তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ভারতে মা ও ১০ মাসের শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা মাতৃভাষা আল্লাহর সেরা দান শেরপুরের ঝিনাইগাতী শহীদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বরগুনা সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ডেপুটি এটর্নি জেনারেল জুই প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির শ্রদ্ধা বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে টানে চীনের তরুণী অচিরেই শুটিংয়ে ফিরছেন না তানিয়া বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর কারাগারে, গৃহকর্মীর স্বীকারোক্তি মিটফোর্ডে ওষুধ সিন্ডিকেটের অভিযোগ : গোপন উৎপাদন ও সারা দেশে সরবরাহ জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তিশা ট্রাক চাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু! বেঁচে গেল শিশু ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন প্রতিরোধে অভিযান বরগুনার গৌরীচন্নায় বাউন্ডারির ভিতরে আটকে পড়েছে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জে ৯০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হাসনাত মোর্শেদ ভূইয়া ‎স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব নিযুক্ত ভ্রাম্যমান আদালতে রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা লংগদু জোনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ভাষা শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা পকেটে টাকা না থাকলে বিপিএলে দল করা উচিত না নিত্যপণ্যের মুল্য তদারকিতে সাতক্ষীরায় মোবাইল কোর্টের অভিযান মৌলভীবাজারে বাজার মনিটরিংয়ে ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তাকে ঘিরে উত্তেজনা অফিস করতে প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হালিমের হাতে আলাদিনের চেরাগ! শহীদ মিনার থেকে ধাওয়া খেয়ে পালালেন জাতীয় পার্টির নেতারা শহীদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ মিনারে বাধার মুখে রুমিন ফারহানা ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল ঈদের আগে পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে চায় সরকার বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় মীরা খান বেতাগীতে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী সদর বাজার সমস্যায় জর্জরিত গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ বসতবাড়ি ডিএনসির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ আটক ০১ বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মুল্যের ভারতীয় পণ্য জব্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এতিম ও অসহায়দের মাঝে সেহরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ শেরপুরের নকলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত -২, আহত -১ ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাধার ঘটনায় ক্যাবের প্রতিবাদ বিমানবন্দরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবার চেয়ার পেয়ে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনের আবেগঘন বার্তা বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা খেল শ্রীলঙ্কা সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময়সূচি পরিবর্তন বিদেশে নারীকর্মী নির্যাতন শিকার দেশে ফেরার আকুতি খেজুর ও মুদিপণ্যে স্বস্তি, সবজির দাম বাড়তি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আজ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হালিমের হাতে আলাদিনের চেরাগ!

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হালিমের হাতে আলাদিনের চেরাগ!
পাঠক সংখ্যা
638

বিশেষ প্রতিবেদক ঃ

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হালিম শীর্ষ দুর্নীতিবাজ কুষ্টিয়া জেলার বটতৈল ঈদগাঁও পাড়ার সিকিউরিটি গার্ড আনোয়ার হোসেনের ২য় সন্তান। হালিমরা ৩ ভাই ১ বোন, পিতা-আনোয়ার হোসেন ।আনোয়ার হোসেনের পৈত্রিক গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। পিডিবির সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরির সূত্রে কুষ্টিয়ায় যান। পরবর্তীতে সদর উপজেলার বটতৈল এলাকায় বিবাহ করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সিকিউরিটি গার্ড চাকরি জীবনে কষ্টে জীবন যাপন করেন। অর্থ ও সম্পদের মালিক হওয়া দুরের কথা ৩ বেলা ঠিকমত খাবারও খেতে পারেননি বলে অত্র গ্রামবাসি জানান। আনোয়ার হোসেন সম্পত্তির বা অর্থের মালিক হতে না পারলেও ছেলে আব্দুল হালিম অবৈধভাবে অবৈধ সরকারের দোসর হয়ে দুহাতে অবৈধ পথে আয় করেছেন ঐ ফ্যাসিস্ট সরকারের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীরমত শত শত কোটি টাকা।আর গ্রামে শহরে ও রাজধানীতে ক্রয় করেছেন জমি, বাড়ী , গাড়ী ও একাধীক ফ্ল্যাট। হালিম সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর পরই তার বাবার অভাব অনটনকে আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর গতিতে পরিবর্তন করে ফেলে। তাই না সুধু সাথে সাথে জমি বাড়ী ক্রয় শুরু করেন। গ্রামের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তার ভয়ে কোন কথা বলতে সাহস পেতেন না। কারন হালিম ছিলেন আর এক সন্ত্রাসী কুষ্টিয়ার মাফিয়া ডন আওয়ামীলীগের হানিফের ( এমপির ) বেডের সুখ পাখির যোগানদার। হানিফের এই আনন্দ উল্লাসের পাখির জন্য হালিমের ছিল সাত খুন মাফ। যা ইচ্ছা তা করে পূর্তের প্রকল্পের কাজ সমাধান করে দিতেন ।বরাদ্ধের টাকা হানিফের পিছনে ও তার পারিবারিক কাজে বেশি ব্যবহার করতেন । এমন সম্পত্তি গ্রামে ও শহরে করেছেন আর সংসারে খরচ করছেন তা দেখে গ্রামের সাধারন মানুষ তার বাবা আনোয়রকে ভূমিমন্ত্রী উপাদী দিয়ে ডাকেন।

