মো: মাসুম বিল্লাহ খুলনাঃ
পাইকগাছার ঢ্যামসাখালী সড়ক এখন জনদুর্ভোগের নামান্তর। আমার গ্রাম-আমার শহর রূপকল্পে যখন দেশের প্রতিটি প্রান্তরের চিত্র বদলে যাচ্ছে, তখন খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ৯ নং চাঁদখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ঢ্যামসাখালী গ্রামটি যেন এক বিপরীত জনপদ। আধুনিক উন্নয়নের এই যুগেও গ্রামের প্রধান সড়কটি সংস্কারের অভাবে আজ মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিপুল জনবসতিপূর্ণ এই এলাকাটি দেখে মনে হয়, সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এক অবহেলিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।
ভোগান্তির শেষ নেই, দেখার কেউ নেই: সরেজমিনে দেখা যায়, ঢ্যামসাখালী গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র প্রধান গ্রামীণ রাস্তাটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। এক সময়ের চলাচলের উপযোগী রাস্তাটি এখন বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে একাকার। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের একদম অনুপযোগী হয়ে পড়ে। অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নেওয়া এখন এই গ্রামের মানুষের কাছে এক দুঃস্বপ্নের নাম।
বিপাকে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ: স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির বেহাল দশার কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সঠিক সময়ে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না। পণ্য পরিবহনে বাড়তি খরচ ও ভোগান্তির কারণে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার কৃষকরাও। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি নিয়ে প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।
উন্নয়ন কেবল কাগজে-কলমে? গ্রামবাসীর প্রশ্ন-যখন সারা দেশে উন্নয়নের জয়জয়কার, তখন কেন ঢ্যামসাখালীর এই সড়কটি বছরের পর বছর সংস্কারহীন পড়ে থাকবে? তারা বলছেন, ভোটের সময় অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও কাজ শেষে কেউ আর খবর রাখে না। দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করে গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত