তারিখ লোড হচ্ছে...

ময়মনসিংহে তদন্ত রিপোর্ট জমার পরও নিষ্ক্রিয় বিভাগীয় পরিচালক বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তরুণদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের সোমবার দেশব্যাপী শোক পালন করবে বিএনপি হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা ছয় মাস পর সুন্দরবনে ফিরল সেই বাঘিনী অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী চার দশক পর সেমিতে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ভোলাহাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু সুলতানপুর চাউল বাজার সমিতির সভাপতি বিপুল, সাধারণ সম্পাদক মামুন অতিবৃষ্টিতে বালিজুরী-ঝুলগাঁও সীমান্ত সড়কে যোগাযোগ ব্যাহত রাঙ্গুনিয়ায় লাকড়ি ধরতে গিয়ে নৌকাডুবি, যুবক নিখোঁজ সুনামগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুুিুষ্ঠত শিক্ষা সচিব সাখাওয়াত হোসেনের ৬ টি গ্রন্থের প্রকাশনা ও আলোচনা সভা রাঙামাটিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বেতন ছাড়ের ৬ দিনে পরেও বেতন পাচ্ছেনা মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড ​সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা স্থগিত জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সৌমেন সাহা ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ১২-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের বড় সুখবর দিল সরকার জ্বালানি সচিবের ভাওতাবাজি ‘সিন্ডিকেট ভাঙতে এলপিজির বাজারে আসছে বিপিসি’ চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে: প্রধানমন্ত্রী কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ইউএনও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান চট্টগ্রামে জোয়ারে ভেসে আসা অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রংপুরে টিকে গ্রুপের কারখানার বিষাক্ত শিল্পবর্জ্যে মরছে মাছ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৭১ গ্রেফতার জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাংগঠনিক ও পরিচিত সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেনের ১৮ শতাংশই বস্ত্র খাতের দখলে গলাচিপায় সর্বসাধারণের জন্য সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নলডাঙ্গায় ব্যাটারিচালিত গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত দুর্যোগে মানবিক উদ্যোগ: বরকলে বন্যার্তদের পাশে সুবিমল চাকমা নাটোরে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা ঢাকা মেডিকেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের কোর্তোয়ার ভবিষ্যদ্বাণী, কে হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ টেলিগ্রামে এইচএসসির প্রশ্ন বিক্রির কারবার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও বিএনপি নেতা  বুলুকে পূর্বের পদে পূর্ণবহাল'এর দাবিতে প্রতিবাদ সভা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ৩৪ শতাংশ ঋণই খেলাপি তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়ায় হচ্ছে ড্রোন কারখানা: মীর শাহে আলম ডিএসসিসির পিডি রাজীব খাদেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি ও হত্যা মামলার অভিযোগ রাজউকে বেপরোয়া সোহাগ মিয়ার সিন্ডিকেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাচ্চুর ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী কুমু বেগমকে নির্যাতনের অভি... সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। নদীর পানি বৃদ্ধি, পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ডুবে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একইসঙ্গে বিভাগের পাঁচ জেলার অন্তত ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দুর্গত এলাকায় এখনো উদ্ধার, ত্রাণ ও আশ্রয় কার্যক্রম চালাচ্ছে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। সেখানে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় আটজন, বান্দরবান জেলায় ছয়জন এবং রাঙামাটি জেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে চট্টগ্রাম নগরীসহ জেলার ১৬ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোট ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৬৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ২৩ হাজার ৮৫৩ জন। বন্যার্তদের সহায়তায় সরকার ৭০০ টন চাল ও ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এরমধ্যে ৩০০ টন চাল, ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ২২ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১৮ হাজার ৩৩০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য আরও ৪০০ টন চাল ও ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা মজুত রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে ১২ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস) ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের যৌথ বুলেটিনে পাঁচ জেলাকে পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে টেকনাফে ১৬৯ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১০৬ মিলিমিটার এবং কক্সবাজারে ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় আকস্মিক বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো- বাহারছড়া ইউনিয়নের আশিক (১১) ও মিরাজ (৬)। স্থানীয়রা জানান, বন্যার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সময় পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যায় দুই শিশু। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাহারছড়া ইউনিয়নসহ বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো বন্যার পানি রয়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে বসতঘর, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি ও মাছের ঘের। দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট। কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জেলার চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেক এলাকায় ঘরবাড়িতে কোমর থেকে বুকসমান পানি উঠেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, মাছের ঘের ও বসতঘর। বন্যার পানিতে নলকূপ ডুবে যাওয়ায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বহু পরিবার দিনের পর দিন রান্না করতে পারছে না। নিরাপদ আশ্রয়ের পাশাপাশি খাবার ও বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছেন দুর্গতরা। বান্দরবান জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সময় আরও তিন দিন বাড়িয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকবে।

রাঙামাটি জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। একইসঙ্গে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক উপত্যকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আটকে পড়া ৪৬১ জন পর্যটককে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলা- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, মাছের ঘের, সড়ক ও যোগাযোগ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক দুর্গম এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বিভাগে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও দ্রুত করার আহ্বান জানান। প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকায় দুর্গত এলাকায় উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু ত্রাণ নয়, দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষতি কমাতে স্থায়ী উদ্যোগ নিতে হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কানাডাকে গিলে খাবে চীন: ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ডেনমার্কের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র গোল্ডেন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করতে চাইলেও কানাডা এর বিরোধীতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার বদলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর করছে। কিন্তু এ বন্ধুদের আড়ালে চীন তাদের গিলে খাবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, গ্রিনল্যান্ডে গোল্ডেন স্থাপনের বিরুদ্ধে কানাডা। যদিও এ গোল্ডেন ডোম কানাডাকেও সুরক্ষা দেবে। আমাদের এক্ষেত্রে সহায়তা না করে তারা চীনের সঙ্গে ব্যবসা করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। যারা কানাডাকে এক বছরের মধ্যে গিলে খাবে। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই কানাডার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি প্রায়ই দেশটির নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করেন। চীনের সঙ্গে কয়েকদিন আগে বাণিজ্য চুক্তি করে কানাডা। এতে দুই দেশের কিছু পণ্য

আরও পড়ুন
language Change