তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কাজিপুরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রশংসায় ভাসছেন সংসদ সদস্য সেলিম রেজা উপকূলীয় জীবন বদলে দিচ্ছে এনজিএফ মোংলায় চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর মালিকের উপর হামলার অভিযোগ আবু তালেবের জালিয়াতি: গণপূর্তে শতকোটির হরিলুট ১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে পুলিশে চাকরি! ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার​ এডুকেশন এক্সপো ও আইইএলটিএস-অ্যাসেট প্রজেক্টের জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠান সেনবাগে এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক: অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান ঝিনাইগাতীতে কোরবানির ঈদে ১২ হাজার ১৮২ টি গরু প্রস্তুত কেশবপুরে জামায়াতের উদ্যোগে আত্মকর্মসংস্থান সহায়তা প্রদান শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টর চালক নিহত আফ্রিকায় অফশোর ক্যাম্পাস স্থাপনে ড. আসিফ মিজানের গুরুত্বারোপ সুন্দরবন সুরক্ষাসহ পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার মোংলায় প্রতিমন্ত্রী বিএনপি করতে গিয়ে মার খেয়েছে, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়াবে-নাটোরে হুইপ নাটোর শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে মৃত্যুকালীন টাকা বিতরণ মোংলায় মরহুম বেল্লাল হোসেন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীতে তরুণদের গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক নোয়াখালীর চাটখিলে জায়গা-জমি বিরোধে ছুরিকাঘাতে আহত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতায় ডিএনসি’র লিফলেট বিতরণ রাজউকে অনিয়ম-দুর্নীতির রাজা-রানী সবুজ-মলি অতিরিক্ত বৃষ্টিতে রংপুর সদর উপজেলার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা অসুস্থ মায়ের জন্য ছাদবাগান, বদলে গেল আলামিনের ভাগ্য মোংলা উপজেলায় রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে তামাক চাষীদের বিক্ষোভ কেশবপুরে মাছ চাষে দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাংবাদিকের নামে গায়েবি মামলা, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন? খাগড়াছড়ির রামগড়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস কর্মশালা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইইবি’র ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান ১ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ আনসার আলীর প্রয়াণ দিবস ও ক্লাবের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিএনপিসহ চার সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে: তারেক রহমান রামগড়ে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত বাধ্যতামূলক এমপিদের সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে পড়ানো প্রস্তাব: রুমিন ফারহানা গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষার্থে প্রতিবাদ সমাবেশ হোটেলে তরুণ-তরুণীকে হত্যা: সিনেমাকেও হার মানানো ঘটনা তারেক রহমানকে ঝুলিয়ে নির্যাতন: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য শিশু ধর্ষণ মামলায় সেই মাদরাসা শিক্ষক রিমান্ডে ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযান ৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ ঝালকাঠির হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের মহাপরিকল্পনা নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত উদ্ভিদ পার্থেনিয়াম নাটোরে বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যু কেশবপুর নারী খামারীদের দক্ষতা ও উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে বাড়েছে ডায়রিয়া রোগী সংখ্যা ফ্যাসিবাদের দোসর সংসদ ভবনে কি করে? গণপূর্তের প্রকৌশলী নাহিদ এর খুঁটির জোর কোথায়? এনজিও কর্মীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ২ চ্যানেল ওয়ান ও মাইটিভির সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় ভোলাহাটে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নিজস্ব অর্থায়নে নৌ অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করলেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও

একজন রাজনীতিকের গল্প

পাঠক সংখ্যা
638

আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। ভোলার কৃতি সন্তান। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। মনিরুজ্জামান একাধারে একজন জনবান্ধব রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং তুখোড় মানবতাবাদী মানুষ; সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্যশীল আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী। আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ছাত্র অবস্থাতেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তার মধ্যে যে রাজনৈতিক দূরদর্শীতা আছে তা তৎকালীন সিনিয়র রাজনীতিবিদদের নজর এড়ায়নি। সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এর হাতকে শক্তিশালী করতে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন মনিরুজ্জামান। নিজের জীবনের কথা না ভেবে তোফায়েল আহমেদ এর ভ্যান গার্ড হিসেবে নিরলস কাজ করে ভোলাকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রুপান্তরিত করেছেন। এখনো দলের নেতাকর্মীদের যে-কোনো বিপদে সবার আগে পাশে থাকেন মনিরুজ্জামান। ভোলা পৌরসভায় দায়িত্বে থেকে পুরো পৌরসভাকে আধুনিকতায় নতুন রূপ দিয়েছেন। পুরো শহর উন্নয়নের রোল মডেলে রুপান্তরিত হয়েছে। এ যেনো ‘মরা খালে পানি’। সৌন্দর্যবর্ধনের এক অন্যান্য শহর ‘ভোলা’ হয়েছে মনিরুজ্জামানের হাত ধরে।

ভোলার সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দুর্দিনের মনিরুজ্জামান দলের নিবেদিত প্রাণ। দলের জন্য মামলা হামলা খেয়েও যে দলের হাল ছাড়েননি তাঁকে দল মূল্যায়ন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। যেই ব্যক্তি একা নয়; তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ক্ষমতাসীন দলের নির্যাতনে পঙ্গু ছিল, সেই ব্যক্তিকে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তোফায়েল আহমেদ ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য স্থানে বসাবেন।

৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে প্রায় অর্ধশতাধিক বলা চলে, ভোলা জেলার সর্বাধিক মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে ঢাকায় আশ্রয় নেন। বাধ্য হয়ে ঢাকায় আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর। তৎকালীন ক্ষমতাসীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে ছেলেকে না পেয়ে বাবাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। এ ঘটনা ২০০২ সালে অপারেশন ক্লীনহার্টের সময়। সে সময় আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের শ্রদ্ধেয় বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে নির্যাতন করে সরকার। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে এসব করা হয়। এক যুগেরও বেশি সময় পঙ্গুত্ব অবস্থায় অনেক যন্ত্রণার শিকার হয়ে জীবন যাপন করে গত ২০২১ সালের ১৮ জুলাই মাসে মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মনিরুজ্জামানের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান মৃত্যু বরণ করেন।

কর্মী বান্ধব ও দলের দুর্দিনের নিবেদিত প্রাণ মনিরুজ্জামান হামলা, মামলা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন বলেই তার কাঁধে দায়িত্ব আসে জেলা ছাত্রলীগের। মেধা, প্রজ্ঞা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শীতা দিয়ে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ভোলা জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ওই সময়টাকে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের স্বর্ণযুগ বলে অভিহিত করে অনেকেই। এরপর ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি জেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন বারে বার। পৌর মেয়র হিসেবেও বার বার নির্বাচিত হয়ে পৌরবাসীর সেবা করে যাচ্ছেন নিষ্ঠার সাথে। ছাত্রজীবন শেষ করে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে দূরে সরে যাননি। তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগে। সেখানেও তিনি চলে আসেন আলোর টাইম লাইটে। তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু করে ২০০৩ সাল পর্যন্ত যুবলীগের জেলা কান্ডারির ভূমিকায় ছিলেন। তিনি যুবলীগের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভোলা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির আহবায়ক এবং একইসাথে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব করেন।

২০১১ সালে পুনরায় আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জেলা যুবলীগের দায়িত্বে আসেন। এবার তাকে জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দলের প্রতি গভীর আনুগত্য এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভোলা জেলা শাখা কমিটির সদস্য করা হয়। ২০১৬ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভোলা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।

এদিকে বিগত চার দলীয় জোটের আমলে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু জটিল মামলা হয়। তিনি এসব কঠিন মামলা মোকাবেলা করেছেন দৃঢ়তার সাথে। কঠিন কঠিন মামলা দেওয়া হলেও তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আনুগত্য থেকে একচুলও পিছপা হননি। ২০০১ সালে তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দেয় তৎকালীন ক্ষমতাসীন ৪ দলের নেতাকর্মীরা।২০০৩ সালেও তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলাগুলো হলো— জি.আর ১৪৮/২০০১, ২২৬/২০০১, ২৭৬/২০০১, ২৭৭/ ২০০১, ২৮১/২০০১, ৩১৭/২০০১, ৩৯০/২০০১, এবং ১৫/২০০৩।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, ২০০৩ সালে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন আল- মামুন এবং তার বড়ভাই তৎকালীন সময়ের ভোলা-২ আসনের এমপি হাফিজ ইব্রাহীম ও তার ক্যাডার বাহিনী দৈনিকবাংলা মোড়ে ভোলার বোরহান উদ্দিন কায়কোবাদ নামের জনৈক ব্যক্তিকে হত্যা করে। অসৎ উদ্দেশ্যে সেই মামলায় তাকে এক নম্বর আসামী করা হয়। এসময় তিনি পার্শ্ববর্তী বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের পূর্বাঞ্চলে আগরতলায় আশ্রয় নেন। ১৬ মাস নির্বাসনে থাকার পর তিনি ঢাকাতে এসে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালের বিচারক সায়েক নূর উদ্দিনের কোর্টে হাজির হন। মামলা নম্বর ৩৭/২০০৩। পরবর্তীতে হাইকোর্টের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বাদী পক্ষ ব্যাকেট করলে তিনি কোয়াশমেন্ট করেন। কিছুদিন পর আবার ব্যাকেট করে। তখন তিনি আগর তলা থেকে দেশে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যেতেন। সেই সময় তিনি এবং তার পরিবারের লোকজন কেউ বাসায় অবস্থান করতে পারতেন না। তার পর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর সাক্ষীর মাধ্যমে ওই মামলাসহ অন্যান্য মামলা থেকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে খালাস পান। বর্তমানে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোন মামলা নাই।

২০১০ সাল থেকে শুরু করে পর পর তিন বার কৃতিত্বের সাথে ভোলার পৌর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সর্বশেষ মহামারী করোনার শুরুতে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম তিনি ভোলায় নিজ খরচে মধ্যবিত্ত পরিবার ও হতদরিদ্র পরিবারের লোকজনকে খাদ্য বিতরণ করেন। পুরো করোনা জুড়ে তাঁর এ কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এছাড়াও কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারগুলোর উন্মুক্ত ও টোল ফ্রি করে দেন ভোলার এ নেতা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর

দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্কঃ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের শেষলগ্নে পুরো দেশের মানুষ যখন চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এ দেশীয় নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালিকে মেধাশূন্য করার এ নৃশংস নিধনযজ্ঞ সেদিন গোটা জাতিসহ পুরো বিশ্বকেই হতবিহ্বল করে দিয়েছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দু’দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ঘাতক চক্র কেবল ঢাকা শহরেই প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সান্ধ্য আইনের মধ্যে সেই রাতে তালিকা ধরে ধরে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক,

আরও পড়ুন
language Change