তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
​পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক্টরসহ আটক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য হলেন দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মাদ মাসুদ ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ ঈদ উপলক্ষে দোকান-শপিংমল খোলার নতুন সময় নির্ধারণ ঈদে ট্রেনের টিকিট বিক্রি নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া করলেন শান্ত রংপুরে ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী আটক হরমুজ প্রণালি যুদ্ধাঞ্চলে পরিণত হয়েছে মামলা ও বিতর্কের মধ্যেই পদোন্নতি পেতে দৌড়ঝাপ, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বঞ্চিতরা কাজিপুরে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভোগান্তি চরমে: কর্মস্থল ফেলে লাপাত্তা চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা টিস্যুবক্স নিক্ষেপ ইস্যু: অপপ্রচারের প্রতিবাদে শরীয়তপুর প্রেস ক্লাবের নিন্দা প্রকাশ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প     কেশবপুরে পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের মানববন্ধন সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর প্রধান মেজ জাহাঙ্গীর অ স্ত্রসহ আটক বিজিবি’র অভিযান ৪৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার​ সংবাদপত্রের আস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে এশিয়াপোস্ট: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. আসিফ মিজান চাঁপাইনবাবগঞ্জে হতদরিদ্রদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ সুন্দরবনের দুটি হরিণ উদ্ধার করেছেন বন রক্ষীরা ১৪ বছর পর জমির মালিকানা ফিরিয়ে দিল প্রশাসন শেরপুরে ভূসির বস্তায় ১০৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তিনজনকে আটক পাচারকালে আটক ৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে স্থানান্তর ময়নাতদন্তে উঠে এলো গাজীপুরে ৫ হত্যার ভয়াবহ চিত্র গণপূর্তে তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ ডুয়েটে ভর্তির আবেদন শুরু আজ আগের চেয়ে সুস্থ আছেন মির্জা আব্বাস আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ঈদযাত্রায় যানজটের ৯৪ স্পট চিহ্নিত নদী পারাপারে ভোগান্তি কমাতে জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত শেরপুরে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন মোহাম্মদপুর অভিযানে হামলার শিকার পুলিশ ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় মোশারফ হোসেন খোকন জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসব বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ফিরেই গোলের দেখা পেলো নেইমার এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করছে সরকার গর্ভের শিশুর পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট খামারিদের সুরক্ষা জন্য বিজিবিকে কঠোর নির্দেশনা: প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জাগৃকের ২০ একর জমি পাঁচ কোম্পানির দখলে নলডাঙ্গায় রেল স্টেশনের ওভার ব্রিজের পিলারে ধাক্কা ১ শিশু মৃত্যু নাটোর সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন মাননীয় সংসদের হুইপ ৩৬ টি কোম্পানীর প্লট ফ্ল্যাট না কেনার আহ্বান জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নাটোরের পার্কে দুই বিদেশি নাগরিক হেনস্তার ঘটনায় দুইজনকে আটক নলডাঙ্গার খান রাইস প্রসেসিং প্ল্যান্টের খাঁটি চাল উত্তরবঙ্গে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে‎‎ পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন স্নেহের প্রতিদান দখলবাজি বাবার জমি নিজের কব্জায় নিলেন মেয়ে! কেশবপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এ সাফল্য জুয়ার আসরের সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি রূপপুর, টানেল ও পদ্মা সেতুতে অপ্রয়োজনীয় খরচ না হলে ভালো কিছু করা যেত

রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী: এস এম জাহাঙ্গীরের উত্থান ও ত্যাগের গল্প

রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী: এস এম জাহাঙ্গীরের উত্থান ও ত্যাগের গল্প
পাঠক সংখ্যা
638

