রুস্তম ফারাজী, কেশবপুরঃ
যশোরের কেশবপুর উপজেলার গড়ভাঙ্গা এলাকার চাতরা ও সাড়াতলা বিলের মৎস্য ঘেরের মধ্যবর্তীস্থানে আশাননগরের খালে পানি নিষ্কাষনের জন্য নির্মিত কালভার্টের মুখের উপর থেকে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড কাজী মেশকাতুল ইসলাম । গতকাল সোমবার বিকেলে এ উচ্ছেদ অভিযান পারিচালনা করা হয়। এ খাল উচ্ছেদের মাধ্যমে শত শত লোকের কৃষিকাজ ও ব্যবহারযোগ্য পানির সংকট নিরাসন হবে বলে জানালেন অনেকে। এলাকাবাসি জানান, উপজেলার গড়ভাঙ্গা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আশাননগরের খালটি কামরুল বিশ্বাস নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রেখেছিলেন। এতে কেরামত গাজীর ৩২৬ বিঘা মৎস্য ঘেরের রক্ষিত চারা মাছ পানির অভাবে মারা যাচ্ছে। এবং এলাকার লোকদের চাষাবাদ ও অন্যান্য কাজে পানির সংকট দেখা দেয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হলে সোমবার উপজেলা প্রশাসনের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলামের উস্থিতিতে এ উচ্ছেদ অভিযান পারিচালনা করা হয়। এ খালের বাঁধ অপসারণের জন্য প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
বাঁধ অপসারণ কালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদিপ বিশ্বাস, থানার সহকারী উপপরিদর্শক লক্ষনসঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরাসহ এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তবে বাধ দেয়ার অভিযোগে কামরুল বিশ্বাসকে জরিমানা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেলকাটি গ্রামের রহমতউল্লার ছেলে শরিফুল ইসলামসহ এলাকাবাসীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কামরুল বিশ্বাস এখানকার খালে বাঁধ দিয়ে নিজের কাজে ব্যবহার করছেন। বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনও স্যারের নির্দেশে আমরা বাঁধটি অপসারণ করেছি। এতে এলাকাবাসি দারুণ ভাবে উপকৃত হবেন। উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান জনস্বার্থে সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত