মো: মাসুম বিল্লাহ, খুলনাঃ
খুলনা নগরীর ব্যস্ততম রাস্তাগুলোতে নির্মাণসামগ্রী রাখার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল এখন চরম ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। রাস্তার ওপর বালুর স্তূপ ও নির্মাণাধীন মালামাল যত্রতত্র ফেলে রাখায় একদিকে যেমন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ধুলোবালিতে একাকার হয়ে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে মহানগরী। কন্ট্রাক্টরের অবহেলা, ভোগান্তিতে জনগণ সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা দখল করে বালু ও মাটির স্তূপ জমিয়ে রাখা হয়েছে। নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কন্ট্রাক্টররা কাজ শেষ করার পর সেই জায়গা পরিষ্কার করার কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না।
সংশ্লিষ্টরা নিজেদের মুনাফা বুঝে নিলেও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও চলাচলের সুবিধার বিষয়টি উপেক্ষিত থাকছে। দুর্ঘটনার মরণফাঁদ রাস্তার বড় একটি অংশ বালুর দখলে থাকায় সরু পথে চলতে গিয়ে সাধারণ পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে রাতে অপর্যাপ্ত আলোর কারণে এই বালুর স্তূপগুলো মরণফাঁদে পরিণত হয়। বালু পরিবহনের সময় কোনো ঢাকনা বা সেফটি ব্যবহার করা হয় না। ফলে সারা রাস্তা বালু ঝরতে ঝরতে যায়। পরে তা রোদে শুকিয়ে বাতাসে উড়ে ধুলার সৃষ্টি করে, যা আমাদের নিশ্বাস নিতেও কষ্ট দিচ্ছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় এক ভুক্তভোগী।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি খুলনা নগরী এখন 'ধুলোর রাজত্ব' হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। কোনো আবরণ ছাড়াই খোলা ট্রাকে করে মাটি ও বালু পরিবহনের ফলে নগরীর বাতাস ক্রমাগত দূষিত হচ্ছে। এতে শ্বাসকষ্ট, এলার্জি ও চোখের সমস্যার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি নগরের সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, এই বিশৃঙ্খলা রোধে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি। বিশেষ করে যত্রতত্র বালু রাখা এবং নিয়ম না মেনে পরিবহন করার ক্ষেত্রে জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত