নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সিমেক্সের দুটি ভবনে অনিয়মের পরও ঘুষের বিনিময়ে নির্মাণকাজ ‘চালিয়ে যাওয়ার’ সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজউক জোন ৫/১-এর ইমারত পরিদর্শক আবদুল ছাত্তারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ভবন দুটি হলো- ২৪/১-এ, খিলজি রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ ও ৬/১, ৪-৬/১৭, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ভবন পরিদর্শনে ত্রুটি ধরা পড়লেও আবদুল ছাত্তার ঘুষ নিয়ে কিভাবে ইমারত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো যাবে সেই পথ বাতলে দিয়ে পরামর্শ দেন। যে সকল ভবন মালিকরা ঘুষ না দিতে চান তাদের ফাইল আটকে রাখা বা নেতিবাচক রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে আবদুল ছাত্তারের বিরুদ্ধে।
এই সকল অভিযোগ বিষয়ে ইমারত পরিদর্শক আবদুল ছাত্তার বলেন, আমি এগুলো ভিজিট করেছি। খিলজি রোডের ভবনটি একবার উচ্ছেদ করা হয়েছিল। আমরা মোবাইল কোর্ট পেলে আবারও ওই ভবনের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো। আর হুমায়ুন রোডের ভবনের কাজ তো শেষ, মানুষ বসবাস করছে তাই সেখানে আপাতত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তারপরেও আবার ভিজিট করে দেখবো কিছু করা যায় কিনা।
নগর পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ ইকবাল হাবিব মনে করেন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পরিদর্শন পর্যায়ে দুর্নীতি বন্ধ না হলে রাজধানীতে ভবন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত