তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ সওজে আজাদ সাম্রাজ্য টেন্ডার বদলি, বিল কমিশনের জাদুকরী খেলায় তোলপাড় সড়ক ভবন ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ রেল যোগাযোগের আওতায় যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ময়লা অপসারণে ব্যাপক উদ্যোগ-সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়: আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি বাংলা টিভির সামাদুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় ডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ১০ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ ইথিওপিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩১ সিরাজগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য আটক সমতায় শেষ হল ইরান-নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর লড়াই মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে শেখ বোরহান উদ্দিন রেকর্ড পতনের পর আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ বুধবার মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী , চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙ্গা আমের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু বরগুনায় পুলিশ সার্ভিস ডেস্ক সেবা বিষয়ে সচেতনতা সভা রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ সাতক্ষীরা উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা মালিকদের নিকট হস্তান্তর নড়াইলে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারনের অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে মাছ শিকারের জালে ধরা পড়লো বিশালাকার অজগর ৪৪৪ বর্গকিলোমিটারের কুরাসাও বনাম ২০ কোটির বাংলাদেশ: ফুটবলের আয়নায় এক কঠিন বাস্তবতা এবি ব্যাংক শ্রীমঙ্গল শাখার কৃষিঋণ বিতরণ মোংলায় বিএনপি নেতার নামে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ১৬২ বোতল ভারতীয় সিরাপ জব্দ জিয়া শিশু কিশোর মেলা, জয়পুরহাট জেলা কমিটি ঘোষণা দীঘিনালায় ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

শত কোটির টাকার অবৈধ সম্পদ মাস্টারমাইন্ড বাপ্পির

শত কোটির টাকার অবৈধ সম্পদ মাস্টারমাইন্ড বাপ্পির জীবন
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি চায়ের দোকানি থেকে হয়ে যান ঝুট ব্যবসায়ী। যুবলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর হয়ে উঠেন বেপরোয়া। রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগরে চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দখলদারিত্ব কায়েম করেন বাপ্পি। এক যুগে গড়ে তোলেন শত কোটির টাকার অবৈধ সম্পদ। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

হাদি হত্যা মামলায় প্রায় একমাস তদন্তের পর ৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযাগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নাম আসে যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির।

স্থানীয়রা জানান, বাপ্পির বাবা মন্টু চা বিক্রি করতেন। বাপ্পিও সেই দোকানেই বসতেন। পরে তার বাবা গার্মেন্টস থেকে ঝুট বের করার কাজে নামে। ২০০৮সালে বাবা মারা গেলে ঝুট ব্যবসায় যুক্ত হন বাপ্পি। স্থানীয়রা বলেন, ‌উনি একসময় ক্যারাম বোর্ড ঘর করে ভাড়া দিয়ে ৮/১০টা বোর্ড চালাতো। এই এলাকায় রাজত্ব করেছে। এমপি সাহেবের খাস লোক ছিলো। ২০০৫-০৬ সালের দিকে যুবলীগের মিছিল মিটিংয়ে যাওয়া শুরু করেন বাপ্পি। ২০১২ সালে গিয়ে পান পল্লবীর একটি ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ। স্থানীয়রা জানান, এরপর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বাপ্পি।

স্থানীয় একজন বলেন, ঝুট ব্যবসায় নিয়ে ঝায়-ঝামেলা করছিলো। অনেক মানুষও মারছিলো। ওতো আগে থেকেই উচ্ছৃঙ্খল। আরেকজন বলেন, পুরো পল্লবীতে উনার অফিস। যেখানে যাবেন সেখানেই উনার অফিস।

বাপ্পি চাঁদাবাজির পাশাপাশি দখলদারিত্বেও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। রাজধানীর পুরবী সুপার মার্কেট সমিতির অফিস দখল করে বনে যান স্বঘোষিত সভাপতি হয়ে বসেন। গত ৫ বছরে দোকান কেনা-বাচার নামে কমিশনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

মিরপুর সুপার মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. সোয়েব খান বলেন, কারো দোকানও ছিলো না আর কেউ সমবায় কর্তৃক সভাপতি নির্বাচিতও হয়নি। একটা দোকান বিক্রি করলে উনাদের একটা বেনিফিট দিতে হতো, কিনলেও দিতে হতো। আর ফুটপাত থেকেও একটা চাঁদা উঠতো।

হাদি হত্যা মামলায় প্রায় একমাস তদন্তের পর ৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযাগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নাম আসে যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির।

বাপ্পির বিষয়ে খোঁজ নিতে রাজধানীর পল্লবীতে যায় সময় সংবাদ। স্থানীয়রা জানান, বাপ্পির বাবা মন্টু চা বিক্রি করতেন। বাপ্পিও সেই দোকানেই বসতেন। পরে তার বাবা গার্মেন্টস থেকে ঝুট বের করার কাজে নামে। ২০০৮ সালে বাবা মারা গেলে ঝুট ব্যবসায় যুক্ত হন বাপ্পি। স্থানীয়রা বলেন, ‌উনি একসময় ক্যারাম বোর্ড ঘর করে ভাড়া দিয়ে ৮/১০টা বোর্ড চালাতো। এই এলাকায় রাজত্ব করেছে। এমপি সাহেবের খাস লোক ছিলো।

২০০৫-০৬ সালের দিকে যুবলীগের মিছিল মিটিংয়ে যাওয়া শুরু করেন বাপ্পি। ২০১২ সালে গিয়ে পান পল্লবীর একটি ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ। স্থানীয়রা জানান, এরপর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বাপ্পি।

