তারিখ লোড হচ্ছে...

জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০ সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় প্রথমবার খাদ্য সহায়তা পেতে যাচ্ছে জেলেরা রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে আফসার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান : প্রত্যাশা-প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভা কাশিয়ানীর মাহমুদপুর স্কুলের সভাপতি হলেন গোবিন্দ কির্ত্তনীয়া দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল সংবাদ প্রকাশের জেরে রামুতে সাংবাদিক আবুল কাশেমের ওপর হামলা; নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তুলতে হবে: আফরোজা... অপ-সাংবাদিকতা  আজ পেশাদারিত্ব ও জনআস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে তাহিরপুরের এক ব্যবসায়ীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মোটা অংকের চাদা দাবি নবাবগঞ্জ পার্ক ও খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিতে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা প্রায় ৩ যুগেও পাকা হয়নি উত্তর দাড়িয়ারপাড়ের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ গলায় দড়ি প্যাঁচানো যুবদল নেতার মরদেহ ডোবায়, দুই চাচাতো ভাই পলাতক মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহজাদপুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ‘সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় বেনামি ক্লাবের রফিকের জমজমাট জুয়ার আসর, যথারীতি নিরব প্রশাসন উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কবির কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর খুরুশকুল ইউনিয়নের অকুতোভয় সৈনিক মরহুম আমির হামজার ১৬তম মৃত্যু... খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ৫ বসতবাড়িতে তালা নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পিপ্তল ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার -১ পাঁচ আগস্টের দুই বছর: অর্জনের স্বীকৃতি, অপূর্ণতার প্রশ্ন পূবাইলে সাংবাদিকের পৈত্রিক জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে নেয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড়

আজ কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন

পাঠক সংখ্যা
638

মঈন মুরসালিন :
প্রেম, প্রকৃতি ও প্রার্থনার কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (১১ জুলাই)। ১৯৩৬ সালের এ দিনে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার মৌরাইলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

একটি স্মৃতিকথা : কবি আল মাহমুদ ভাইয়ের সাথে দশবছর

আল মাহমুদ ভাইয়ের সাথে পরিচয়টা বিশেষ কোনো আয়োজন করে হয়নি। হঠাৎ করেই আমাদের এক বড় ভাই রাফিক হারিরি বললো, চলো মাহমুদ ভাইয়ের বাসায় যাই। আল মাহমুদ একজন কবি শুধু এতোটুকু পরিচয়ই জানতাম। তখন তার লেখা আমার পাঠ্য ছিল না। আমি পাঠ্য হিসেবে প্রথম পেয়েছি “খড়ের গম্বুজ”, ২০০০ সালে। তারপর আরো আরো অনেক পাঠ্য পেয়েছি।

রাফিক ভাই আমাকে নিয়ে গেলেন মগবাজারের বেপারী গলিতে, সেখানেই প্রথম দেখা আল মাহমুদ ভাইকে। শান্ত স্নিগ্ধ মুখের অধিকারী আল মাহমুদ এতটা তেজস্বী কবি ও কথাশিল্পী বুঝেছি আরো অনেক পর।

আমাদের বাড়ি মধুবাগ, মগবাজার। পরিচয়ের পর থেকে নিয়মিত কবিকে দেখতে পেলাম। মধুবাগ, মীরবাগ, মগবাজারে পথে ঘাটে হাঁটার সময়।

কবির শক্তি টের পেলাম ২০০০ সালের পর থেকে যখন নিয়মিত যেতে লাগলাম ‘বাংলা সাহিত্য পরিষদের’ সাহিত্য সভায়। সাহিত্য সভায় আল মাহমুদ ভাইকে ১০ বছর নিয়মিত পেয়েছি। সেই সময়টা আমাদের স্বর্ণ সময়। আমি তখন নিয়মিত সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ছড়া লিখি। সাহিত্য সভায় গরম গরম ছড়া শুনে উনি মুচকি মুচকি হাসতেন। অনুষ্ঠান শেষে পুরস্কার পেতাম তার হাতে।

তাকে যেদিন প্রথম সাহিত্য সভায় পেয়েছিলাম। সেদিন তার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিলো- তুমি সাহিত্য করবে কী না আগে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নাও। নিজেকে প্রশ্ন করো। তুমি যদি লেখক হওয়ার সিদ্ধান্ত নাও তবে জেনে রেখো তোমার কপালে দুঃখ আছে। দুঃখকে মাথা পেতে নিতে পারলেই তোমার সাধনা র্সাথক হবে।

আরেক দিনের বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন-সাহিত্য কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। তুমি যদি সাহিত্য র্সাথক হও তবে তুমি পাবে দুই মুদ্রা। আর যদি বিফল হও তবে পাবে এক মুদ্রা, ব্যর্থ লেখকও সমাজে, নিজস্ব পাড়ায় লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পায়, সুতরাং আমি বলছি সাহিত্য থেকে কিছু না কিছু পাবেই। একটি স্মৃতি তুলে ধরছি পাঠকদের উদ্দেশ্যে-
তখন আমি অর্নাসের ছাত্র। আল মাহমুদ ভাই তখন গুলশান-১ এর পোস্ট অফিস গলির নিজ বাড়িতে থাকেন। মাঝে মাঝেই তরুণ বন্ধুরা মিলে যেতাম মাহমুদ ভাইয়ের বাসায়। কবিতা নিয়ে কথা হতো। সাহিত্য নিয়ে কথা হতো। কখনো আমাদের কোনো সাহিত্য সভায় অতিথি হিসেবে নিয়ে আসতাম। বয়সে তরুণ ছাত্র হলেও তাকে সবসময় অল্প হলেও সম্মানী দিতাম। সম্মানী না দিলে কোনো সাক্ষাৎকার উনি র্দীঘ করতেন না। আমরা অনেক মজা পেতাম। কারণ যখন উনি প্রশ্নের উত্তর ছোট ছোট দিতেন তখনই পকেট থেকে টাকার খাম বের করে যখন হাতে দিতাম তারপরই প্রশ্নের উত্তরগুলো র্দীঘ করে দিতেন।

