তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
হাটহাজারীতে অস্ত্রসহ ৪ যুবককে আটক করে পুলিশ সিরাজগঞ্জে মাদকবিরোধী দিবস পালিত শ্রীমঙ্গল শান্তিবাড়ি ইকো রিসোর্টের অনন্য আয়োজন জুন ফর গ্রিন কর্মসূচী বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, ১২ দেশের বিদায় শেরপুরের মেধাবী তরুণ সাব্বির আহমেদ এখন নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা! বাংলাদেশ ফার্স্ট সব অর্জন দেশের মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী দাড়িয়ারপাড় নয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৪ জন গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক জব্দ ডা.মোবারকের প্রতারণা, আগেই পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট লিখে দেন অ্যাসিস্টেন্ট বাবা-ছেলের জন্মদিন একসঙ্গে পাঁচ লাখ সদস্যকে ড্রোনের প্রশিক্ষণ দেবে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে গবেষণা সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত: মির্জা ফখরুল কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অব্যবস্থাপনা: বেসিনে বর্জ্যের ডাস্টবিন গলাচিপায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ কেশবপুরে মৎস্য চাষীদের মাঝে উপকরণ সামগ্রী বিতরণ দীঘিনালায় দুই জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ শ্রেণিকক্ষ থেকে উন্নয়নের আলোচনায়, বাতাকান্দীতে ব্যস্ত নতুন সভাপতি নোয়াখালীতে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারসহ আটক ২ নোয়াখালীর আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ১৪ সাভারে বৈধ ব্যবসার আড়ালে বিজনেস ত্রাসের মাদক, ব্ল্যাকমেইল ও ৫ ই আগস্ট ছাত্র জনতার ওপর হামলার অভিযোগ মোংলায় যুদ্ধজাহাজ দ্রুত মেরামতে বিশেষ ডকিং ফ্যাসিলিটি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত মোংলায় অভিযোগ নিষ্পত্তিতে অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের আস্থায় এগিয়ে চিলা ইউনিয়নের সালিশী টিম সাতক্ষীরা সদরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ একসাথে আওয়াজ তুলি, মাদককে না বলি রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন নিউজিল্যান্ডকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নকআউটে বেলজিয়াম কিবরিয়ার চোখ উপড়ে নেওয়ার সাবেক এমপি জাহেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৮২৯৭ বাংলাদেশি বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন সীমান্তে ভারতীয় পুশইন প্রতিরোধে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে শিক্ষক আবু শামাকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা। ভোলাহাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় গোসলে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু কালীগঞ্জে টেকসই ও সবুজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাংটিয়া-গজনী সড়কের মহিলা মার্কেট এলাকায় দুঃসাহসিক চুরি, পিডিবির ট্রান্সফরমার উধাও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার ‘ডলার বাণিজ্য’ প্রেমের বিয়ে, সাবেক স্বামীর ম্যাসেজে প্রাণ গেল তরুণীর যেভাবে মিলবে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ২৬ জুলাই প্রথম নারী মহাপরিদর্শক পেল ভূমি নিবন্ধন অধিদপ্তর দেড় বছর পর জনি হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেফতার খুলনায় হাসপাতাল থেকে চোর ও অজ্ঞানপার্টির  ২ নারী সদস্য আটক দাকোপের কামারখোলা প্রধান সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত, জনভোগান্তি চরমে নবাবগঞ্জে ডিএন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত

আজ কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন

পাঠক সংখ্যা
638

মঈন মুরসালিন :
প্রেম, প্রকৃতি ও প্রার্থনার কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (১১ জুলাই)। ১৯৩৬ সালের এ দিনে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার মৌরাইলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

একটি স্মৃতিকথা : কবি আল মাহমুদ ভাইয়ের সাথে দশবছর

আল মাহমুদ ভাইয়ের সাথে পরিচয়টা বিশেষ কোনো আয়োজন করে হয়নি। হঠাৎ করেই আমাদের এক বড় ভাই রাফিক হারিরি বললো, চলো মাহমুদ ভাইয়ের বাসায় যাই। আল মাহমুদ একজন কবি শুধু এতোটুকু পরিচয়ই জানতাম। তখন তার লেখা আমার পাঠ্য ছিল না। আমি পাঠ্য হিসেবে প্রথম পেয়েছি “খড়ের গম্বুজ”, ২০০০ সালে। তারপর আরো আরো অনেক পাঠ্য পেয়েছি।

