তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন ব্যাপক প্রস্তুতি সৌদির প্রতারিত অভিবাসীদের পাশে ব্র্যাক: চাটখিলে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের নতুন পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম অতিথি নিয়ে ব্যস্ত পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর শেরপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক রোগী হজে গিয়ে ১ বাংলাদেশির মৃত্যু গাছের ডালে ‘লাশ’ ভেবে আতঙ্ক, শেষ পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার যুবক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু এসএসসি পরিক্ষা ঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৯ দোকান নৌপুলিশের প্রধান রেজাউল করিম, রংপুরে কমিশনার আবদুল মাবুদ নৃশংস হামলার শিকার সাংবাদিক আলী আশরাফ বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের মূল্য নির্ধারণ ১০০ বছর বাঁচার উপায় জানুন বিএমইউর নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম গম দুর্নীতি মামলায় মুখোমুখি নুসরাত পাচার অর্থ ফেরাতে সরকারের উদ্যোগ লাশ চুরির ভয়ে সন্তানের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা সভাপতি-সম্পাদক পদে একক প্রার্থী হয়ে বিজয়ের পথে রাজ্জাক রাজ ও রিপন বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম টেইলার্সের আড়ালে মাদক বিক্রি চানাচুরের প্যাকেটে শহীদ এম. মনসুর আলী থেকে ‘সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ’ বিএনপি সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিপাক্ষিক সভা টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ সামাজিক বনায়নের গাছ না কেটে বেড়িবাঁধ সংস্কারের অভিযোগ অবশেষে জয়ের দেখা পেল রিয়াল মাদ্রিদ কিশোরগঞ্জের এসপি হলেন মিজানুর রহমান শেলী শেরপুরে টিআরসি কনস্টেবল নিয়োগে ব্রিফিং প্যারেড কনটেন্ট ক্রিয়েটর দের জন্য দুঃসংবাদ  আগুনের ক্ষতিগ্রস্থ কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবারও ক্লাসে ফিরল নকল বীজ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় দুই ডিলারকে জরিমানা সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বাস ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সাত খুন, জামায়াত আমিরের ক্ষোভ জাতীয়ভাবে পালন হবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে, ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ ভারত যাওয়ার ১৯ মাস পর শেরপুর সীমান্তে যুবকের মরদেহ হস্তান্তর ধুতির ওপর অজানা পায়ের ছাপ, ‘গোপালের পদচিহ্ন’ বলছেন ভক্তরা বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচার স্বামী-স্ত্রী আটক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলো জ্বালানি তেলের দাম কালীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রামগড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদল এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসে সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী

‎রামগড়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

‎রামগড়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পাঠক সংখ্যা
638

মো.মাসুদ রানা, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছড়ির রামগড়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে তানভীর হোসেন নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ১নং রামগড় সদর ইউনিয়নের বলিপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তানভীর রামগড় সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা আরিফ হোসেনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালেই মায়ের সাথে বলিপাড়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল শিশু তানভীর। দুপুরের পর সবার অগোচরে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুরে পড়ে যায় সে। দীর্ঘক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে বিকেল ৩টার দিকে পুকুর থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা পর শিশুটিকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎নিহতের স্বজন আবদুর রহিম জানান, সকালেই খুশিমনে বেড়াতে এসেছিল শিশুটি। কিন্তু দুপুরের পর চোখের পলকে যে কী হয়ে গেল, কেউ টেরই পেল না। তানভীরের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মা ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে হাসপাতালের পরিবেশ। ‎রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে একটি শিশুর মরদেহ শনাক্তের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বাড্ডার জনপ্রিয় যুবলীগ নেতা কায়সারকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা

স্টাফ রিপোর্টার: ২০১৩ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্কীকে হত্যার আগেই খুনি চঞ্চল গ্রুপ টার্গেট করেছিল বাড্ডা যুবলীগের ত্যাগী নেতা কায়সার মাহমুদকে। বাড্ডায় প্রকাশ্য দিবালোকে চঞ্চলের সহযোগী ১০/১২ জন অস্ত্রধারী চারদিক থেকে কায়সারকে ঘিরে এ্যামবুশ করে, গুলি চালায় বৃষ্টির মতো। কাধে, গলায়, পিঠে, বুকে বেশ কয়েকটি বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় কায়সার ছটফট করতে থাকেন। মানুষজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় দীর্ঘ চিকিৎসায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া কায়সার মাহমুদ আর ঘরে ফিরে যাননি। সংগঠনের জন্য নিজের জীবনকে উৎস্বর্গ করার ঘোষণা দিয়ে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আর খুনোখুনির বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধে নামেন তিনি। বাড্ডায় যুবলীগকে গড়ে তোলেন অপরাধ বিরোধী মানসিকতায়। ২০০৫ সালে বাড্ডায় ২১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি নর্বাচিত হন কায়সার মাহমুদ। চমৎকার সাংগঠনিক যোগ্যতা, দক্ষতা আর তৎপরতার মাধ্যমে ঢাকা

আরও পড়ুন
language Change