খুব মনে পড়ে রোজা নিয়ে তার সাথে বেশকিছু স্মৃতি আছে। মাহমুদ ভাই তখন নিয়মিত রোজা রাখেন। রোজায় একটি সাহিত্য সভায় ইফতারির পর মাহমুদ ভাই বললেন, চলো নামাজ আদায় করে নেই। তার কথায় আমরা সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে গেলাম। আমাদের অনুরোধে মাহমুদ ভাই ইমামতিতে রাজি হলেন। সেই স্মৃতি এখনও চোখে ভাসে। কুরআন তেলাওয়াত খুব সুমধুর না হলেও অন্যরকম আনন্দ নিয়ে কবির পেছনে নামাজ আদায় করলাম। এই সুযোগ আরেকবার পেয়েছিলাম।

কবি আল মাহমুদের অনেক কবিতা অনেকের পছন্দ হলেও আমি বেশ কিছু বইয়ের বেশ ভক্ত। কারণ আমার কাছে সেগুলো বেশি আর্কষণীয় মনে হয়েছে। আমার প্রিয় কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- ‘উড়াল কাব্য’, ‘নদীর ভিতরে নদী’, ‘দ্বিতীয় ভাঙন’, ‘সেলাই করা মুখ’ ইত্যাদি। আত্মজীবনীমূলক যে গ্রন্থ দুটি আমাকে বেশি আকর্ষণ করে সেগুলো- ‘যেভাবে বেড়ে উঠি’ আর ‘কবির আত্মবিশ্বাস’।

আমি মূলত আল মাহমুদ ভাইয়ের গদ্যের বেশি ভক্ত। মাহমুদ ভাইয়ের বেশির ভাগ গল্প উপন্যাস আমার পঠিত। তাঁর অসাধারণ কিছু গল্প-উপন্যাস- ডাহুকী, গন্ধবণিক, পানকৌড়ির রক্ত, আগুনের মেয়ে, কাবিলের বোন, নিশিন্দা নারী, পুরুষ সুন্দর, গুহা মানব, পুত্র, মরু মুষিকের উপত্যকা, চেহারার চতুরঙ্গ, তুষের আগুন, মাহবুবার মানচিত্র। এই বইগুলোর প্রতিটি চরিত্র আমার মুখস্ত। আল মাহমুদের কবিতা ও ছোটগল্প নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হলেও উপন্যাস নিয়ে আজ পর্যন্ত কোন সুশৃক্সখল গবেষণা হয়নি। আল মাহমুদ বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে এমন কিছু বিষয় সংযোজন করেছেন যা সম্পূর্ণ নতুন। তার বিষয় বৈচিত্র্য ও জীবনদর্শন সাহিত্য ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আল মাহমুদ ভাই প্রেমের ক্ষেত্রে যৌনতাকে উত্তেজক ভাষায় প্রকাশ করলেও সেখানে আধ্যাত্মিকতা ও নৈতিকতার সুফল বর্ণনা করেছেন।
আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যকে যা দিয়ে গিয়েছেন তার যর্থাথ মূল্যায়ন হতে সময় লাগবে আরো ৫০ বছর। আমরা তখন বেঁচে থাকবো না। তবে আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে ইতিহাসে বেঁচে আছেন এবং থাকবেন এটাই বিশ্বাস।

স্মৃতিকথা আর দীর্ঘ করবো না। আল মাহমুদের ব্যক্তির নয় তার সাহিত্যের প্রেমিক আমি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

রাজধানীর আবাসিক হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ আবাসিক হোটেলে অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের নাকের ডগায় নারীদের দিয়ে অবাধে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী একটি মহল। রাজধানীর গুলিস্তান, ফকিরাপুল, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, কারওয়ান বাজার, মহাখালী ও মগবাজার এলাকায় অসংখ্য আবাসিক হোটেলে চলছে দেহ ব্যবসা। বর্তমানে এ ব্যবসা মহাআকার ধারণ করেছে। আর এসব চলছে প্রশাসনের সামনেই। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অসাধু হোটেল ব্যবসায়ীরা। যৌন কর্মীর এক দালাল জানান, এসব হোটেল থেকে প্রতিমাসে থানা পুলিশ পাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। শুধু থানা পুলিশ না আরও বড় বড় লোক ও সাপ্তাহিক, মাসিক চাঁদা নেয়। স্থানীয় রাজনৈত নেতারাও নিয়মিত টাকা পায়। এই টাকা নিতে তারা হোটেলে যেতে হয় না। হোটেল কর্তৃপক্ষ এই টাকা তাদের হাতে পৌঁছে দেয়। গ্রামের সহজ সরল অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েদের

আরও পড়ুন
language Change