তারিখ লোড হচ্ছে...

কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০ সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় প্রথমবার খাদ্য সহায়তা পেতে যাচ্ছে জেলেরা রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে আফসার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান : প্রত্যাশা-প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভা কাশিয়ানীর মাহমুদপুর স্কুলের সভাপতি হলেন গোবিন্দ কির্ত্তনীয়া দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল সংবাদ প্রকাশের জেরে রামুতে সাংবাদিক আবুল কাশেমের ওপর হামলা; নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তুলতে হবে: আফরোজা... অপ-সাংবাদিকতা  আজ পেশাদারিত্ব ও জনআস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে তাহিরপুরের এক ব্যবসায়ীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মোটা অংকের চাদা দাবি নবাবগঞ্জ পার্ক ও খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিতে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা প্রায় ৩ যুগেও পাকা হয়নি উত্তর দাড়িয়ারপাড়ের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ গলায় দড়ি প্যাঁচানো যুবদল নেতার মরদেহ ডোবায়, দুই চাচাতো ভাই পলাতক মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহজাদপুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ‘সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় বেনামি ক্লাবের রফিকের জমজমাট জুয়ার আসর, যথারীতি নিরব প্রশাসন উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কবির কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর খুরুশকুল ইউনিয়নের অকুতোভয় সৈনিক মরহুম আমির হামজার ১৬তম মৃত্যু... খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ৫ বসতবাড়িতে তালা নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পিপ্তল ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার -১ পাঁচ আগস্টের দুই বছর: অর্জনের স্বীকৃতি, অপূর্ণতার প্রশ্ন

আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চাপা কস্ট

পাঠক সংখ্যা
638

তানভীর ইসলাম রিপনঃ

আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চাপা কস্ট ও আক্ষেপ নিয়ে কিছু কথা আমরা ক্ষমতায় থেকেও কেন জামাত বিএনপির হাতে নির্যাতনের শিকার এর জবাব কে দিবে।

মাননীয় প্রধানমন্তী শেখ হাসিনা আপনার কাছে আকুল আবেদন জামাত বিএনপি দল থেকে বহিস্কার করেন।

* বর্তমান বাস্তবতায় আওয়ামীলীগ সরকার একটি নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে কথাটি সত্য; তবে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা অনুপ্রবেশকারী, হাইব্রীড ও সেলফিবাজের উপস্থিতির কারণে দলটির ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দেওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
এই দূষণকারীদের সংখ্যা দলে যত বেশি বাড়বে, দলটির রাজনৈতিক আচরণের খারাপ দিকটি তত বেশি স্পষ্ট হবে। অপ্রিয় হলেও সত্য; বলতে গেলে, দলটি এখন কিছুটা হলেও অনুপ্রবেশকারী, হাইব্রীড ও সেলফিবাজদের চ্যালেঞ্জের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। দলটির আদর্শিক কর্মসূচি কিছুটা হলেও এড়িয়ে চলার আত্নঘাতী প্রবণতা কিংবা যা করা দরকার তা না করার প্রবণতা প্রায়শই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

* আওয়ামী লীগের ভিতর এমন একটি হাইব্রিড সম্প্রদায় বেশ প্রতিধ্বনিশীল। দলটির দুর্দিনে যে সকল নেতাকর্মী দলের পাশে নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে ছিল, তাদের মুখে প্রায়ই শোনা যায় সেই সকল হাইব্রিড নেতাদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কাহিনি। হাইব্রিডদের অনেকেই দলের কারণে প্রভাবশালী হয়ে দলের নেতাকর্মীদের কেবল এড়িয়ে চলার মধ্যেই সীমারেখা টানেন না, মামলা-হামলা পর্যন্ত চালিয়ে যান।
অনুপ্রবেশকারী, হাইব্রিড ও সেলফিবাজদের রাজনীতির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ নেতা-কর্মীরা।

* বর্তমানে হাইব্রিড ও অতিউৎসায়ী আওয়ামী লীগারদের উৎপাত আবার বেড়েছে। বছর দুয়েক আগেও রাজনৈতিক সংকটের সময় এদের দেখা যায়নি। বিগত নির্বাচনের আগে তারা উধাও হয়ে গিয়েছিলেন। সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক তৎপরতা এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায়ও অতি আওয়ামী লীগারদের কোনো তৎপরতা ছিল না। বর্তমানে সরকারকে সুবিধাজনক অবস্থানে দেখে আবার মাঠে নেমেছেন অতি আওয়ামী লীগাররা। এদের কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে নিজেদের আওয়ামী লীগ সাজিয়ে বিভিন্ন নেতার আশ্রয় প্রশ্রয়ে হাইব্রিডরা ব্যবসা-বাণিজ্য বাগিয়ে নিচ্ছেন। জড়িয়ে পড়ছেন টেন্ডার বাণিজ্যে।

