মোঃ ইব্রাহিম হোসেন:
সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) উদ্যোক্তা শামীম মির্জার বিরুদ্ধে সরকারি সেবা প্রদানের নামে অবৈধ অর্থ আদায়,নারী সেবা গ্রহীতাদের যৌন হয়রানি, মাদক বিক্রি এবং সাংবাদিককে হুমকির সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, শামীম মির্জা দীর্ঘদিন ধরে জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিক সনদ ও ভাতা কার্ড সংশোধন, অনলাইন আবেদন সহ বিভিন্ন সরকারি সেবা প্রদানের নামে অসহায় ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নিয়মিত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আসছেন,নির্ধারিত সময়ের বাইরে টাকা না দিলে সেবা বন্ধ রাখা বা বিলম্ব করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, নারীরা ডিজিটাল সেন্টারে সেবা নিতে গেলে বা মোবাইল ফোনে তথ্য জানতে চাইলে পরবর্তীতে তাদের ফোন করে সম্পর্কের অফার দেয় ও এক পর্যায় তাদের ফাঁদে ফেলে যৌন হয়রানি করা হয়।
স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কেও জড়িত। মাদক বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা টেবলেট বিক্রি সহ সে বিভিন্ন মাদকেও আসক্ত এবং পরিষদের অভ্যন্তরেই তা সেবন করেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোজাহারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এসব অভিযোগ শুনেছি, তবে নিজ চোখে দেখিনি। বিষয়টি পরিষদের পরিবেশ ও সেবা কার্যক্রমের জন্য ক্ষতিকর।
এবিষয়ে,সবুজ বাংলাদেশের সংবাদকর্মী অভিযুক্ত শামীম মির্জার কাছে জানতে চাইলে তিনি নিজের মুখেই অর্থ গ্রহণ ও মাদক সেবনের বিষয় স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তির ভিডিও ও অডিও রেকর্ড যা সবুজ বাংলাদেশে সংরক্ষিত রয়েছে।
এছাড়াও তিনি স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম টেক্কার মাধ্যমে সংবাদকর্মী কে দুই হাজার টাকা দিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার চেষ্টা করেন। শামীম মির্জার কথায় ম্যানেজ না হওয়ার কারণে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় ২০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন শামীম মির্জা।
এছাড়াও সংবাদ প্রকাশ করলে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় টাকার অংক পরিবর্তন করে সংবাদকর্মীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
এ বিষয়ে, স্থানীয় সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, ডিজিটাল সেন্টারে একজন সৎ যোগ্য ও নারী উদ্যোক্তা নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিবেশ আরও নিরাপদ হবে এবং হয়রানি ও অনিয়ম কমে যাবে।
এবিষয়ে,দায়িত্বে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত