1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
সাংবাদিক মাহবুব আলম লাভলুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । বিকাল ৪:৪১ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
বটিয়াঘাটার মাখঝানুল উলুম নুরানী ও মহিলা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত হলো এক শিক্ষিকা  বিএমইটির ১১ স্মার্ট কার্ড জালিয়াতি: বিদেশ যেতে না পেরে দুর্ভোগে কর্মীরা কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি আব্দুল গনী সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৪ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্টিত মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারের পকেটে যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় মেয়র বলে কথা: একাধিক পত্রিকায় পৌরসভার দুর্নীতি ও ভূমিদুস্যতার সংবাদ প্রকাশিত হলেও নিরব প্রশাসন বাংলাদেশে উদ্বোধন হলো টাটা মটরস-এর ‘টাটা যোদ্ধা ঔষধ প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের প্রত্যাক্ষ মদদে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক কোম্পানির প্রাণঘাতী ঔষধে বাজার সয়লাব স্নাতকের মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবন্তীকা
সাংবাদিক মাহবুব আলম লাভলুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা

সাংবাদিক মাহবুব আলম লাভলুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রেলওয়ের দূর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন করার জেরে যুগান্তরের সাংবাদিক মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে সাবেক এক যুবলীগ নেতা । আজ বুধবার (২৯ মার্চ) সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামে মামলাটি করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক উপ–অর্থবিষয়ক সম্পাদক হেলাল আকবর চৌধুরী ওরফে বাবর।

মাহবুব আলম যুগান্তরের ঢাকা অফিসের বিশেষ প্রতিনিধি। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোশিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

২০১৩ সালের জুনে চট্টগ্রাম নগরে সিআরবি এলাকায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তরের কোটি টাকার দরপত্র নিয়ে সংঘর্ষে জোড়া খুনের মামলার আসামি হেলাল। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের সরকারি কৌঁসুলি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ যুগান্তরের সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, চট্টগ্রামকে নির্দেশ দিয়েছেন।’

আদালত সূত্র জানায়, মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ মার্চ যুগান্তরে সিআরবি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে হেলাল আকবর চৌধুরীকে জড়ানো হয়। পরদিন অভিযুক্ত সাংবাদিক তাঁর ফেসবুকে প্রতিবেদনটি শেয়ার করেন। প্রতিবেদনটিতে বাদীকে দখলবাজ, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসীদের গডফাদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বাদীর মানহানি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

জানতে চাইলে মাহবুব আলম  বলেন, ‘ যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সপক্ষে যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। দীর্ঘদিন শাহ আলম সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি রেলওয়ে। সেই সিন্ডিকেটের মদদদাতা বাবর। ক্যাসিনোকান্ডের সময় দুবাই পালিয়ে গেলও পুনরায় দেশে ফিরে রেলওয়ের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছেন তিন। তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকাশিত প্রতিবেদনে হেলাল আকবরের বক্তব্যও ছাপানো হয়েছে। পরে তিনি আইনগত নোটিশ দিলেও সেটিরও জবাব দেওয়া হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »