তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মানিকছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পেইন ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফের কাছে জিম্মি চার গ্রামের মানুষ দেশে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারীতা মোহাম্মদপুরে ৪ দিনের ব্যবধানে আরও এক খুন তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে যুবরাজ-বুশরা টেক্সটাইল মিলের ইনচার্জ বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এসএসসি পরীক্ষায় থাকছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন আজ আলোচনা করবে লেবানন ও ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজ ভোলাহাট প্রেসক্লাবের বনভোজন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগ দেবে সরকার ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ ডিএনসির অভিযান ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন দাকোপে কোটি টাকার পিচঢালা রাস্তা এখন মরণফাঁদ চাটখিলে শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ খুলনায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ রূপসায় যুবককে গুলি করে হত্যার চেষ্টা দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ​সোনামসজিদ সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্য বন্ধেরে দাবি জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন পহেলা বৈশাখে চন্দ্রিমা ফিটনেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা বৈশাখী শোভাযাত্রায় নতুন বছরকে বরণ রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে সিজারিয়ান অপারেশনে পর মৃত্যু কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী নুরুজ্জামান ইরানে নৌ অবরোধের হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রকে যে বার্তা দিলো চীন ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত শেরপুরের শিক্ষার্থীদের সিলিং ফ্যান বিতরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা ৩৬ আসনের বিএনপির ফরম কিনেছেন ১৩০০ জন নারী সাংবাদিককে হেনস্তা কারী ইমারত পরিদর্শক অপি রুবেল গ্রেফতার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লুটপাটের সঙ্গী হয়ে টানেল বানিয়ে লাভ নেই: সারজিস সাউন্ড কেলেঙ্কারি ও কোটি টাকার সম্পদ গণপূর্তের আনোয়ারের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আওয়ামী দোসর শফিউল্লাহ আল মুনিরের বিরুদ্ধে অল্প বয়সে বিয়ে আমার জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে থাকছে বাংকার, টানেল

সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না

সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় সংস্কার জোট। শনিবার (২১ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘জুলাই সনদ, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংস্কার জোটের আহ্বায়ক মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লে. জেনারেল (অব.) আমিনুল করিম, জনতার দল বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী গোলাম সরোয়ার মিলন, নৈতিক সমাজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ম সা আ আমিন, জনতার পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সবাই মিলে ফ্যাসিস্টদের বিদায় করে দেশের পরিবর্তন করেছি। তাই এখানে কোনো বিভাজন করা ঠিক হবে না। তাই আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন। আমরা বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেখেছি। ভবিষ্যতেও যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা সুশাসনের নামে অতীতের কাজগুলো করবে। কোটি কোটি টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনবে দুর্নীতিবাজ ও দখলবাজরা। তবে নির্বাচনকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করব, সেই জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে পরিবর্তন আসবে না।

তারা আরও বলেন, নির্বাচন কখনো গণতন্ত্র দিতে পারবে না, যদি আমরা সচেতন না হই। আমরা প্রজা নাকি নাগরিক, সেটি আগে ঠিক করতে হবে। একটি দল নির্বাচনের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু সংস্কারবিহীন নির্বাচন আমরা চাই না। সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা ফ্যাসিস্টদের আমলের চেয়েও ভয়াবহ। আগে টাকা দিতে হতো একজনকে। এখন টাকা দিতে হয় অনেকজনকে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। জুলাই আন্দোলন যে উদ্দেশে হয়েছিল, তার সবকিছু উল্টো হচ্ছে। দেশ গভীর সংকটময় মুহূর্ত পার করছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ধসে পড়ছে সেতু, দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ

ধসে পড়ছে সেতু, দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ

সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ সেতু আছে, কিন্তু চলাচলের উপযোগী নয়। কোথাও ভেঙে নদীতে পড়ে আছে, কোথাও আবার বাঁশ বেঁধে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী সাঁকো। এমন দুর্বিষহ অবস্থার মধ্য দিয়েই চলাফেরা করতে হচ্ছে সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের হাজারো মানুষকে। কারণ মরিচ্চাপ নদীর ওপর নির্মিত সাতটি সেতু একের পর এক ধসে পড়েছে। নির্মাণকালীন সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মতামত না নেওয়া ও সিএস রেকর্ড অনুসরণ না করার ফলে কয়েক বছরের ব্যবধানে এসব সেতু পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে। ভেঙে পড়া সেতুগুলো হলো বাকড়া, টিকেট, হিজলডাঙ্গা, চরগোবিন্দপুর, শিমুলবাড়িয়া, ডাড়ার খাল এবং এল্লারচর ব্রিজ। এসব ব্রিজ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিটারের মধ্যে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসব ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল

আরও পড়ুন
language Change