তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সাতক্ষীরা তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে বিতর্কিত ব্যক্তির নাম, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্... সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাস্টমস কর্মকর্তা আলতাফের অ’বৈধ সম্পদের পাহাড় সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেফতার ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ঝালকাঠিতে বসত বাড়িতে দেয়াল নির্মাণে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ মেক্সিকোতে সশস্ত্র হামলায় মেয়র নিহত মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৫ সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস জাবির বাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা, ছাত্র বহিষ্কার এমপি আমির হামজা আত্মসমর্পণ করতে সিরাজগঞ্জে যাচ্ছেন শিক্ষা উন্নয়নে লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ-এর মহতী উদ্যোগ, মাদ্রাসায় দুই লক্ষ টাকার চেক প্রদান আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিশ্চিতে শ্রীমঙ্গলে রূপসার প্রেসব্রিফিং নজরুল বর্ষ পালনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুলে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মোংলার জনগণের অভিযোগ নিরসনে সালিশী টিমের নিরলস পরিশ্রম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলকে জিততে দিল না মরক্কো রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ প্রবাসীদের নিয়ে সরকারের নতুন উদ্যোগ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের শপথ গ্রহণ রাউজানে দিনদুপুরে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা নেপালের রাষ্ট্রপতিকে আম উপহার পাঠাল বাংলাদেশ ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ধর্ষণ মামলায় শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেফতার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াল ক্যানসারের ওষুধের দাম কেশবপুরে আওয়ামীলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক ঝিনাইগাতী বাজারে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ: মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধিতে চরম ভোগান্তি নলডাঙ্গায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব: এফবিসিসিআই গ্যাস নিয়ে দুঃসংবাদ দিল তিতাস গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম বিরোধী দল অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য! বটিয়াঘাটায় বিএনপি নেতা রফিক কে গুলি করে হত্যা বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা মেধা ও বিজ্ঞান চর্চায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কালীগঞ্জে দিনব্যাপী শিক্ষা ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টির মধ্যে ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রা এক মঞ্চে দুই ‘রকস্টার’ সানির সঙ্গে কণ্ঠ মেলালেন শাকিব নাটোরে দিনব্যাপী এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিপি অনুষ্ঠিত মেট্রোরেলের লাইনে বিড়াল, ট্রেন চলাচল বন্ধ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে দর্শক হিসেবে থাকবেন নেইমার নলডাঙ্গায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সামসুজ্জামান সামু বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায়  আনন্দ মিছিল

সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা
পাঠক সংখ্যা
638

শেখ তাইজুল ইসলাম, মোংলাঃ

পূর্ব সুন্দরবনে আগুন প্রতিরোধে আগাম সতর্কতায় শুরু হয়েছে বনবিভাগের প্রচার প্রচারণা। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনে যাতে আগুন না লাগে সে লক্ষ্যে বনরক্ষীরা মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও শুক্রবার জুমার নামাজের সময় প্রচারণার কাজ চালাচ্ছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) বিকাল ৩টায় মোংলা উপজেলায় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ চাঁদপাই রেঞ্জ ও সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে এ প্রচার প্রচরনা আয়োজন করা হয়।

গত ২৩ বছরে সুন্দরবনে ৩০ বার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়,গত ২৩ বছরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ৩০ বার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে সুন্দরবনের ব্যপক এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মার্চ মাস থেকে মে মাস সময়ের মধ্যে সুন্দরবনে বেশিরভাগ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সবশেষে গত বছরের ২২ মার্চ চাঁদপাই রেঞ্জের বনে কয়েকদফা আগুন লাগে। সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সুন্দরবনে প্রাকৃতিকভাবে আগুন লাগেনা। লোকালয়ের একটি চক্র সুন্দরবনে শুষ্ক মৌসুমে আগুন লাগিয়ে থাকে। এ চক্রটি বনে আগুন লাগিয়ে ছাই তৈরী করে রাখে। বর্ষা কালে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ বনভূমি পানিতে ডুবে থাকে। পানিতে ডুবে থাকা ছাই খেতে কৈ, মাগুর ও শিং মাছ সেখানে আসে। অসাধূ চক্রের লোকেরা জাল দিয়ে সে সময় মাছ ধরে। বিষয়টি এলাকায় ওপেন সিক্রেট।