* সম্প্রতি মিডিয়ার কল্যাণে দেখা যাচ্ছে , হাইব্রিড ও নব্য আওয়ামী লীগাররা গ্রুপ বেঁধে তৎপরতা চালাচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীণ নেতা ও নিবেদিত প্রাণ কর্মীরা । অনেক জাতীয় ব্যক্তিত্বকেও তারা অকারণে আক্রমণ করে আওয়ামী লীগের বিপক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। এদের মদদদাতা হিসেবে বেরিয়ে আসছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম। বুঝে না বুঝে তারা যে সংকট তৈরি করছেন দীর্ঘমেয়াদে তা কোনদিকে মোড় নেবে তা নিয়ে সংশয় আছে বিভিন্ন মহলে। নানা ধরনের নামসর্বস্ব সংগঠন তৈরি করে দলের ভিতরে-বাইরে সমস্যা সৃষ্টি করছে। নামসর্বস্ব এসব সংগঠনের নেপথ্যে কাজ করছেন সুবিধাভোগী একশ্রেণির হাইব্রিড আওয়ামী লীগার।

* কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত হাইব্রিড আওয়ামী লীগারদের এখন জয়জয়কার। দলীয় কর্মীদের অভিযোগ, সাংগঠনিক কর্মসূচিতে হাইব্রিড নেতারা বরাবরই অনুপস্থিত। কর্মীদের সঙ্গে ক্রমাগত দূরত্ব বাড়ানো যেন হাইব্রিড নেতাদের প্রধান কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দল ও সরকারে কর্মীবিচ্ছিন্ন হাইব্রিডরা ব্যস্ত নিজেদের আখের গোছাতে। অভিযোগ রয়েছে, হঠাৎ দলে নেতা হওয়া হাইব্রিডদের রাজনৈতিক তৎপরতা না থাকলেও নিজেদের বিত্ত-বৈভব বাড়াতে পদ-পদবিকে তারা কাজে লাগাচ্ছেন।
এখন অনেকটা হাটে-মাঠে-ঘাটেই দলের কেন্দ্রীয় নেতার অস্তিত্ব মেলে।

* সচিবালয় থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এমনকি সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনই হাইব্রিডদের দেখা যায় নানা কিসিমের তদবির বাণিজ্যে। মৌসুমি পাখির মতোই পরপর তিনবার ক্ষমতায় আসা ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগে হাইব্রিডদের তালিকায় নতুন যোগ হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগাররা। দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে হাইব্রিডরা লাভজনক নানান প্রকল্পের কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন। মৌসুমি পাখির মতোই এসব হাইব্রিড নেতা ঘন ঘন দেশে আসছেন-যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে হাইব্রিড নেতাদের কেউ কেউ বেসরকারি ব্যাংক, টিভি চ্যানেল ও ইনস্যুরেন্স কোম্পানিসহ লাভজনক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশীদারও হয়েছেন। কয়েকটি প্রভাবশালী দেশে দলীয় নেতৃত্বে থাকা হাইব্রিড নেতাদের কেউ কেউ দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তির স্বপ্নে বিভোর।

* হাইব্রিড, সুবিধাভোগী আর নব্য আওয়ামী লীগারদের ভিড়ে তৃণমূলের দীর্ঘকালের পরীক্ষিত নেতারা অনেকটাই কোণঠাসা। দলের দীর্ঘ পরীক্ষিত নেতা-কর্মীরা হাইব্রিডদের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান।

* চাকুরীতে এমপি- মন্ত্রীর সুপারিশ পায় না আওয়ামীপরিবারের সন্তানেরা।
টাকার বিনিময়ে সুপারিশ পায় বিএনপি-জামায়াতের ছেলেরা।

* আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের একশ্রেণীর গ্রহণযোগ্যহীন ও বির্তকিত নেতাকর্মীরা ফুরফুরে মেজাজে বিলাস জীবনযাপন করলেও প্রবীণ-ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা নিজ ঘরে পরবাসী হয়ে চরম দূর্দীনে রয়েছেন।