রাফিক ভাই আমাকে নিয়ে গেলেন মগবাজারের বেপারী গলিতে, সেখানেই প্রথম দেখা আল মাহমুদ ভাইকে। শান্ত স্নিগ্ধ মুখের অধিকারী আল মাহমুদ এতটা তেজস্বী কবি ও কথাশিল্পী বুঝেছি আরো অনেক পর।

আমাদের বাড়ি মধুবাগ, মগবাজার। পরিচয়ের পর থেকে নিয়মিত কবিকে দেখতে পেলাম। মধুবাগ, মীরবাগ, মগবাজারে পথে ঘাটে হাঁটার সময়।

কবির শক্তি টের পেলাম ২০০০ সালের পর থেকে যখন নিয়মিত যেতে লাগলাম ‘বাংলা সাহিত্য পরিষদের’ সাহিত্য সভায়। সাহিত্য সভায় আল মাহমুদ ভাইকে ১০ বছর নিয়মিত পেয়েছি। সেই সময়টা আমাদের স্বর্ণ সময়। আমি তখন নিয়মিত সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ছড়া লিখি। সাহিত্য সভায় গরম গরম ছড়া শুনে উনি মুচকি মুচকি হাসতেন। অনুষ্ঠান শেষে পুরস্কার পেতাম তার হাতে।

তাকে যেদিন প্রথম সাহিত্য সভায় পেয়েছিলাম। সেদিন তার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিলো- তুমি সাহিত্য করবে কী না আগে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নাও। নিজেকে প্রশ্ন করো। তুমি যদি লেখক হওয়ার সিদ্ধান্ত নাও তবে জেনে রেখো তোমার কপালে দুঃখ আছে। দুঃখকে মাথা পেতে নিতে পারলেই তোমার সাধনা র্সাথক হবে।

আরেক দিনের বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন-সাহিত্য কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। তুমি যদি সাহিত্য র্সাথক হও তবে তুমি পাবে দুই মুদ্রা। আর যদি বিফল হও তবে পাবে এক মুদ্রা, ব্যর্থ লেখকও সমাজে, নিজস্ব পাড়ায় লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পায়, সুতরাং আমি বলছি সাহিত্য থেকে কিছু না কিছু পাবেই। একটি স্মৃতি তুলে ধরছি পাঠকদের উদ্দেশ্যে-
তখন আমি অর্নাসের ছাত্র। আল মাহমুদ ভাই তখন গুলশান-১ এর পোস্ট অফিস গলির নিজ বাড়িতে থাকেন। মাঝে মাঝেই তরুণ বন্ধুরা মিলে যেতাম মাহমুদ ভাইয়ের বাসায়। কবিতা নিয়ে কথা হতো। সাহিত্য নিয়ে কথা হতো। কখনো আমাদের কোনো সাহিত্য সভায় অতিথি হিসেবে নিয়ে আসতাম। বয়সে তরুণ ছাত্র হলেও তাকে সবসময় অল্প হলেও সম্মানী দিতাম। সম্মানী না দিলে কোনো সাক্ষাৎকার উনি র্দীঘ করতেন না। আমরা অনেক মজা পেতাম। কারণ যখন উনি প্রশ্নের উত্তর ছোট ছোট দিতেন তখনই পকেট থেকে টাকার খাম বের করে যখন হাতে দিতাম তারপরই প্রশ্নের উত্তরগুলো র্দীঘ করে দিতেন।

খুব মনে পড়ে রোজা নিয়ে তার সাথে বেশকিছু স্মৃতি আছে। মাহমুদ ভাই তখন নিয়মিত রোজা রাখেন। রোজায় একটি সাহিত্য সভায় ইফতারির পর মাহমুদ ভাই বললেন, চলো নামাজ আদায় করে নেই। তার কথায় আমরা সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে গেলাম। আমাদের অনুরোধে মাহমুদ ভাই ইমামতিতে রাজি হলেন। সেই স্মৃতি এখনও চোখে ভাসে। কুরআন তেলাওয়াত খুব সুমধুর না হলেও অন্যরকম আনন্দ নিয়ে কবির পেছনে নামাজ আদায় করলাম। এই সুযোগ আরেকবার পেয়েছিলাম।

