দামে বিক্রি করা যাবে না। তাই সব পর্যায়ে নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলো।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, সরবরাহে ঘাটতির কারণে হঠাৎ দাম বেড়ে গেছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ আছে, সেসব স্থানে অভিযান পরিচালনা করতে।

কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে ব্যবসায়ীরা লুণ্ঠন করছে। এ লুণ্ঠন রোধের দায়িত্ব বিইআরসি, ভোক্তা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পৌর করপোরেশন কর্তৃপক্ষের। তবে এ বিষয়ে কারো তেমন মাথাব্যথা নেই।

শামসুল আলম বলেন, ‘মাথাব্যথা আছে শুধু আমার আর আপনার (সাংবাদিক) কাছে। সব খরচ জনগণ বহন করছে, অথচ তাদের প্রতি এত বড় অবিচার করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আইনে বলা আছে, বিইআরসি যদি আদেশ না মেনে কেউ বাড়তি দাম নেয়, তবে অর্থদণ্ড, জেল অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। তবুও কমিশন কখনো এ ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। এমনকি ফৌজদারি অপরাধে মামলা করারও অধিকার রয়েছে, কিন্তু কখনো মামলা করা হয়নি বা কৈফিয়ত চাওয়া হয়নি। তাহলে দেশ কীভাবে চলে? এটাই কি সভ্য সমাজ, এটাই কি সভ্যতা? এ প্রশ্ন করা ছাড়া আমার আর কিছু বলার নেই।

দাম বাড়ার বিষয়টিকে বিইআরসির ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক, জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন। তিনি বলেন, এলপিজি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্রিটিক্যাল আইটেম। এজন্য সরকার এবং বিইআরসিকে এর ব্যবস্থাপনায় যথাযথ মনোযোগ দিতে হবে।
ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দাম বেড়ে যাওয়া স্পষ্টভাবে বিইআরসির ব্যর্থতা। তাদের অবশ্যই খবর রাখা উচিত, সরবরাহে ঘাটতি হবে কি হবে না। এছাড়া অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন। তিনি যোগ করেন, বাড়তি দাম মোটেও কাম্য নয়—নির্ধারিত দাম অনুযায়ীই সিলিন্ডার বিক্রি করতে হবে।
কিছু পরামর্শ দিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, যেখানে বেশি গোলমাল দেখা দিচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া উচিত। বিইআরসিকে এসব জায়গা থেকে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যাতে সরবরাহের বর্তমান অবস্থা জানা যায়।
বুয়েটের সাবেক এ অধ্যাপক বলেন, এলপিজি এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এটি শিল্পখাতেও ব্যবহার হচ্ছে। তাই বিইআরসির বড় ভূমিকা রয়েছে। তাদের আরও বেশি ইন্সপেক্টর নিয়োগ করতে হবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে সঠিকভাবে ঠিক রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি আগে থেকেই আভাস পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে ডলার পাওয়ার বা ছাড় দেওয়ার কোনো সমস্যা হলে সেটি ঠিকভাবে করা উচিত, কারণ মূল সমস্যা সরবরাহের ঘাটতি। এখনই গোলমাল হওয়াই স্বাভাবিক। সরকার চাইলে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিতে পারে নির্ধারিত কিছু স্থানে বড় আউটলেট তৈরি করতে, যাতে সরবরাহে সমস্যা থাকলেও সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে এলপিজি পেতে পারে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার

কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার

ডেস্ক রিপোর্টারঃ ক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় ৯টি ক্ষেত্রে সরকারের পরিচালন ব্যয় কমিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করে সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিপত্র জারি করল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরিপত্রে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে নিচের নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে। ১. সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে। ২. সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে। ৩. প্রশিক্ষণ ব্যয় ছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ

আরও পড়ুন
language Change