তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
তনু হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর নির্যাতন বন্ধে আইন নয়, সামাজিক সচেতনতাও জরুরি আ.লীগের মতো বিএনপিও প্রতিপক্ষ মনে করছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় বিএনপি হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু বটিয়াঘাটায় খেয়াঘাট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র ধান কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ দীঘিনালায় বাড়ছে নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল বাংলাদেশ-নেপা‌ল ব্যবসায়িক সংযোগের জোরদার নোয়াখালীর চাটখিলে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়ীতে শুরু হয়েছে মহানামযজ্ঞ ও লীলা কীর্তন সোবহানার ফিফটিতে দুইশ ছাড়ালো বাংলাদেশ নেট দুনিয়ায় সাড়া ফেলেছে সাবিনার ইয়াসমিনের নতুন গান জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় উঠে এলো ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল পানির জন্য হাহাকার মিরপুরে কলাবাগান এসটিএস আধুনিকায়ন ডিএসসিসির পাম্পে কমছে অপেক্ষা, ফুয়েল পাস ছাড়া তেল মিলছেও কম অভিমানে নিভে গেল দশম শ্রেণির ছাত্রের জীবন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা যুক্তরাষ্ট্রে মিলল নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মরদেহ  সিরাজগঞ্জে জাল টাকার কারবারে যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড যুব রেড ক্রিসেন্ট, রামগড় ইউনিটের নতুন কমিটি গঠন সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত ভাটারায় ‘মিনি ক্যাসিনো’র ছড়াছড়ি: জুয়া-মাদকের কারবারে তোলপার ‎রাস্তার পাশে নারীদের জন্য ন্যাপকিন সুবিধা মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার বাস ভাড়া বাড়েনি, সমন্বয় করা হয়েছে ইরানরে পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র লোডশেডিং কবে কমবে জানালেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ারজাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সীমান্ত হবে নিরাপদ, অপরাধ হবে শূন্য-বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিজানে ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ সংসদে সংস্কার না হলে রাজপথে কঠোর লড়াই একাধিক মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড বাইক বিক্রি করে সেতু করে দিলেন দিনমজুর ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সেই ডা. সেহাব এখনো বেপরোয়া বয়স কমাতে চান এর চিকিৎসা কতটা কার্যকর জেনে নিন বাথরুম থেকে যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার সত্যকে কখনও আড়াল করে রাখা যায় না হাম পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যার হুমকি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসএসপি নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে লড়ছেন মিম আক্তার সৌদি পৌঁছালেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন
পাঠক সংখ্যা
638

মো.মাসুদ রানা, খাগড়াছড়িঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি, সহাবস্থান আর সম্প্রীতির কথা আমরা প্রায়ই শুনি। বলা হয়, এই পাহাড় বহু জাতিগোষ্ঠীর মিলনের প্রতীক। কিন্তু কখনো কখনো এমন কিছু ঘটনা সামনে আসে, যা সেই সুন্দর কথাগুলোর ভেতরের অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে নগ্ন করে দেয়। একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী। নিজের কণ্ঠে প্রতিবাদ করার ক্ষমতাও যার নেই। সেই তরুণী উনিংকার মারমা (২১) খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাতছড়ি ইউনিয়নের হাফছড়ি পাড়ার বাসিন্দা। গত ৩ মার্চ ২০২৬, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি নিজের এলাকা থেকে জালিয়াপাড়া র উদ্দেশ্যে বের হন। কিন্তু তারপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

একটি পরিবার তখন পাগলের মতো খুঁজে বেড়িয়েছে তাদের মেয়েকে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তারা গুইমারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে। প্রথম থেকেই আশঙ্কা ছিল ভয়ংকর কিছু ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালালে ও দিনের পর দিন মেয়েটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের নীরবতা যেন গিলে ফেলেছিল একজন অসহায় তরুণীর আর্তনাদ। অবশেষে ৯ মার্চ সকালে খবর আসে দুর্বৃত্তরা তাকে জালিয়াপাড়া এলাকায় ফেলে রেখে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই কয়েকটি দিন তার সাথে কী ঘটেছিল।

উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত মানিকছড়ি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক রা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠান এবং ডিএনএ পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য। এদিকে একই দিন বিকেলে স্থানীয় জনগণ সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের গড়াইছড়ি এলাকা থেকে এক যুবককে আটক করে। অভিযোগ উঠেছে এই যুবক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িত। আটক ব্যক্তির নাম অংক্যজায় মারমা (৩৭)। স্থানীয়দের দাবি, তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ক্যজ মারমা (৫০) ইতোমধ্যে ভারতে পালিয়ে গেছে। আরও বিস্ময়কর বিষয়-স্থানীয় সূত্র বলছে, আটককৃত ব্যক্তি বর্তমানে সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হেফাজতে রয়েছে।

এখানেই শুরু হয় সবচেয়ে তীব্র প্রশ্নগুলো। অভিযোগ উঠেছে, কিছু আঞ্চলিক সংগঠন বিষয়টি রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় না এনে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছে। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর সম্ভাব্য অপহরণ ও নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ কি কোনোভাবেই স্থানীয় দরকষাকষি বা সামাজিক চাপে মীমাংসা হতে পারে। আরও বড় প্রশ্ন উঠছে পাহাড়ের মানুষের মনে। অতীতে বহুবার দেখা গেছে-যদি কোনো বাঙালি যুবকের বিরুদ্ধে পাহাড়ি নারীর সাথে এমন অভিযোগ ওঠে, তখন পুরো পাহাড় উত্তাল হয়ে ওঠে। মিছিল হয়, প্রতিবাদ হয়, কঠোর বিচারের দাবি ওঠে।
কিন্তু যখন একই ধরনের অভিযোগ নিজেদের সম্প্রদায়ের ভেতরে ঘটে, তখন কেন অনেক সময় সেটি নীরবে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কেন তখন আইনের বদলে স্থানীয় মীমাংসার কথা সামনে আসে। একজন নির্যাতিত নারীর আর্তনাদ কি তার অপরাধীর পরিচয় দেখে বিচার পাবে।

ন্যায়বিচার কি জাতি দেখে, মানবাধিকার কি সম্প্রদায় দেখে। আইনের শাসনের মূল কথা খুবই স্পষ্ট অপরাধী যে-ই হোক, তার বিচার হবে আইনের মাধ্যমে। কিন্তু যদি কোনো অপরাধের বিচার নির্ধারিত হয় ক্ষমতা, প্রভাব বা সামাজিক চাপের মাধ্যমে তাহলে সেই সমাজে ন্যায়বিচারের জায়গা কোথায়। আজ প্রশ্নটা শুধু উনিংকার মারমার নয়। প্রশ্নটা পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। একই পাহাড়ে বসবাস করেও কেন ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে দেখা যাবে দুই ধরনের আচরণ? একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর নীরব কান্না কি পাহাড়ের নীরবতায় চাপা পড়ে যাবে, নাকি এই ঘটনার মধ্য দিয়েই উঠে আসবে একটাই দাবি। অপরাধী যেই হোক, বিচার হতে হবে আইনের সামনে। কারণ বিচার যদি সমান না হয়। তাহলে শান্তির কথাও একদিন ফাঁকা শব্দে পরিণত হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইসরাইলে তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দখলদার ইসরাইলকে লক্ষ্য করে তৃতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। এতে ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ বাংলাদেশ সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাত প্রায় ২টার দিকে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জানায়, ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে এ পর্যন্ত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের প্রভাবে ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল এবং দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজতে শুরু করে। নিরাপত্তার কারণে বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে তেহরান। এরপর থেকে ইরান ধারাবাহিকভাবে

আরও পড়ুন
language Change