স্থানীয় একজন বলেন, ঝুট ব্যবসায় নিয়ে ঝায়-ঝামেলা করছিলো। অনেক মানুষও মারছিলো। ওতো আগে থেকেই উচ্ছৃঙ্খল। আরেকজন বলেন, পুরো পল্লবীতে উনার অফিস। যেখানে যাবেন সেখানেই উনার অফিস।

বাপ্পি চাঁদাবাজির পাশাপাশি দখলদারিত্বেও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। রাজধানীর পুরবী সুপার মার্কেট সমিতির অফিস দখল করে বনে যান স্বঘোষিত সভাপতি হয়ে বসেন। গত ৫ বছরে দোকান কেনা-বাচার নামে কমিশনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

মিরপুর সুপার মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি  বলেন, কারো দোকানও ছিলো না আর কেউ সমবায় কর্তৃক সভাপতি নির্বাচিতও হয়নি। একটা দোকান বিক্রি করলে উনাদের একটা বেনিফিট দিতে হতো, কিনলেও দিতে হতো। আর ফুটপাত থেকেও একটা চাঁদা উঠতো। মিল্ক ভিটা রোডের ৬কাঠা জমির ওপর চৌধুরী ভিলা নামের বাড়িটি বাপ্পিদের। তৃতীয় তলায় থাকেন সৎ মা। বাকিগুলো ভাড়া দেয়া। সেখানে গেলে কথা হয় মায়ের সাথে।

বাপ্পির সৎ মা মোছাম্মাৎ বেগম বলেন, সরকার যাওয়ার পর থেকে আর তাকে দেখিনি। আমাদের এখানে আগে মাঝেমধ্যে আসতো। পল্লবীর সেন পাড়ায় আছে ৩কাঠার প্লট। কামারপাড়াতেও আছে ৪কাঠার প্লট। ঢাকার বাইরেও তার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে ।

আশুলিয়ায় গিয়ে সন্ধান মেলে দুইটি প্লটের। আশুলিয়ার কুটুরিয়ার নিক্কন আবাসন প্রকল্পের মধ্যে ম্যাগপাই চৌরাস্তার পাশে এই দুটি প্লট। সাড়ে ১৬শতাংশের একটি প্লট ২০২১ সালে ক্রয় করেন বাপ্পি।

একই প্রকল্পে আরও দুটি প্লটের সন্ধান মেলে বাপ্পির। চারটি প্লটের আছে ৩৩দশমিক ৬৮শতাংশ জমি। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩কোটি টাকা। স্থানীয়রা জানালেন, মালিক সমিতির নামে কিনে পরে নিজের নামে করে নেন এসব জমি।

বাপ্পির প্লট, বাড়ি ও ফ্ল্যাটের বাইরেও ব্যাংক হিসাবেও মেলে বিপুল লেনদেনের তথ্য। গত বছরের জুলাই থেকেই তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। ৪টি ব্যাংক হিসাবে মিলেছে ৫৬কোটি ৮৬লাখ টাকার। সিআইডি বলছে, হাদি হত্যায় নাম আসার আরো দ্রুত অনুসন্ধান করছে তারা।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, এখানে যে মাস্টারমাইন্ড উঠে এসেছে নিশ্চিত করেই তাদের সঙ্গে এর একটা যোগাযোগ আছে। তার বেনিফিশিয়ারি যারা, ওই লোকের একাউন্টে গেছে কিনা সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি।

এদিকে, বাপ্পির কাউন্সিলরে অফিসে শুটার ফয়সালের সাথে বৈঠকের ভিডিও পাওয়া গেছে। হাদিকে হত্যার পরিকল্পনার আগে সেপ্টেম্বরে ভারত থেকে শরীয়তপুর এসে বিয়ে করে আবারো ভারত চলে যান বাপ্পি। কলকাতা পুলিশের কাছে আটকের পর ছাড়াও পান বাপ্পি।

ডিএমপির গণমাধ্যম বিভাগের উপ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, তারা অবৈধ পথে সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে। যারা এই কাজে সহযোগিতা করেছে তাদের বক্তব্যগুলোও আমরা গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছি। বাপ্পি ও ফয়সালকে ফেরাতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দখল রাজধানীর বেশিরভাগ ফুটপাত, মানুষ হাঁটবে কোথায়?

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজধানীর প্রশস্ত ফুটপাতও চলে গেছে দোকানপাটের দখলে। ২-৩ স্তরের দোকানের কারণে ব্যাহত পথচারী চলাচল। কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কে উঠে গেছে দোকানের বহর। সংকুচিত হয়েছে ব্যস্ত রাজপথ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলতে হচ্ছে নগরবাসীকে, বাড়ছে দুর্ঘটনা। এসব উচ্ছেদে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই দুই সিটি করপোরেশনের। ছোট ছোট দোকানে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি আদতে ফুটপাত। পথচারীদের হাঁটা চলার জন্য থাকলেও, চলে গেছে পুরোপুরি হকারদের দখলে। গুলিস্থান থেকে শুরু করে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর সহ অলিগলি ফুটপাতে নেই পা ফেলার জায়গাটুকুও। মূল সড়কের পাশে ৩০ ফুট চওড়া ফুটপাত। অথচ সেখানে বসছে ২-৩ স্তরে দোকানপাট। শুধু মিরপুর নয়, নগরীর অন্যান্য এলাকার ফুটপাতেরও একই দশা। নিয়ম ভেঙে কেনো ফুটপাতেই বসাতে হয় দোকান? ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভিন্ন কোনো ব্যবস্থা করা

আরও পড়ুন
language Change