তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
১৭ বছরে ‘ইতিহাস বিকৃতি, সংশোধনের প্রতিশ্রুতি প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের তেরখাদায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংবাদ সম্মেলন দীঘিনালায় ট্রাভেল ব্যাগে মিলল আড়াই কেজি গাঁজা সুন্দরবনে দস্যু আতংকে মধু সংগ্রহে ধস লোকসানে বাওয়ালি ও মহাজনেরা জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ মাসুদ খাগড়াছড়িতে বিএনপি'র রাজনীতিতে অদম্য এক নারী কুহেলী দেওয়ান নিরাপত্তাকে অজুহাত বানিয়ে অন্যের ভূমি দখল প্রতিশোধ নিতেই আসাদুলকে হত্যা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী লিটন পেলেন  মিনিগাড়ি উপহার শ্মশানের পাশে মিলল নবজাতক এনসিপির ‘জাতীয় নারী শক্তি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার কোনো অবস্থাতেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরেনিয়াম দেওয়া হবে না আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার ইসরায়েলকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড অস্ত্রসহ ডাকাত আটক দেব-শুভশ্রীর ছবির ভিলেন নিষিদ্ধ অনির্বাণ কেশবপুরে হাম- রুবেলা টিকা প্রদান প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল কিশোরের  আগামী বছর থেকে হজের খরচ কমানোর চেষ্টা করবে সরকার সরকারের ২ মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি জ্বালানি সংকটে খুলনার ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬টিই বন্ধ সিরাজগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে চলছে মেধা ও যোগ্যতার যাচাই খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলিম অসুস্থ জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষণা অবহেলিতদের পাশে দাঁড়াতে চান বিএনপি নেতা রাশেদুল হাসান রঞ্জন দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন শেরপুরে মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ৬৬ লাখ টাকা কবিরাজকে তুলে দেয় মেয়ে মানিকছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পেইন ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফের কাছে জিম্মি চার গ্রামের মানুষ দেশে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারীতা মোহাম্মদপুরে ৪ দিনের ব্যবধানে আরও এক খুন তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে যুবরাজ-বুশরা টেক্সটাইল মিলের ইনচার্জ বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এসএসসি পরীক্ষায় থাকছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন আজ আলোচনা করবে লেবানন ও ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজ ভোলাহাট প্রেসক্লাবের বনভোজন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগ দেবে সরকার

নৌপরিবহন অধিদপ্তরেরর ১১ তলা ভবন নির্মাণে দেলোয়ারের নয় ছয়

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ১১ তলা ভবন নির্মাণে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির নয় ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণকাজে নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার ও নকশাবহির্ভূত কাজ করতে গিয়ে নানা জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। কালক্ষেপণের কারণে দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়েও তিন বছরের কাজ ৯ বছরে শেষ করা যায়নি। সর্বশেষ বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে কিনা, তাও অনিশ্চিত।

অভিযোগ উঠেছে, ভবনটি নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতার পেছনে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দায়ী। প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ লোপাটের উদ্দেশ্যেই ধীরগতিতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমান ও ভবন নির্মাণের কোরীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের দিকেই অভিযোগের তীর।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর নিজামুল হকও (সদ্য বিদায়ী) ভবন নির্মাণ নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রকল্প পরিচালককে প্রত্যাহার করে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নৌ খাতের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার স্বার্থে ২০১৪ সালে গ্লোবাল মেরিটাইম ডিস্ট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম (জিএমডিএসএস) নামে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে। প্রকল্পের মোট ৩৮২ কোটি টাকার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণ সহায়তা ৭০ শতাংশ ও বাকি ৩০ শতাংশ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিলের। তিন বছরমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ সময় ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরে দুই দফায় প্রকল্পটির কাজের পরিধি বাড়িয়ে এর নামকরণ হয় এস্টাবলিশমেন্ট অব গ্লোবাল মেরিটাইম ডিস্ট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম অ্যান্ড ইন্ট্রিগ্রেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম (ইজিআইএমএনএস)। একই সঙ্গে ব্যয় বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয় ৭৭৯ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নের সময়সীমা ২০২৪ সালের ৩০ জুন চূড়ান্ত করা হয়।

উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন অবকাঠামো স্থাপনের পাশাপাশি ইজিআইএমএনএস প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের জন্য ১১ তলা ভবন। অন্যান্য স্থাপনার মতোই এই ভবনটির নির্মাণ শেষ করার কথা ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরে সময় বাড়িয়ে করা হয় ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় পুরো প্রকল্পের পাশাপাশি ভবনটি নির্মাণেরও সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩০ জুন করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ১১ তলা ভবনটির নিচতলা থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা, যা দক্ষিণ কোরিয়া সরকার দেশটির এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে দেবে। পরে আরও তিনতলা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে নবম থেকে ১১ তলা পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। এ প্রকল্পের মূল ঠিকাদার কোরীয় কোম্পানি এলজি সামিহ। কোম্পানি এ কাজে বাগদাদ কনস্ট্রাকশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সহঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তারাই ভবন নির্মাণসহ সাজানোর কাজ করছে।
সম্প্রতি ভবনটিতে গিয়ে জানা গেছে, নিচতলায় ফায়ার ফিটিংসের যে কাজ করা হয়েছে, তাতে নানা অসংগতি রয়েছে। এমনকি ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় রাজউকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের যে ছাড়পত্র জমা দেওয়া হয়েছে, সেটিও জাল। গত ৭ মে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়, এই ভবনের অনুকূলে কোনো ছাড়পত্রই প্রদান করেননি তাঁরা।