সুন্দরবনে আগুনের মৌসুম শুরু হওয়ায় বনরক্ষীরা আগাম সর্তকতার জন্য সুন্দরবন সংলগ্ন বৈদ্যমারী, নিশানবাড়ীয়া,গুলিশাখালী, আমুরবুনিয়া,ধানসাগর, রাজাপুরসহ আশেপাশের হাট বাজার ও গ্রামে ব্যপকভাবে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। জামে মসজিদ গুলোতে শুক্রবারে জুমার নামাজের সময় ইমাম সাহেবদের মাধ্যমে আগুন প্রতিরোধের প্রচার চালানো হচ্ছে। এমনকি নিয়মিভাবে ড্রোন উড়িয়ে সুন্দরবনে পর্যবেক্ষণ করছেন বনরক্ষীরা। শরণখোলা,মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলার বনসংলগ্ন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের জিউধরা, চিলা, জয়মনি, কপিলমুনি ও কটকা প্রবেশপথে জেলে, বাওয়ালি ও স্থানীয় কেউ বিড়ি-সিগারেট কিংবা দাহ্য বস্তু নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। প্রথমবারের মতো নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রবেশপথে বিড়ি-সিগারেট ও যেকোনো দাহ্য পদার্থ নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধরা স্টেশনের বনরক্ষী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আগুন লাগার বেশিরভাগ ঘটনার পেছনে মানুষের অসচেতনতা বা দুর্বৃত্তের হাত। আমরা টহল জোরদার করেছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা গ্রামের বাসিন্দা আবু হাসান বলেন, সুন্দরবন আমাদের জীবন-জীবিকা। যেখান থেকে আয় না করলে সংসার চলে না। সেখানে এক শ্রেণির মানুষ ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য বৃহত্তম স্বার্থ নষ্ট করছে। বারবার আগুনে বন পুড়তে দেখে আমাদের কষ্ট হয়। বন বিভাগের এই উদ্যোগকে আমরা সমর্থন করি। কেউ নিষেধাজ্ঞা না মানলে কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা দীপন চন্দ্র দাস বলেন, গত দুই দশকে অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাই এবার প্রতিরোধেই জোর দিচ্ছি। বনসংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিন মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের সহযোগিতা ছাড়া বন রক্ষা সম্ভব নয়। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি। বন বিভাগের তদন্তে আগের অগ্নিকাণ্ডগুলোর ঘটনায় একশ্রেণীর স্থানীয় দুর্বৃত্ত চক্রের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। এবার যাতে এমন কোনো ঘটনা না ঘটে, সে জন্য টহল বাড়ানো হয়েছে এবং প্রবেশপথগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গত ২৩ বছরে ২৭ বার অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক একর বনভূমি পুড়ে গেছে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে।

বিশ্বের অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বনের তুলনায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য অধিকতর সমৃদ্ধ। এই বনে সুন্দরীসহ রয়েছে ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল ও ১৩ প্রজাতির অর্কিড। বাঘ, হরিণ, কুমির, কিং কোবরা, বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতিসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন,৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও ২১০ প্রজাতির মৎস্যসম্পদ। সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই জনপদ এখনও টিকে আছে শুধু সুন্দরবনের আশ্রয়ে।কিছু মানুষের লোভ-লালসা আর অপকর্মের শিকার হচ্ছে বননির্ভরশীল মানুষ ও গোটা বনের জীববৈচিত্র্য। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, একসময় এ বনে বাস করত ৪০০ প্রজাতির পাখি, যা কমতে কমতে এখন ২৭০ প্রজাতিতে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে সাগর-নদীর পানির উচ্চতা ও লবণাক্ততা। কমে যাচ্ছে সুন্দরবনের কম লবণসহিষ্ণু সুন্দরীসহ অন্যান্য গাছ, কমছে বন্যপ্রাণীর বিচরণ ক্ষেত্রও।

একশ্রেণির জেলে সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ দিয়ে মাছ আহরণ করায় হুমকির মুখে পড়েছে সুন্দরবনের মৎস্য ভাণ্ডার। একইভাবে হত্যা করা হচ্ছে বাঘ, হরিণ, শূকরসহ অন্যান্য প্রাণী। সুন্দরবনের টিকে থাকার ওপর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সমৃদ্ধি অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সুন্দরবন প্রকৃতিগতভাবেই সৃষ্টি এবং প্রকৃতিই এর রক্ষক। এসময় উপস্থিত ছিলেন জিউধরা স্টেশন কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন, আমোরবুনিয়া টহল ফাড়ির অসি মোঃ জাকির হোসেন, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো: ফারুক হাওলাদার,সহ-সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মারুফ হাওলাদার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেক্সপিয়ার বালা, সিপিজি,ভিটিআরটি সদস্যরা প্রমুখ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শেরপুরে মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ৬৬ লাখ টাকা কবিরাজকে তুলে দেয় মেয়ে

শেরপুরে মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ৬৬ লাখ টাকা কবিরাজকে তুলে দেয় মেয়ে

মিজানুর রহমান, শেরপুরঃ ছোট ভাইবোনদের মা-বাবা বেশি আদর করেন। তাই মা-বাবার ভালোবাসা পেতে কবিরাজির নামের ভয়ংকর প্রতারকের কবলে পড়ে সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ মোট ৬৬ লাখ টাকা খুইয়েছেন অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী কন্যা। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জামালপুর। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চক্রের তিন সদস্যকে।  বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান পিবিআই-এর পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত। মামলা সূত্রে জানা যায়, শেরপুরের কাপড় ব্যবসায়ী সাইদুর রহমানের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে প্রতারকদল। ‘কবিরাজ’ পরিচয়ে তারা ইমু ও টিকটক ব্যবহার করে কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে।বাবা-মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ‘কবিরাজি খরচ’ বাবদ বিকাশের মাধ্যমে ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫০ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে

আরও পড়ুন
language Change