সরকারে যেসব প্রকল্পের কাজ করেছেন তাহা সঠিকভাবে তদন্ত করলেই আসল রহস্য বেড় হয়ে আসবে।হালিমের দায়িত্বে যে সব প্রকল্পের দায়িত্ব ছিল তার বরাদ্ধের টাকা মানি-অর্থাৎ নিজের টাকা মনে করতেন । কারন হালিমের হিসাব ছিল এই অবৈধ সরকারের কোন দিন পরিবর্তন হবে না, তারও কোন হিসাব দেওয়া লাগবে না। সকল বরাদ্ধেরই টাকা নয়-ছয় করে ভুয়া বিল ভাউচার , ঠিকাদারদের সাথে ভাগ যোগ করে, উপরের তত্ত্বাবধায়ক ও অতিরিক্ত প্রকৌশলীদের উৎকোচ , উপহার দিয়ে খুশি করে বরাদ্ধের টাকার, নামে মাত্র কাজ সমাধান করে বিল তুলে নিজ ব্যক্তিগত কাজে খরচ করেছে। হালিম যে যায়গায় যে কাজ করেছেন সেখানেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ।

আবদুল হালিম গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন লিফট সংযোজন করেন। কিন্তু বেশি দিন যেতে না যেতেই নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয়্। কারন নিন্মমানের লিফট সংযোজন করায় লোট নিত পারে না। গত ২০২৪ সালের মে’ মাসে লিফটে রোগী আটকে পরে মৃত্যু হয় । এ ব্যপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে তদন্ত করেন ও তাতে দোষি করে চিঠি ইস্যু করেন । উক্ত হত্যার কৈফিয়ত মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে ধামাচাপা দেয়্ । কিন্তু তাকে কেহ কোন কাজের জন্যই দোষী হলেও তাকে বরখাস্ত করতে সাহস পান নাই। কারন হালিম আওয়ামীলীগের প্রভাব শালী হানিফসহ অন্যনেতাদের সহচর ও আস্তাভাজন ছিলেন । নেতাদের টাকা মদ, নীশি রাতের শান্তির পাখিদের দিয়ে আসতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর হানিফেরতো একেবারে বেডরুমের লোক ছিল হালিম । সেই স্বৈরাচারের লোক হয়েও হালিম স্ব- পদে আজও বহাল আছেন । গণপূর্ত বিভাগের একাধীক প্রকৌশলী নাম না প্রকাশ শর্তে জানান যে হালিম ২টি খুনের হত্যার ও আসামি । তাকে আওয়ামীর লোকজন তদন্তের নামে সময় পার করে হত্যা মামলা থেকে আড়াল করে দিয়েছে । কিন্তু ২৪ এর জুলাইর গনহত্যার মামলার আসামি থাকা সত্যেও প্রকাশ্যে ঘুরছে। আওয়ামীলীগ প্রকৌশলীদের যে ভাবে এখনও সাধারন প্রকৌশলীগন গোপনে সাহায্য করছে ,তাতে এই আওয়ামীলীগই একদিন আবার পুর্নবাসন হবে আবার সাপেরমত সোপল দিবে । সাধারন প্রকৌশলীরা জানে না যে, বিষধর সাপ ও আওয়ামীলীগ এর মধ্যে কোন পার্থাক্য নাই।

দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কি পরবে ? আব্দুল হালিমের এই সম্পত্তির তালিকার দিকে:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের- ই/এম ডিভিশন–১০ ঢাকা এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হালিমের নিজ নামে ঢাকার দুটি জমি সহ বাড়ি রয়েছে যার একটি মোহাম্মদপুরে আ/এ– ০৩ নং মৌজায়। এই মৌজায় নির্মাণকৃত বাড়িটির হোল্ডিং নং নাম্বার ১৭৫/৩০ খতিয়ান নম্বর ১২৪১৪ দাগ নং ২১।উল্লেখিত মৌজায় আব্দুল হালিমের জমির পরিমাণ ৪১/৯১ কাঠা। গণপূর্ত বিভাগ- ই/এম, ডিভিশন –১০ ঢাকা এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল হালিমের আরেকটি জমিসহ বাড়ি রয়েছে যার হোল্ডিং নং ১৭৯/২৪০ খতিয়ান নম্বর ৭৩ ৯ ৩ ২ দাগ নং ২/২৩ উল্লেখিত মৌজায় তার নিজ নামীয় জমির পরিমাণ ২৭.৭২ কাঠা । বাড়ি বাদে দুটি জমি একত্রে ৭৫.৩৬ কাঠা। জমি দুটি আনুমানিক বাজার মূল্য ১০০ কোটির উপরে। সরকারি চাকরিতে যোগদানেরপর-পরই ঢাকায় জমি সহ বাড়ী এবং দেশের বেশ কয়টি জেলায় জমি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন হালিম।

কুষ্টিয়ার বটতৈল এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন এক সময় নুন আনতে পান্তা ফুরাতো। আজ সেই আনোয়ারকে এলাকার মানুষ টিট করে আনোয়ার মন্ত্রী বলে ডাকেন। অর্থাৎ তার ছেলে হালিম বটতৈল এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমি কিনেছেন তার নামে বলেই তাকে মন্ত্রী বলে এলাকার মানুষ ডাকেন। কারন অসহায় গরীব মানুষ যে তিনবেলা পেট ভরে খাবার খেতে পারতো না”” সে আজ শত শত বিঘা জমির মালিক। এইসব দেখেই গ্রামের মানুষজন হতবাগ। তাই হালিমের বাবা আনোয়ার হোসেনকে ভুমি মন্ত্রী বলে ডাকেন। হালিম তার চাকরিরঅল্প সময়ের মধ্যেই আলাউদ্দিনের চেরাগ এরমত শত শত কোটি টাকার ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।

ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে সিআর মামলা নং-১১৮/২০২৫, ধারা ঃ ১৪৭/১৪৮/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪ দণ্ডবিধিতে মামলা রয়েছে। হালিমের নামে দুদকেও একাধিক মামলা থাকার পরও তার প্রভাব ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলেরমতই রয়ে গেছে অধিদপ্তরে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এখানে কিছু প্রকৌশলী এমন প্রভাবশালী যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রজেক্ট, টেন্ডার, এমনকি কর্মী নিয়োগ-সবকিছুতেই তাদের হাত থাকে।গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠান এখনো স্বৈরাচারের দোসরদের প্রভাব বিস্তৃত।প্রশাসনিক সংস্কার ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পথ বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। (চলবে )

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কয়েদি-বিদ্রোহ ব্যাপক গোলাগুলি চট্টগ্রাম কারাগারে

মোহাম্মদ মাসুদ: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। কয়েদিরা  পালিয়ে যেতে কয়েদিরা বিদ্রোহ করেছেন। কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন তারা। শুক্রবার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে এ গোলাগুলি শুরু হয়। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ‘কে’ আদ্যক্ষরের এক সিনিয়র কারারক্ষী জানান, কয়েদিরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে পালিয়ে যেতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারারক্ষীরা এ সময় ৫/৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়েন। পরে সব কয়েদিদের মারধর করে স্ব স্ব ভবনের রুমে প্রবেশ করাতে সক্ষম হন তারা। তবে সাঙ্গু ভবনের দেয়াল ও অনেক ভবনের রুমের লোহার গেইট ভাঙতে চেষ্টা করেন কয়েদিরা। এতে নড়েচড়ে গেছে অনেক লোহার গেইট। সেনা ও জেলা কারাগার কতৃপক্ষের ৩০ মিনিটের চেষ্টায় পরে শান্ত হয় জেলা কারাগারের পরিবেশ। এর আগে দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ কারাগারের ভেতরের সাঙ্গু ভবনের দেয়াল কুঁচিয়ে ইট বের করে

আরও পড়ুন
language Change