ভবনটির বেজমেন্টে পাওয়ার সাব-স্টেশন ও জেনারেটর হাউস পাশাপাশি স্থাপন করে ভয়াবহ অগ্নিঝুঁকি সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই ঝুঁকি এড়াতে অতিরিক্ত প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় করে স্থাপনা দুটিকে আলাদা করতে হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন তলা ছিদ্র করে সিঁড়ির সামনে ফায়ার ফাইটিং কেস বসানো হয়েছে। এটিও যে কোনো সময় ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

ভবনের দ্বিতীয় তলার সিলিংয়ে কিছু এয়ার কন্ডিশনের তার এলোমেলো পড়ে আছে। এ পর্যন্ত একটিও এসি লাগানো হয়নি। মহাপরিচালকের কক্ষ ছাড়াও তৃতীয় তলার সব জায়গায় নিম্নমানের সামগ্রী লাগানো হয়েছে। তৃতীয় তলায় কোনো এসি লাগানো হয়নি, লাইটও নেই। অথচ এই ফ্লোরের জন্য ৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা খরচের কথা বলা হচ্ছে। সাততলা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন তলায় অধিকাংশ দরজা নিম্নমানের প্লাস্টিকের তৈরি। অথচ দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাঠের দরজা লাগানোর কথা। এ ছাড়া কয়েকটি তলায় মেঝেতে টাইলস বসানো হয়নি। ওয়াশরুমে স্থাপন করা বেসিন, কমোড ও অন্যান্য ফিটিংসও নিম্নমানের। বৈদ্যুতিক তারও মানসম্মত নয় বলে জানান নির্মাণসংশ্লিষ্টরা।
জানতে চাইলে কমডোর মোহাম্মদ নিজামুল হক সম্প্রতি বলেন, তাঁকে না জানিয়ে এবং কোনো ধরনের অনুমোদন না নিয়ে যাচ্ছেতাইভাবে ১১ তলা ভবন নির্মাণসহ পুরো প্রকল্পের কাজ চলছে। এ জন্য প্রকল্প পরিচালক দেলোয়ার রহমান ও কোরীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এলজি আল সামিহ’ দায়ী।এরাই নয় ছয় করেছে সকল কাজে, সমন্বয়হীনতার কারণে প্রকল্পের কাজে ভাটা পড়েছে। তাঁর দাবি, মহাপরিচালক হিসেবে তাঁর যোগদানের আগে প্রকল্পের কাজ মাত্র ৩০-৩৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন– এ প্রশ্নের জবাবে কমডোর নিজামুল হক বলেন, ‘প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় নজরে আসার পর ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও বলেছি। প্রকল্প পরিচালককে প্রত্যাহার করে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য চিঠি দিয়ে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাঁর দপ্তর থেকে বলা হয়, ‘প্রকল্প পরিচালক অসুস্থ থাকায় তাঁর পক্ষে বক্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়।’ পরে উপপ্রকল্প পরিচালক (ডিপিডি) ফরহাদ জলিল বিপ্লব প্রকল্প পরিচালকের পক্ষ থেকে দাবি করেন, ১১ তলা ভবন নির্মাণে কোনো অনিয়ম হয়নি। দরপত্রের শর্ত এবং এ-সংক্রান্ত সরকারি বিধিবিধান মেনেই সবকিছু করা হচ্ছে।
আরো আসছেপ্রকল্প পরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমানের মহা র্দূনীতির বিবরণ আর তা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ এর পাতায়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চট্টগ্রাম ‘কেলেঙ্কারি’র মাস্টারমাইন্ড জসিম এখন এনআরবি লাইফে!

স্টাফ রিপোর্টার: যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির গ্রাহকদের স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়ে তা জীবন বিমায় রূপান্তর করে জালিয়াতি ও প্রতারণায় জড়িত কর্মকর্তাকে চাকরি দিয়েছে নতুন প্রজন্মের জীবন বিমা কোম্পানি এনআরবি ইসলামিক লাইফ। প্রতারণায় জড়িত ওই কর্মকর্তার নাম মো. জসিম উদ্দিন। তিনি যমুনা লাইফের সাবেক অ্যাডিশনাল এমডি। বর্তমানে তিনি এনআরবি ইসলামিক লাইফে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রায় ৯৩ জন গ্রাহককে স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুই কোটি ৩৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জীবন বিমায় রূপান্তরের নেপথ্যের নায়ক জসিম উদ্দিন। এফডিআরে পাঁচ শতাংশ কমিশন হলেও সেখানে তারা এফডিআরের নামে টাকা নিয়ে জালিয়াতি করে তা সিঙ্গেল বিমায় রূপান্তর করে ৯৫ শতাংশ কমিশন বাগিয়ে নিয়েছেন। এই জসিম উদ্দিন তখন অ্যাডিশনাল এমডির পাশাপাশি যমুনা লাইফের

আরও পড়ুন
language Change