তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে শহীদ পুলিশ পরিবারের মাঝে আইজিপির ঈদ উপহার বিতরণ বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পাবে কোন দেশ ধুনটে ইউপি কার্যালয়েই বাদী ও নারীকে মারধরের অভিযোগ জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিপিসির নতুন সিদ্ধান্ত ত্যাগ, নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি'র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১ খুলনায় ৫ হাজার ২৭৫ উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শহীদ নগরে পথচারীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে রামগড়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন ইরানের ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া নকলায় রমজান উপলক্ষে ফুড প্যাকেট বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কোটি টাকা ঘুষ দাবি প্রসিকিউটরের, অডিও ফাঁস জুলাই আন্দোলনে ডিসি মাসুদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ঈদের দিনে টিভিতে শাকিব খানেরই সাত সিনেমা আইন মানতে গিয়েই মামলার আসামি ব্যাংক ম্যানেজার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল গৃহবধুকে মুখ বেঁধে খালে ফেলে হত্যা চেষ্টা ফুটপাত দখলে নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি খুলনা নগরীতে ধুলোর রাজত্ব: যত্রতত্র বালু-মাটিতে বিপন্ন জনজীবন আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড দিতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন নতুন স্পিকার জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস রামগড়ে পালিত ২৬ সে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকটের চাপ পণ্য সরবরাহে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ১৫ বছর খেতে পারেনি বিএনপি, এখন খাবে’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা অনিয়মের প্রমাণ থাকলেও বহাল তবিয়তে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!

পাঠক সংখ্যা
638

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রতিদিনের কাগজ’র ফেসবুক পেজ হ্যাকড

  নিজস্ব সংবাদদাতা জনপ্রিয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ ও নাগরিক সাংবাদিক মোঃ খায়রুল আলম রফিকের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ হ্যাকড করা হয়েছে। গত ০৫/১২/২০২৩ ইং বিকেল ৪টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় নিজেই তার পেজ হ্যাক হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খায়রুল আলম রফিক বলেন, ‘ফেসবুকে pkagoj.com ও protidiner kagoj নামে আমার দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ ভেরিফায়েড পেজ দুটি হ্যাক হয়েছে। একটি কুচক্রি মহল পেজ দুটি হ্যাক করেছে বলে মনে হচ্ছে। তারা পেজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গেছে। ফেসবুকে ২০ হাজারও বেশি ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী অনুসরণ করেন প্রতিদিনের কাগজকে । এদিকে হঠাৎ করে ফেসবুক দুটি পেজ হ্যাক করে অশ্লীল,নোংরা ভিডিও আপলোড করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে খায়রুল আলম রফিক তিনি বলেন, ‘সব শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলব, এই পেজ থেকে কাউকে ম্যাসেজ করা হলে বা পত্রিকার কোন পদে আছে

আরও পড়ুন
language Change