​নিজস্ব প্রতিবেদক॥

​রাজনীতিতে পদ-পদবি হয়তো অনেকেই পান, কিন্তু জনমনে স্থান করে নিতে প্রয়োজন হয় অসামান্য ত্যাগ, ধৈর্য এবং রাজপথে রক্ত ঝরানোর সাহস। ঠিক এমনই এক অগ্নীপরীক্ষার মধ্য দিয়ে নিজেকে ঢাকা-১৮ আসনের ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তরুণ রাজনীতিবিদ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
​বিরোধী দলের রাজনীতিতে যখন দুঃসময় চলছিল, তখন অনেকেই পিছু হটেছিলেন। কিন্তু এস এম জাহাঙ্গীর ছিলেন ব্যতিক্রম। মামলা, হামলা, জেল আর জুলুমকে উপক্ষা করে তিনি হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের নির্ভরতার প্রতীক।
​সংগ্রামমুখর ছাত্রজীবন ও রাজনীতির হাতেখড়ি:
এস এম জাহাঙ্গীরের রাজনীতির শুরুটা মসৃণ ছিল না। ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে হাতেখড়ি নেওয়া এই নেতা খুব অল্প বয়সেই নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দেন। তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদল থেকে শুরু করে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের নেতৃত্ব—প্রতিটি ধাপেই তিনি ছিলেন কর্মীদের চোখের মণি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছিল, যা তাকে খুব দ্রুতই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে নিয়ে আসে।
​শতাধিক মামলা ও কারাভোগ: দমে না যাওয়ার গল্প :
গত দেড় দশকে বিরোধী দলের রাজনীতি করতে গিয়ে এস এম জাহাঙ্গীরকে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে শতাধিক রাজনৈতিক মামলা। কখনও নাশকতার অভিযোগ, কখনও বা মিথ্যা সাজানো ঘটনায় তাঁকে বারবার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে।
​একান্ত আলাপচারিতায় তাঁর ঘনিষ্ঠরা জানান, এমনও সময় গেছে যখন দিনের পর দিন তাঁকে আদালতের বারান্দায় কাটাতে হয়েছে। রিমান্ডের নামে পুলিশি নির্যাতন সহ্য করেছেন, মাসের পর মাস কারাবাস খেটেছেন। কিন্তু তবুও তিনি দেশ ছাড়েননি, কর্মীদের ছেড়ে পালাননি। এই ‘ত্যাগ’ ই তাঁকে সাধারণ কর্মী থেকে আজকের জননেতায় পরিণত করেছে।
​রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে সরব উপস্থিতি:
যখনই রাজপথে আন্দোলনের ডাক এসেছে, এস এম জাহাঙ্গীর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল কিংবা প্রতিপক্ষের হামলা, কোনো কিছুই তাঁকে দমাতে পারেনি। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি থাকাকালীন তিনি যে সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা ছিল ঈর্ষণীয়। তাঁর নেতৃত্বে উত্তরার রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে বারবার। এই সাহসিকতাই তাঁকে দলের হাইকমান্ডের কাছে আস্থাশীল করে তুলেছে এবং কম বয়সেই তাঁকে ‘হেভিওয়েট’ নেতার কাতারে নিয়ে গেছে।
​কেন তিনি ‘হেভিওয়েট’?
রাজনীতিতে ‘হেভিওয়েট’ শব্দটি সাধারণত প্রবীণ নেতাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এস এম জাহাঙ্গীর তাঁর কর্মগুণে এই ধারণা বদলে দিয়েছেন।
১. তৃণমূল কানেকশন: তিনি কেবল নেতাদের নেতা নন, কর্মীদের বন্ধু। প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি ইউনিটের কর্মীর নাম তাঁর মুখস্থ।
২. সংগঠক হিসেবে দক্ষতা: চরম বৈরী পরিবেশেও তিনি দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন।
৩. জনপ্রিয়তা: ঢাকা-১৮ আসনে তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দলমত নির্বিশেষে সকলের নজর কেড়েছে।
আগামীর স্বপ্ন:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। তিনি বলেন, “আমার এই সংগ্রাম ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। যত মামলা-হামলা হয়েছে, তা আমার জেদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এই ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করব।”
​তরুণ বয়সে এত চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আসা এস এম জাহাঙ্গীর আজ কেবল একটি নাম নয়, বরং প্রতিরোধের এক প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তাঁর এই ত্যাগের মূল্যায়ন ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ দেবে, এমনটাই প্রত্যাশা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

রাজস্ব কর্মকর্তার স্বাক্ষরে চলত অবৈধ সিগারেট কারখানা

রাজস্ব কর্মকর্তার স্বাক্ষরে চলত অবৈধ সিগারেট কারখানা

বগুড়া জেলা সংবাদদাতাঃ বগুড়ার শিবগঞ্জে রাজস্ব কর্মকর্তার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত একটি অবৈধ সিগারেট কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর অভিযানে ভুয়া ওই প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সামগ্রী জব্দ করা হয়। এ সময় নামবিহীন ওই ভুয়া সিগারেট কারখানায় কর্মরত চারজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জানে আলম সাদিফ ও লেফটেন্যান্ট আল ফাহাদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। সেনাবাহিনীর বগুড়া সদর ক্যাম্প কমান্ডার (ক্যাপ্টেন) জানে আলম সাদিফ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার খয়ারপুকুরে নামবিহীন অবৈধ এক সিগারেট কারখানায় অভিযান করে সেনাবাহিনী। রাতভর চলা অভিযানে জব্দ করা হয় ১৫ লাখ টাকা মূল্যর নকল ব্যান্ড রোল, ১০ লাখ টাকা

আরও পড়ুন
language Change