কবি আল মাহমুদের অনেক কবিতা অনেকের পছন্দ হলেও আমি বেশ কিছু বইয়ের বেশ ভক্ত। কারণ আমার কাছে সেগুলো বেশি আর্কষণীয় মনে হয়েছে। আমার প্রিয় কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- ‘উড়াল কাব্য’, ‘নদীর ভিতরে নদী’, ‘দ্বিতীয় ভাঙন’, ‘সেলাই করা মুখ’ ইত্যাদি। আত্মজীবনীমূলক যে গ্রন্থ দুটি আমাকে বেশি আকর্ষণ করে সেগুলো- ‘যেভাবে বেড়ে উঠি’ আর ‘কবির আত্মবিশ্বাস’।

আমি মূলত আল মাহমুদ ভাইয়ের গদ্যের বেশি ভক্ত। মাহমুদ ভাইয়ের বেশির ভাগ গল্প উপন্যাস আমার পঠিত। তাঁর অসাধারণ কিছু গল্প-উপন্যাস- ডাহুকী, গন্ধবণিক, পানকৌড়ির রক্ত, আগুনের মেয়ে, কাবিলের বোন, নিশিন্দা নারী, পুরুষ সুন্দর, গুহা মানব, পুত্র, মরু মুষিকের উপত্যকা, চেহারার চতুরঙ্গ, তুষের আগুন, মাহবুবার মানচিত্র। এই বইগুলোর প্রতিটি চরিত্র আমার মুখস্ত। আল মাহমুদের কবিতা ও ছোটগল্প নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হলেও উপন্যাস নিয়ে আজ পর্যন্ত কোন সুশৃক্সখল গবেষণা হয়নি। আল মাহমুদ বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে এমন কিছু বিষয় সংযোজন করেছেন যা সম্পূর্ণ নতুন। তার বিষয় বৈচিত্র্য ও জীবনদর্শন সাহিত্য ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আল মাহমুদ ভাই প্রেমের ক্ষেত্রে যৌনতাকে উত্তেজক ভাষায় প্রকাশ করলেও সেখানে আধ্যাত্মিকতা ও নৈতিকতার সুফল বর্ণনা করেছেন।
আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যকে যা দিয়ে গিয়েছেন তার যর্থাথ মূল্যায়ন হতে সময় লাগবে আরো ৫০ বছর। আমরা তখন বেঁচে থাকবো না। তবে আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে ইতিহাসে বেঁচে আছেন এবং থাকবেন এটাই বিশ্বাস।

স্মৃতিকথা আর দীর্ঘ করবো না। আল মাহমুদের ব্যক্তির নয় তার সাহিত্যের প্রেমিক আমি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পরিবার বিএনপি করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে দেয়নি আব্দুল মান্নান

পরিবার বিএনপি করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে দেয়নি আব্দুল মান্নান

স্টাফ রিপোর্টার॥কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম গ্রামের শান্ত ছেলে মোহাম্মদ হাসান ফয়সাল। স্বপ্ন ছিল পুলিশে যোগ দিয়ে দেশের সেবা করবেন। ২০২৩ ও ২০২৪— টানা দুই বছর পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সব কটি ধাপে (লিখিত, ভাইভা, মেডিক্যাল ও ফিটনেস) সফলভাবে উত্তীর্ণ হন তিনি। কিন্তু মেধাতালিকায় নাম থাকার পরও রহস্যজনক কারণে নিয়োগপত্র মেলেনি তার। অভিযোগ উঠেছে, তৎকালীন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নানের কারণে রাজনৈতিক বলির পাঠা হতে হয়েছে মোহাম্মদ হাসান ফয়সালকে। পিতা বিএনপি সমর্থক তকমা লাগিয়ে ফয়সালকে চাকুরি থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোহাম্মদ হাসান ফয়সাল সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তৎকালীন অতিরিক্ত ডিআইজি (আর এন্ড সিপি) তার নিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক সংকেত দিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন

আরও পড়ুন
language Change