* প্রত্যেকটি আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় কোন্দ্বল ও গৃহবিবাদ উপজেলা থেকে শুরু করে তৃণমূলে ছড়িয়ে পড়েছে।
জনবিচ্ছিন্ন ও বির্তকিত নেতারা ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও নিবেদিতপ্রাণ, দক্ষ, প্রবীণ ত্যাগী নেতাকর্মীরা নিজ ঘরে পরবাসী হয়ে উঠেছে। ওই নেতা তাঁর অনুসারিদের রাজনীতির মাঠে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে মনোযোগী না হয়ে নিজেরা একে অপরের বিরুদ্ধে কাঁদা ছোড়াছুড়ি ও আখের গোছাতে ব্যস্ত রয়েছে। ফলে রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিস্তেজ ও প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

* অধিকাংশ জায়গায় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কমিটিতে বির্তকিত, গ্রহণযোগ্যহীণ ও সুযোগসন্ধানীরা গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিলেও, নিবেদিতপ্রাণ, প্রবীণ, ত্যাগী নেতারা দল থেকে ছিটকে পড়ছে।
ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে দলীয় কর্মকান্ড এমনকি কেন্দ্রীয় কর্মসূচী ঢিলেঢালাভাবে পালিত হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ভেঙ্গে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। অবমূল্যায়ন করা হয়েছে দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন নেতাকর্মীদের। এসব কারণে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা এই নেতৃত্ব মেনে নিতে পারছেন না।

* আওয়ামীলীগ সরকার জনবান্ধব সরকার হলেও বির্তকিত নেতাদের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ব্যাপক নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি ও দলের তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। জনগনের মাঝে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
এছাড়াও সাধারণের মধ্যে কর্মীবান্ধব ও সৎ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে যাদের আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা রয়েছে ঐ সব নেতাদের জনকল্যানমূলুক কর্মকান্ডে সেটিও সাধারণের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে; এসব বিতর্কিত নেতাদের দায় নিবে কে ?
অন্যদিকে বিতর্কিত নেতারা তোপের মূখে পড়ার ভয়ে তৃণমুল নেতাকর্মী-সমর্থকদের এড়িয়ে চলছে। যে কারণে প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের যোজন যোজন দুরুত্ব সৃষ্টি হচ্ছে।

* আওয়ামীলীগের প্রবীণ ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন, গ্রহণযোগ্যহীণ ও বির্তকিত নেতাকর্মীদের নানা উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের তদারকির দায়িত্ব দেয়া,নেতাকর্মীদের সময় না দিয়ে নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকা ও জামায়াত-বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সঙ্গে আঁতাতসহ এই নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দলের শৃংঋলা বা চেইন অব কমান্ড বলে কিছুই নেই। দলের হাইব্রীড নেতারা সুযোগসন্ধানী ও নব্য আওয়ামী লীগারদের সামলাতেই ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের প্রবীণ ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের নিয়ে তার ভাবার সময় নেই।

তাই দলের নিবেদিতপ্রাণ, ত্যাগী, আদর্শবান নেতারা বলে আওয়ামীলীগ করে কী লাভ ?

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে চলছে আওয়ামিলীগের পুর্নবাসন

গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে চলছে আওয়ামীলীগের পুর্নবাসন

ষ্টাফ রিপোটার: বিগত ষোল বছর গজারিয়া উপজেলার নদী বেষ্টিত ইউনিয়ন গুয়াগাছিয়ায় একচছত্র আধিপাত্য বিস্তার করে রেখে ছিল মনসুর আহমেদ টিপু। ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাবেক এমপি এম ইদ্রিস আলী ও এডভোকেট মৃনাল কান্তি দাসের অন্যতম দোসর টিপুর বর্তমান আধিপত্যও সেই আগের মতোই৷। একটুও হেরফের হয়নি তার অবস্থান৷ অবশ্য আগে ছিল সে আওয়ামিলীগ বর্তমানে তার গায়ে লেগেছে বিএনপির সাইনবোার্ড। পেশায় তিনি শিক্ষক হলেও গতবছরের জুলাই আগষ্ট ছাত্র আন্দোলনের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছে এই টিপু মাষ্টার । ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালের আগে তার ফেইসবুক আইডি জুড়ে ছিল ফ্যাসিষ্ট সরকারের গুন কীর্তন । ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নৌকা মার্কা নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্যও ছিল টিপু মাষ্টার ৷প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছে নৌকা মার্কার নির্বাচনী জনসভাগুলোতে৷ ৫ আগষ্টের পটপরিবর্তনের পরিবর্তনের তার

আরও পড়ুন
language Change